আল জামিউল কাবীর- ইমাম তিরমিযী রহঃ
৯. হজ্ব - উমরার অধ্যায়
হাদীস নং: ৯২০
আন্তর্জাতিক নং: ৯২০
হজ্ব - উমরার অধ্যায়
রাত্রিকালে তাওয়াফে যিয়ারত করা।
৯২২. মুহাম্মাদ ইবনে বাশশার (রাহঃ) ...... ইবনে আব্বাস ও আয়িশা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, নবী (ﷺ) তাওয়াফে যিয়ারত রাত্রি পর্যন্ত পিছিয়ে আদায় করেছেন। - ইবনে মাজাহ
ইমাম আবু ঈসা (রাহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান। আলিমগণের কেউ কেউ রাত্রি পর্যন্ত পিছিয়ে তাওয়াফে যিয়ারত আদায় করার অবকাশ দিয়েছেন। কেউ কেউ ইয়াওমুন নাহরে তা করা মুস্তাহাব বলে মত প্রকাশ করেছেন। আর কেউ কেউ এমনকি মিনা অবস্থানের শেষ দিন পর্যন্ত এটিকে পিছিয়ে আদায় করার অবকাশ রেখেছেন।
ইমাম আবু ঈসা (রাহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান। আলিমগণের কেউ কেউ রাত্রি পর্যন্ত পিছিয়ে তাওয়াফে যিয়ারত আদায় করার অবকাশ দিয়েছেন। কেউ কেউ ইয়াওমুন নাহরে তা করা মুস্তাহাব বলে মত প্রকাশ করেছেন। আর কেউ কেউ এমনকি মিনা অবস্থানের শেষ দিন পর্যন্ত এটিকে পিছিয়ে আদায় করার অবকাশ রেখেছেন।
أبواب الحج عن رسول الله صلى الله عليه وسلم
باب مَا جَاءَ فِي طَوَافِ الزِّيَارَةِ بِاللَّيْلِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، وَعَائِشَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم أَخَّرَ طَوَافَ الزِّيَارَةِ إِلَى اللَّيْلِ . قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ . وَقَدْ رَخَّصَ بَعْضُ أَهْلِ الْعِلْمِ فِي أَنْ يُؤَخَّرَ طَوَافُ الزِّيَارَةِ إِلَى اللَّيْلِ وَاسْتَحَبَّ بَعْضُهُمْ أَنْ يَزُورَ يَوْمَ النَّحْرِ وَوَسَّعَ بَعْضُهُمْ أَنْ يُؤَخَّرَ وَلَوْ إِلَى آخِرِ أَيَّامِ مِنًى .
হাদীসের ব্যাখ্যা:
হাদীসটির মর্ম এই যে, তওয়াফে যিয়ারতের জন্য উত্তম দিন হচ্ছে কুরবানীর দিন, অর্থাৎ, ১০ই যিলহজ্ব। কিন্তু রাসূলুল্লাহ (ﷺ) অবকাশ দিয়েছেন যে, এ দিনটি শেষ হয়ে যাওয়ার পর রাতের বেলায়ও এটা করা যায়। আর এ রাতের তাওয়াফও ফযীলত হিসাবে ১০ই যিলহজ্বের তাওয়াফ হিসাবে গণ্য হবে।
সাধারণ আরবী হিসাবের নিয়ম অনুযায়ী রাতের তারিখটি পরবর্তী দিনের তারিখ হয় এবং প্রতিটি রাত পরের দিনের সাথে যুক্ত হয়। (যেমন, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতটি পরবর্তী দিন অর্থাৎ, শুক্রবারের রাত ধরা হয়।) কিন্তু হজ্বের কার্যক্রম ও বিধি-বিধানের ক্ষেত্রে বান্দাদের সুবিধার জন্য এর বিপরীত নিয়ম নির্ধারণ করা হয়েছে এবং প্রত্যেক দিবাগত রাতকে ঐ দিনের সাথে যুক্ত করে দেওয়া হয়েছে। এরই ভিত্তিতে যে তাওয়াফটি ১০ই যিলহজ্ব দিন পার হয়ে যাওয়ার পর রাতের বেলায় করা হবে, সেটা ১০ই যিলহজ্বের তাওয়াফ হিসাবেই গণ্য হবে-যদিও সাধারণ নিয়ম হিসাবে এটা ১১ই যিলহজ্বের রাত।
সাধারণ আরবী হিসাবের নিয়ম অনুযায়ী রাতের তারিখটি পরবর্তী দিনের তারিখ হয় এবং প্রতিটি রাত পরের দিনের সাথে যুক্ত হয়। (যেমন, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতটি পরবর্তী দিন অর্থাৎ, শুক্রবারের রাত ধরা হয়।) কিন্তু হজ্বের কার্যক্রম ও বিধি-বিধানের ক্ষেত্রে বান্দাদের সুবিধার জন্য এর বিপরীত নিয়ম নির্ধারণ করা হয়েছে এবং প্রত্যেক দিবাগত রাতকে ঐ দিনের সাথে যুক্ত করে দেওয়া হয়েছে। এরই ভিত্তিতে যে তাওয়াফটি ১০ই যিলহজ্ব দিন পার হয়ে যাওয়ার পর রাতের বেলায় করা হবে, সেটা ১০ই যিলহজ্বের তাওয়াফ হিসাবেই গণ্য হবে-যদিও সাধারণ নিয়ম হিসাবে এটা ১১ই যিলহজ্বের রাত।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)