আল জামিউল কাবীর- ইমাম তিরমিযী রহঃ
৯. হজ্ব - উমরার অধ্যায়
হাদীস নং: ৮৮৯
আন্তর্জাতিক নং: ৮৮৯
হজ্ব - উমরার অধ্যায়
যে ব্যক্তি মুযদালিফায় ইমামকে পাবে সে হজ্জ পেল বলে গণ্য হবে।
৮৯০. মুহাম্মাদ ইবনে বাশশার (রাহঃ) ....... আব্দুর রহমান ইবনে ইয়া’মুর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, নজদবাসী কতিপয় লোক রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) এর কাছে এল তখন তিনি আরাফায় ছিলিন। তার হজ্জ সম্পর্কে তাঁকে জিজ্ঞাসা করে। তিনি তখন এক ঘোষণাকরীকে এই মর্মে ঘোষণা দিতে নির্দেশ দিলেন যে, হজ্জ হল আরাফাতে অবস্থানের নাম। কেউ যদি মুযাদালিফার রাতে ফজর উদয়ের পূর্বেই এখানে আসে তবে সে হজ্জ পেল। মিনায় অবস্থানের দিন হল তিন দিন। কেউ দুই দিন অবস্থান করে শীঘ্র ফিরে যেতে চাইলে তাতে কোন দোষ নাই। আর তিন দিন অবস্থান বিলম্বিত করতে চাইলেও তাতে কোন দোষ নাই। মুহাম্মাদ আল বুখারী বলেন যে, ইয়াহ্ইয়া আরো অতিরিক্ত বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এক ব্যক্তিকে তাঁর পিছনে আরোহণ করালেন অনন্তর এই ব্যক্তি এ ব্যাপারে ঘোষণা প্রদান করলেন। - ইবনে মাজাহ
أبواب الحج عن رسول الله صلى الله عليه وسلم
باب مَا جَاءَ فِيمَنْ أَدْرَكَ الإِمَامَ بِجَمْعٍ فَقَدْ أَدْرَكَ الْحَجَّ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، وَعَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ، قَالاَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ بُكَيْرِ بْنِ عَطَاءٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ يَعْمَرَ، أَنَّ نَاسًا، مِنْ أَهْلِ نَجْدٍ أَتَوْا رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَهُوَ بِعَرَفَةَ فَسَأَلُوهُ فَأَمَرَ مُنَادِيًا فَنَادَى " الْحَجُّ عَرَفَةُ مَنْ جَاءَ لَيْلَةَ جَمْعٍ قَبْلَ طُلُوعِ الْفَجْرِ فَقَدْ أَدْرَكَ الْحَجَّ أَيَّامُ مِنًى ثَلاَثَةٌ فَمَنْ تَعَجَّلَ فِي يَوْمَيْنِ فَلاَ إِثْمَ عَلَيْهِ وَمَنْ تَأَخَّرَ فَلاَ إِثْمَ عَلَيْهِ " . قَالَ مُحَمَّدٌ وَزَادَ يَحْيَى وَأَرْدَفَ رَجُلاً فَنَادَى.
হাদীসের ব্যাখ্যা:
যেহেতু ওকূফে আরাফার উপর হজ্ব নির্ভর করে, তাই এর মধ্যে এতটুকু সুযোগ রাখা হয়েছে যে, কেউ যদি ৯ই যিলহজ্ব দিনের বেলা আরাফায় পৌঁছতে না পারে, (যা হচ্ছে ওকূফের আসল সময়,) সে যদি পরবর্তী রাতের কোন অংশেও সেখানে পৌঁছে যায়, তাহলে তার ওকূফ আদায় হয়ে যাবে এবং সে হজ্ব থেকে বঞ্চিত গণ্য হবে না।
আরাফার দিনের পরের দিনটি অর্থাৎ, ১০ই যিলহজ্ব হচ্ছে কুরবানীর দিন। এ দিন একটি জামরায় রমী, কুরবানী ও মাথা মুড়ানোর পর ইহরামের বাধ্যবাধকতা শেষ হয়ে যায় এবং এ দিনেই মক্কায় গিয়ে তাওয়াফে যিয়ারত করতে হয়। তারপর মিনায় বেশীর চেয়ে বেশী তিন দিন আর কমপক্ষে দু'দিন অবস্থান করে তিনটি জামরাতেই পাথর নিক্ষেপ করা হজ্বের আহকামের অন্তর্ভুক্ত। তাই কোন ব্যক্তি যদি ১১ ও ১২ই যিলহজ্ব জামরায় পাথর নিক্ষেপ করে মিনা থেকে চলে যায়, তাহলে তার উপর কোন গুনাহ্ বর্তাবে না। আর কেউ যদি ১৩ তারিখও অবস্থান করে এবং পাথর নিক্ষেপ করে নেয়, তাহলে এটাও জায়েয।
আরাফার দিনের পরের দিনটি অর্থাৎ, ১০ই যিলহজ্ব হচ্ছে কুরবানীর দিন। এ দিন একটি জামরায় রমী, কুরবানী ও মাথা মুড়ানোর পর ইহরামের বাধ্যবাধকতা শেষ হয়ে যায় এবং এ দিনেই মক্কায় গিয়ে তাওয়াফে যিয়ারত করতে হয়। তারপর মিনায় বেশীর চেয়ে বেশী তিন দিন আর কমপক্ষে দু'দিন অবস্থান করে তিনটি জামরাতেই পাথর নিক্ষেপ করা হজ্বের আহকামের অন্তর্ভুক্ত। তাই কোন ব্যক্তি যদি ১১ ও ১২ই যিলহজ্ব জামরায় পাথর নিক্ষেপ করে মিনা থেকে চলে যায়, তাহলে তার উপর কোন গুনাহ্ বর্তাবে না। আর কেউ যদি ১৩ তারিখও অবস্থান করে এবং পাথর নিক্ষেপ করে নেয়, তাহলে এটাও জায়েয।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)
বর্ণনাকারী: