আল জামিউল কাবীর- ইমাম তিরমিযী রহঃ

৮. নবীজী ﷺ থেকে বর্ণিত রোযার অধ্যায়

হাদীস নং: ৭২৩
আন্তর্জাতিক নং: ৭২৩
নবীজী ﷺ থেকে বর্ণিত রোযার অধ্যায়
যদি কেউ স্বেচ্ছায় রোযা ভঙ্গ করে।
৭২১. মুহাম্মাদ ইবনে বাশশার (রাহঃ) ..... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ কোনরূপ অনুমোদিত কারণ বা রোগ ব্যতিরেকে কেউ যদি রমযানের রোযা ভঙ্গ করে তবে একজন সারা জীবন রোযা পালন করলেও তার কাযা আদায় হবে না। - ইবনে মাজাহ ১৬৭২

ইমাম আবু ঈসা (রাহঃ) বলেন, এই সূত্র ব্যতিত আবু হুরায়রা (রাযিঃ) বর্ণিত হাদীসটি সম্পর্কে আমরা কিছু জানিনা, মুহাম্মাদ বুখারী (রাহঃ) কে বলতে শুনেছি যে, রাবী আবুল মুতাওবিস (রাহঃ) এর নাম হলো ইয়াযিদ ইবনে মুতাওবিস। এই হাদীস ছাড়া তার আর কোন রিওয়ায়াত আছে বলে আমাদের জানা নেই।
أبواب الصوم عن رسول الله صلى الله عليه وسلم
باب مَا جَاءَ فِي الإِفْطَارِ مُتَعَمِّدًا
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، وَعَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ، قَالاَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ حَبِيبِ بْنِ أَبِي ثَابِتٍ، حَدَّثَنَا أَبُو الْمُطَوِّسِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " مَنْ أَفْطَرَ يَوْمًا مِنْ رَمَضَانَ مِنْ غَيْرِ رُخْصَةٍ وَلاَ مَرَضٍ لَمْ يَقْضِ عَنْهُ صَوْمُ الدَّهْرِ كُلِّهِ وَإِنْ صَامَهُ " . قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ أَبِي هُرَيْرَةَ لاَ نَعْرِفُهُ إِلاَّ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ . وَسَمِعْتُ مُحَمَّدًا يَقُولُ أَبُو الْمُطَوِّسِ اسْمُهُ يَزِيدُ بْنُ الْمُطَوِّسِ وَلاَ أَعْرِفُ لَهُ غَيْرَ هَذَا الْحَدِيثِ .

হাদীসের ব্যাখ্যা:

হাদীসটির দাবী ও মর্ম এই যে, শরী‘আতসম্মত ওযর ও অবকাশ ছাড়া রমযানের একটি রোযা ছেড়ে দিলে রমযানের বিশেষ বরকত ও আল্লাহর খাছ রহমত থেকে মানুষ এতদূর বঞ্চিত হয় যে, সারা জীবন বোযা রাখলেও এর ক্ষতিপূরণ হয় না। একটি রোযার আইনগত কাযা যদিও এক দিনের রোযাই; কিন্তু এর দ্বারা ঐ জিনিসটি আর লাভ হবে না, যা রোযা ছেড়ে দেওয়ার কারণে হাতছাড়া হয়ে গিয়েছে। অতএব, যেসব লোক বেপরোয়া হয়ে রমযানের রোযা ছেড়ে দেয় তারা একটু চিন্তা করে দেখুক যে, নিজেদের কী ক্ষতি তারা করে চলেছে।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)
tahqiqতাহকীক:তাহকীক চলমান