আল জামিউল কাবীর- ইমাম তিরমিযী রহঃ
১৫. শাসনকার্য পরিচালনা ও আদালত-বিচার অধ্যায়
হাদীস নং: ১৩২২
আন্তর্জাতিক নং: ১৩২২
শাসনকার্য পরিচালনা ও আদালত-বিচার অধ্যায়
কাযী প্রসঙ্গে।
১৩২৫. মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল আ‘লা (রাহঃ) ...... আব্দুল্লাহ ইবনে মাওহীব (রাহঃ) থেকে বর্ণিত যে, উসমান (রাযিঃ) উমর (রাযিঃ) -কে বললেন, যাও, মানুষের মাঝে বিচার কার্য সম্পাদন কর। তিনি বললেন, হে আমীরুল মু’মিনীন, আপনি আমাকে এই বিষয়ে ক্ষমা করবেন? উসমান (রাযিঃ) বললেন, তুমি এটা না পছন্দ করছ কেন? অথচ তোমার পিতা (উমর) তো বিচার করতেন। ইবনে উমর বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)- কে বলতে শুনেছি যে, কেউ যদি বিচারক হিসাবে নিযুক্ত হয় আর সে যদি ন্যায় ভাবেও বিচার কার্য সম্পাদন করে তবে সে বরাবর আমল নিয়ে ফিরে আসবে এটা তার জন্য একটি কঠিন ব্যাপার। সুতরাং এরপর আমি কি আশা করতে পারি? -
এই হাদীসে একটি কাহিনীও রয়েছে।[১] এই বিষয়ে আবু হুরায়রা (রাযিঃ) থেকেও হাদীস বর্ণিত রয়েছে। ইমাম আবু ঈসা (রাহঃ) বলেন, ইবনে উমর (রাযিঃ) বর্ণিত হাদীসটি গারীব। সনদটি আমার মতে মুত্তাসিল নয়। কেননা যে আবুল মালিক (রাহঃ) থেকে এখানে মু‘তামির (রাহঃ) রিওয়ায়েত করেছেন তিনি হলেন, আব্দুল মালিক ইবনে আবু জামীলা।
[১] আ-তারগীব-এ সেটির বিস্তারিত বিবারণ রয়েছে।
মুহাম্মাদ ইবনে ইসমাঈল (রাহঃ) ..... বুরায়দা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, নবী (ﷺ) বলেন, কাযীগণ তিন ধরনের। দুই ধরণের কাযী জাহান্নামে যবে। আর যে কাযী না জেনে মানুষের হক নষ্ট করে ফেলে সেও জাহান্নামী হবে। আর এক ধরণের কাযী হল, যে ন্যায়ভাবে ফয়সালা করে সে জান্নাতে যাবে। -
এই হাদীসে একটি কাহিনীও রয়েছে।[১] এই বিষয়ে আবু হুরায়রা (রাযিঃ) থেকেও হাদীস বর্ণিত রয়েছে। ইমাম আবু ঈসা (রাহঃ) বলেন, ইবনে উমর (রাযিঃ) বর্ণিত হাদীসটি গারীব। সনদটি আমার মতে মুত্তাসিল নয়। কেননা যে আবুল মালিক (রাহঃ) থেকে এখানে মু‘তামির (রাহঃ) রিওয়ায়েত করেছেন তিনি হলেন, আব্দুল মালিক ইবনে আবু জামীলা।
[১] আ-তারগীব-এ সেটির বিস্তারিত বিবারণ রয়েছে।
মুহাম্মাদ ইবনে ইসমাঈল (রাহঃ) ..... বুরায়দা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, নবী (ﷺ) বলেন, কাযীগণ তিন ধরনের। দুই ধরণের কাযী জাহান্নামে যবে। আর যে কাযী না জেনে মানুষের হক নষ্ট করে ফেলে সেও জাহান্নামী হবে। আর এক ধরণের কাযী হল, যে ন্যায়ভাবে ফয়সালা করে সে জান্নাতে যাবে। -
كتاب الأحكام عن رسول الله ﷺ
باب مَا جَاءَ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي الْقَاضِي
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الأَعْلَى الصَّنْعَانِيُّ، حَدَّثَنَا الْمُعْتَمِرُ بْنُ سُلَيْمَانَ، قَالَ سَمِعْتُ عَبْدَ الْمَلِكِ، يُحَدِّثُ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَوْهَبٍ، أَنَّ عُثْمَانَ، قَالَ لاِبْنِ عُمَرَ اذْهَبْ فَاقْضِ بَيْنَ النَّاسِ . قَالَ أَوَتُعَافِينِي يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ . قَالَ وَمَا تَكْرَهُ مِنْ ذَلِكَ وَقَدْ كَانَ أَبُوكَ يَقْضِي قَالَ إِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ " مَنْ كَانَ قَاضِيًا فَقَضَى بِالْعَدْلِ فَبِالْحَرِيِّ أَنْ يَنْقَلِبَ مِنْهُ كَفَافًا " . فَمَا أَرْجُو بَعْدَ ذَلِكَ وَفِي الْحَدِيثِ قِصَّةٌ . وَفِي الْبَابِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ . قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ ابْنِ عُمَرَ حَدِيثٌ غَرِيبٌ وَلَيْسَ إِسْنَادُهُ عِنْدِي بِمُتَّصِلٍ . وَعَبْدُ الْمَلِكِ الَّذِي رَوَى عَنْهُ الْمُعْتَمِرُ هَذَا هُوَ عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ أَبِي جَمِيلَةَ .
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنِي الْحَسَنُ بْنُ بِشْرٍ، حَدَّثَنَا شَرِيكٌ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ سَعْدِ بْنِ عُبَيْدَةَ، عَنِ ابْنِ بُرَيْدَةَ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " الْقُضَاةُ ثَلاَثَةٌ قَاضِيَانِ فِي النَّارِ وَقَاضٍ فِي الْجَنَّةِ رَجُلٌ قَضَى بِغَيْرِ الْحَقِّ فَعَلِمَ ذَاكَ فَذَاكَ فِي النَّارِ وَقَاضٍ لاَ يَعْلَمُ فَأَهْلَكَ حُقُوقَ النَّاسِ فَهُوَ فِي النَّارِ وَقَاضٍ قَضَى بِالْحَقِّ فَذَلِكَ فِي الْجَنَّةِ " .
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنِي الْحَسَنُ بْنُ بِشْرٍ، حَدَّثَنَا شَرِيكٌ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ سَعْدِ بْنِ عُبَيْدَةَ، عَنِ ابْنِ بُرَيْدَةَ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " الْقُضَاةُ ثَلاَثَةٌ قَاضِيَانِ فِي النَّارِ وَقَاضٍ فِي الْجَنَّةِ رَجُلٌ قَضَى بِغَيْرِ الْحَقِّ فَعَلِمَ ذَاكَ فَذَاكَ فِي النَّارِ وَقَاضٍ لاَ يَعْلَمُ فَأَهْلَكَ حُقُوقَ النَّاسِ فَهُوَ فِي النَّارِ وَقَاضٍ قَضَى بِالْحَقِّ فَذَلِكَ فِي الْجَنَّةِ " .