আল জামিউল কাবীর- ইমাম তিরমিযী রহঃ
২. রাসূলুল্লাহ ﷺ থেকে বর্ণিত নামাযের অধ্যায়
হাদীস নং: ৪০৯
আন্তর্জাতিক নং: ৪০৯
রাসূলুল্লাহ ﷺ থেকে বর্ণিত নামাযের অধ্যায়
বৃষ্টির সময় নিজ নিজ বাসস্থানে নামায আদায় করা।
৪০৯. আবু হাফস আমর ইবনে আলী (রাহঃ) .... জাবির (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেনঃ আমরা রাসূল (ﷺ) এর সঙ্গে এক সফরে ছিলাম। ঐ সময় একদিন আমরা খুব বৃষ্টির সম্মুখীন হই। তখন রাসূল (ﷺ) ঘোষণা দিয়ে বললেন, যার ইচ্ছা নিজ নিজ স্থানে নামায আদায় করতে পারে।
أبواب الصلاة عن رسول الله صلى الله عليه وسلم
باب مَا جَاءَ إِذَا كَانَ الْمَطَرُ فَالصَّلاَةُ فِي الرِّحَالِ
حَدَّثَنَا أَبُو حَفْصٍ، عَمْرُو بْنُ عَلِيٍّ الْبَصْرِيُّ حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ الطَّيَالِسِيُّ، حَدَّثَنَا زُهَيْرُ بْنُ مُعَاوِيَةَ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرٍ، قَالَ كُنَّا مَعَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فِي سَفَرٍ فَأَصَابَنَا مَطَرٌ فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم " مَنْ شَاءَ فَلْيُصَلِّ فِي رَحْلِهِ " . قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنِ ابْنِ عُمَرَ وَسَمُرَةَ وَأَبِي الْمَلِيحِ عَنْ أَبِيهِ وَعَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ سَمُرَةَ . قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ جَابِرٍ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ . وَقَدْ رَخَّصَ أَهْلُ الْعِلْمِ فِي الْقُعُودِ عَنِ الْجَمَاعَةِ وَالْجُمُعَةِ فِي الْمَطَرِ وَالطِّينِ وَبِهِ يَقُولُ أَحْمَدُ وَإِسْحَاقُ . قَالَ أَبُو عِيسَى سَمِعْتُ أَبَا زُرْعَةَ يَقُولُ رَوَى عَفَّانُ بْنُ مُسْلِمٍ عَنْ عَمْرِو بْنِ عَلِيٍّ حَدِيثًا . وَقَالَ أَبُو زُرْعَةَ لَمْ نَرَ بِالْبَصْرَةِ أَحْفَظَ مِنْ هَؤُلاَءِ الثَّلاَثَةِ عَلِيِّ بْنِ الْمَدِينِيِّ وَابْنِ الشَّاذَكُونِيِّ وَعَمْرِو بْنِ عَلِيٍّ . وَأَبُو الْمَلِيحِ اسْمُهُ عَامِرٌ وَيُقَالُ زَيْدُ بْنُ أُسَامَةَ بْنِ عُمَيْرٍ الْهُذَلِيُّ .
হাদীসের তাখরীজ (সূত্র):
এই বিষয়ে ইবনে উমর, সামুরা, আবুল মালীহ তার পিতার সূত্রে এবং আবদুর রহমান ইবনে সামুরা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবু ঈসা তিরমিযী (রাহঃ) বলেনঃ জাবির রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সহীহ। আলিমগণ বৃষ্টি ও কাদার কারণে জুমআ ও জামা’আতে শরীক না হওয়ার অনুমতি দিয়েছেন। ইমাম আহমদ ও ইসহাক (রাহঃ)-এর অভিমত এ-ই। ইমাম আবু ঈসা তিরমিযী (রাহঃ) বলেনঃ আমি আবু যুরআ (রাহঃ) কে বলতে শুনেছি যে, আফফান ইবনে মুসলিম (রাহঃ) আমর ইবনে আলী (রাহঃ) থেকেও হাদীস বর্ণনা করেছেন। তিনি আরো বলেনঃ বসরায় এই তিনজনের চেয়ে অধিক স্মরণশক্তি সম্পন্ন আর কাউকে আমি দেখিনিঃ আলী ইবনুল মাদীনী, ইবনে শাযাকুনী, আমর ইবনে আলী। রাবী আবুল মালীহ ইবনে উসমার নাম হ’ল আমির। যায়েদ ইবনে উসামা ইবনে উমায়র আল-হুযালী বলেও কথিত আছে।