কিতাবুস সুনান- ইমাম ইবনে মাজা রহঃ
২৪. কুরবানীর অধ্যায়
হাদীস নং: ৩১২১
আন্তর্জাতিক নং: ৩১২১
কুরবানীর অধ্যায়
রাসূলুল্লাহ ﷺ এর কোরবানী
৩১২১। হিশাম ইব্ন আম্মার (রাহঃ)...... জাবির ইব্ন আব্দুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ঈদের দিন দু'টি মেষ যবাহ করেন। পশু দুইটিকে কিবলামুখী করে বলেনঃ
“ইন্নী ওয়াজ্জাহ্ত ওয়াজহিয়া লিল্লাযী ফাতারাস-সামাওয়াতি ওয়াল আরদা হানীফাও ওয়ামা আনা মিনাল মুশরিকীন। ইন্না সালাতী ওয়া নুসুকী ওয়া মাহ্ইয়ায়া ও মামাতী লিল্লাহি রাব্বিল আলামীন। লা শারীকা লাহূ ওয়া বিযালিকা উমিরুত ওয়া আনা আওওয়ালুল মুসলিমীন। আল্লাহুম্মা মিনকা ওয়া লাকা আন মুহাম্মাদিন ওয়া উম্মাতিহি।”
“আমি একনিষ্ঠভাবে তাঁর দিকে মুখ ফিরাচ্ছি যিনি আকাশমন্ডলী ও পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন এবং আমি মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত নই (সূরা আন'আমঃ৭৯)। বল, আমার নামায, আমার ইবাদত (কুরবানী), আমার জীবন, আমার মৃত্যু রাব্বুল আলামীন আল্লাহর জন্য। তাঁর কোন শরীক নেই এবং এ জন্য তাই আমি অদিষ্ট হয়েছি এবং আত্মসমর্পণকারীদের মধ্যে আমিই প্রথম (সূরা আন'আমঃ১৬২-৩)। হে আল্লাহ! আপনার নিকট থেকেই প্রাপ্ত এবং আপনার জন্যই, অতএব তা মুহাম্মাদ ও তাঁর উম্মাতের পক্ষ কবূল করুন।
“ইন্নী ওয়াজ্জাহ্ত ওয়াজহিয়া লিল্লাযী ফাতারাস-সামাওয়াতি ওয়াল আরদা হানীফাও ওয়ামা আনা মিনাল মুশরিকীন। ইন্না সালাতী ওয়া নুসুকী ওয়া মাহ্ইয়ায়া ও মামাতী লিল্লাহি রাব্বিল আলামীন। লা শারীকা লাহূ ওয়া বিযালিকা উমিরুত ওয়া আনা আওওয়ালুল মুসলিমীন। আল্লাহুম্মা মিনকা ওয়া লাকা আন মুহাম্মাদিন ওয়া উম্মাতিহি।”
“আমি একনিষ্ঠভাবে তাঁর দিকে মুখ ফিরাচ্ছি যিনি আকাশমন্ডলী ও পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন এবং আমি মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত নই (সূরা আন'আমঃ৭৯)। বল, আমার নামায, আমার ইবাদত (কুরবানী), আমার জীবন, আমার মৃত্যু রাব্বুল আলামীন আল্লাহর জন্য। তাঁর কোন শরীক নেই এবং এ জন্য তাই আমি অদিষ্ট হয়েছি এবং আত্মসমর্পণকারীদের মধ্যে আমিই প্রথম (সূরা আন'আমঃ১৬২-৩)। হে আল্লাহ! আপনার নিকট থেকেই প্রাপ্ত এবং আপনার জন্যই, অতএব তা মুহাম্মাদ ও তাঁর উম্মাতের পক্ষ কবূল করুন।
كتاب الأضاحي
بَاب أَضَاحِيِّ رَسُولِ اللهِ ﷺ
حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عَمَّارٍ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ عَيَّاشٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي حَبِيبٍ، عَنْ أَبِي عَيَّاشٍ الزُّرَقِيِّ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ ضَحَّى رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ يَوْمَ عِيدٍ بِكَبْشَيْنِ فَقَالَ حِينَ وَجَّهَهُمَا " إِنِّي وَجَّهْتُ وَجْهِيَ لِلَّذِي فَطَرَ السَّمَوَاتِ وَالأَرْضَ حَنِيفًا وَمَا أَنَا مِنَ الْمُشْرِكِينَ إِنَّ صَلاَتِي وَنُسُكِي وَمَحْيَاىَ وَمَمَاتِي لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ لاَ شَرِيكَ لَهُ وَبِذَلِكَ أُمِرْتُ وَأَنَا أَوَّلُ الْمُسْلِمِينَ اللَّهُمَّ مِنْكَ وَلَكَ عَنْ مُحَمَّدٍ وَأُمَّتِهِ " .
হাদীসের ব্যাখ্যা:
কুরবানী করার সময় রাসূলুল্লাহ ﷺ আল্লাহর কাছে এই বলে আরযি পেশ করতেন: আমার পক্ষ থেকে অথবা কুরবানী দানে আমার অসমর্থ উম্মাতের পক্ষ থেকে এই কুরবানী। স্পষ্টতই এটাই ছিল উম্মাতের প্রতি রাসূলুল্লাহ ﷺ -এর প্রগাঢ় স্নেহের প্রকাশ। তবে এর মর্ম এই নয় যে, তিনি সকল উম্মাতের পক্ষ থেকে অথবা অসমর্থ লোকদের পক্ষে কুরবানী করেছেন, তাই তাদের জন্য যথেষ্ট এবং তাদের আর কুরবানী করতে হবে না। বরং এর মর্ম হল, হে আল্লাহ্! কুরবানীর সাওয়াবে আমার সাথে আমার উম্মাতকেও অংশীদার কর। সাওয়াবে অংশীদার করা এক জিনিস, আর সবার পক্ষ থেকে কুরবানী আদায় হয়ে যাওয়া ভিন্ন জিনিস।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)