আল জামিউল কাবীর- ইমাম তিরমিযী রহঃ
৯. হজ্ব - উমরার অধ্যায়
হাদীস নং: ৮১৩
আন্তর্জাতিক নং: ৮১৩
হজ্ব - উমরার অধ্যায়
পাথেয় ও বাহন যোগাড়ে সক্ষম হলে হজ্জ ফরয হয়।
৮১১. ইউসুফ ইবনে ঈসা (রাহঃ) ..... ইবনে উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, এক ব্যক্তি রাসূল (ﷺ) এর কাছে এসে বলল, হে আল্লাহর রাসূল! কিসে হজ্জ ফরয হয়? তিনি বললেন, পাথেয় ও বাহন যোগাড়ে সক্ষম হলে। - ইবনে মাজাহ
ইমাম আবু ঈসা (রাহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান। আলিমগণ এতদনুসারে আমল করেছেন। তাঁরা বলেন, কোন ব্যক্তি যখন পাথেয় ও বাহন যোগাড়ে সক্ষম হয় তখন তার উপর হজ্জ ফরয হয়। রাবী ইবরাহীম ইবনে ইয়াযীদ হলেন, আল-খাওযী আল-মক্কী। কতক হাদীস বিশেষজ্ঞ আলিম তার স্মরণশক্তির সমালোচনা করেছেন।
ইমাম আবু ঈসা (রাহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান। আলিমগণ এতদনুসারে আমল করেছেন। তাঁরা বলেন, কোন ব্যক্তি যখন পাথেয় ও বাহন যোগাড়ে সক্ষম হয় তখন তার উপর হজ্জ ফরয হয়। রাবী ইবরাহীম ইবনে ইয়াযীদ হলেন, আল-খাওযী আল-মক্কী। কতক হাদীস বিশেষজ্ঞ আলিম তার স্মরণশক্তির সমালোচনা করেছেন।
أبواب الحج عن رسول الله صلى الله عليه وسلم
باب مَا جَاءَ فِي إِيجَابِ الْحَجِّ بِالزَّادِ وَالرَّاحِلَةِ .
حَدَّثَنَا يُوسُفُ بْنُ عِيسَى، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ يَزِيدَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبَّادِ بْنِ جَعْفَرٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ جَاءَ رَجُلٌ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ مَا يُوجِبُ الْحَجَّ قَالَ " الزَّادُ وَالرَّاحِلَةُ " . قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ . وَالْعَمَلُ عَلَيْهِ عِنْدَ أَهْلِ الْعِلْمِ أَنَّ الرَّجُلَ إِذَا مَلَكَ زَادًا وَرَاحِلَةً وَجَبَ عَلَيْهِ الْحَجُّ . وَإِبْرَاهِيمُ بْنُ يَزِيدَ هُوَ الْخُوزِيُّ الْمَكِّيُّ وَقَدْ تَكَلَّمَ فِيهِ بَعْضُ أَهْلِ الْعِلْمِ مِنْ قِبَلِ حِفْظِهِ .
হাদীসের ব্যাখ্যা:
কুরআন মজীদে হজ্ব ফরয হওয়ার শর্ত হিসাবে বলা হয়েছে: مَنِ اسۡتَطَاعَ اِلَیۡہِ سَبِیۡلًا অর্থাৎ, হজ্ব ঐসব লোকদের উপর ফরয, যারা সফর করে মক্কা শরীফ পর্যন্ত পৌঁছার সামর্থ্য রাখে। এখানে যে সংক্ষিপ্ত ও অস্পষ্ট কথা বলা হয়েছে, সম্ভবত প্রশ্নকারী সাহাবী এটা স্পষ্টভাবে জানতে চাইলেন এবং জিজ্ঞাসা করলেন যে, এ সামর্থ্যের নির্দিষ্ট মাপকাঠি কি? হুযুর (ﷺ) উত্তরে বললেন, একটি জিনিস তো এই যে, যানবাহনের ব্যবস্থা থাকবে, যার দ্বারা মক্কা শরীফ পর্যন্ত সফর করা যায়। দ্বিতীয় জিনিসটি এই যে, পানাহারের পাশাপাশি প্রয়োজনের জন্য এতটুকু সম্পদ থাকতে হবে, যা ঐ সফরকালীন সময়ের খরচের জন্য যথেষ্ট হতে পারে। ফুকাহায়ে কেরাম এ খরচের মধ্যে ঐসব লোকদের খরচকেও অন্তর্ভুক্ত করেছেন, যাদের ভরণ-পোষণের দায়িত্ব হজ্ব গমণকারীর উপর ওয়াজিব।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)