আল জামিউল কাবীর- ইমাম তিরমিযী রহঃ
১৪. ক্রয়-বিক্রয় ও ব্যাবসা-বাণিজ্যের অধ্যায়
হাদীস নং: ১২৩৩
আন্তর্জাতিক নং: ১২৩৩
যা অধিকারে নেই তা বিক্রি করা নিষেধ।
১২৩৬. কুতায়বা (রাহঃ) ...... হাকীম ইবনে হিযাম (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, যা আমার হাতে নেই তা বিক্রি করতে রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) আমাকে নিষেধ করেছেন।
ইমাম আবু ঈসা (রাহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সহীহ। ইসহাক ইবনে মনসুর (রাহঃ) বলেন, আমি আহমাদ ইবনে হাম্বাল (রাহঃ)-কে বললাম, ‘একই সঙ্গে ঋণ ও বিক্রয় করা তিনি নিষেধ করেছেন’’-এর অর্থ কি? তিনি বললেন, কাউকে ঋণ প্রদানের পর অতিরিক্ত মূল্যে তার নিকট কিছু বিক্রয় করা। কিংবা এর উদাহরণ এটিও হতে পারে যে, কোন কিছু (রেহেন) রেখে কাউকে কিছু কর্য দিল এবং বলল, যদি ঋণ আদায়ের ব্যবস্থা করতে না পার তবে ঐ জিনিসটি বিক্রীত বলে গণ্য হবে।
ইসহাক (রাহঃ) আরো বলেন, আমি আহমদ (রাহঃ)-কে বললাম, লোকসানের দায়িত্ব না নেয়া পর্যন্ত বিক্রয় হয় না’’-এই কথার মর্ম কি? তিনি বললেন, আমার মতে খাদ্য দ্রব্যের ক্ষেত্রেই কেবল এটি প্রযোজ্য। অর্থাৎ হস্তগত না করা পর্যন্ত-এর বিক্রয় জায়েয নয়। ইসহাক (রাহঃ) বলেন, দাড়িপাল্লা বা পাত্র দ্বারা যে সব দ্রব্য ওজন করা হয় সেই সবই এর মধ্যে শামিল।
আহমাদ (রাহঃ) বলেন, যদি কেউ বলে, এই কাপড়টি তোমার নিকট বিক্রয় করলাম আর এটি সেলাই করা এবং ধুয়ে দেওয়া আমার দায়িত্ব। এরূপ করা একই বিক্রয়ে দুই শর্ত করার শামিল। আর যদি বলে, ‘‘এটি আমি তোমার নিকট বিক্রি করলাম, আমার দায়িত্ব″ তবে এতে দোষ নেই। যদি বলে এটি তোমার নিকট বিক্রয় করলাম, আমার দায়িত্ব হলো এটি ধৌত করে দেওয়া’’ তবুও কোন দোষ নাই। কারণ এ হলো একটি শর্ত।
ইমাম আবু ঈসা (রাহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সহীহ। ইসহাক ইবনে মনসুর (রাহঃ) বলেন, আমি আহমাদ ইবনে হাম্বাল (রাহঃ)-কে বললাম, ‘একই সঙ্গে ঋণ ও বিক্রয় করা তিনি নিষেধ করেছেন’’-এর অর্থ কি? তিনি বললেন, কাউকে ঋণ প্রদানের পর অতিরিক্ত মূল্যে তার নিকট কিছু বিক্রয় করা। কিংবা এর উদাহরণ এটিও হতে পারে যে, কোন কিছু (রেহেন) রেখে কাউকে কিছু কর্য দিল এবং বলল, যদি ঋণ আদায়ের ব্যবস্থা করতে না পার তবে ঐ জিনিসটি বিক্রীত বলে গণ্য হবে।
ইসহাক (রাহঃ) আরো বলেন, আমি আহমদ (রাহঃ)-কে বললাম, লোকসানের দায়িত্ব না নেয়া পর্যন্ত বিক্রয় হয় না’’-এই কথার মর্ম কি? তিনি বললেন, আমার মতে খাদ্য দ্রব্যের ক্ষেত্রেই কেবল এটি প্রযোজ্য। অর্থাৎ হস্তগত না করা পর্যন্ত-এর বিক্রয় জায়েয নয়। ইসহাক (রাহঃ) বলেন, দাড়িপাল্লা বা পাত্র দ্বারা যে সব দ্রব্য ওজন করা হয় সেই সবই এর মধ্যে শামিল।
আহমাদ (রাহঃ) বলেন, যদি কেউ বলে, এই কাপড়টি তোমার নিকট বিক্রয় করলাম আর এটি সেলাই করা এবং ধুয়ে দেওয়া আমার দায়িত্ব। এরূপ করা একই বিক্রয়ে দুই শর্ত করার শামিল। আর যদি বলে, ‘‘এটি আমি তোমার নিকট বিক্রি করলাম, আমার দায়িত্ব″ তবে এতে দোষ নেই। যদি বলে এটি তোমার নিকট বিক্রয় করলাম, আমার দায়িত্ব হলো এটি ধৌত করে দেওয়া’’ তবুও কোন দোষ নাই। কারণ এ হলো একটি শর্ত।
باب مَا جَاءَ فِي كَرَاهِيَةِ بَيْعِ مَا لَيْسَ عِنْدَكَ
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ يُوسُفَ بْنِ مَاهَكَ، عَنْ حَكِيمِ بْنِ حِزَامٍ، قَالَ نَهَانِي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنْ أَبِيعَ مَا لَيْسَ عِنْدِي . قَالَ أَبُو عِيسَى وَهَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ . قَالَ إِسْحَاقُ بْنُ مَنْصُورٍ قُلْتُ لأَحْمَدَ مَا مَعْنَى نَهَى عَنْ سَلَفٍ وَبَيْعٍ قَالَ أَنْ يَكُونَ يُقْرِضُهُ قَرْضًا ثُمَّ يُبَايِعُهُ عَلَيْهِ بَيْعًا يَزْدَادُ عَلَيْهِ وَيَحْتَمِلُ أَنْ يَكُونَ يُسْلِفُ إِلَيْهِ فِي شَيْءٍ فَيَقُولُ إِنْ لَمْ يَتَهَيَّأْ عِنْدَكَ فَهُوَ بَيْعٌ عَلَيْكَ . قَالَ إِسْحَاقُ يَعْنِي ابْنَ رَاهَوَيْهِ كَمَا قَالَ قُلْتُ لأَحْمَدَ وَعَنْ بَيْعِ مَا لَمْ تَضْمَنْ قَالَ لاَ يَكُونُ عِنْدِي إِلاَّ فِي الطَّعَامِ مَا لَمْ تَقْبِضْ . قَالَ إِسْحَاقُ كَمَا قَالَ فِي كُلِّ مَا يُكَالُ أَوْ يُوزَنُ . قَالَ أَحْمَدُ إِذَا قَالَ أَبِيعُكَ هَذَا الثَّوْبَ وَعَلَىَّ خِيَاطَتُهُ وَقَصَارَتُهُ فَهَذَا مِنْ نَحْوِ شَرْطَيْنِ فِي بَيْعٍ وَإِذَا قَالَ أَبِيعُكَهُ وَعَلَىَّ خِيَاطَتُهُ فَلاَ بَأْسَ بِهِ أَوْ قَالَ أَبِيعُكَهُ وَعَلَىَّ قَصَارَتُهُ فَلاَ بَأْسَ بِهِ إِنَّمَا هُوَ شَرْطٌ وَاحِدٌ . قَالَ إِسْحَاقُ كَمَا قَالَ .


বর্ণনাকারী: