কিতাবুস সুনান- ইমাম ইবনে মাজা রহঃ

২৩. হজ্ব - উমরার অধ্যায়

হাদীস নং: ৩০৭০
আন্তর্জাতিক নং: ৩০৭০
হজ্ব - উমরার অধ্যায়
বিদায়ী তাওয়াফ
৩০৭০। হিশাম ইবন আম্মার (রাহঃ)...... ইব্‌ন আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, লোকেরা বিক্ষিপ্তভাবে সব দিকে যাচ্ছিল। রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) বললেনঃ শেষবারের মত বায়তুল্লাহ তাওয়াফ না করা পর্যন্ত কেউ যেন প্রস্থান না করে।
كتاب المناسك
بَاب طَوَافِ الْوَدَاعِ
حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عَمَّارٍ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ سُلَيْمَانَ، عَنْ طَاوُسٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ كَانَ النَّاسُ يَنْصَرِفُونَ كُلَّ وَجْهٍ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ لاَ يَنْفِرَنَّ أَحَدٌ حَتَّى يَكُونَ آخِرُ عَهْدِهِ بِالْبَيْتِ ‏"‏ ‏.‏

হাদীসের ব্যাখ্যা:

এ হাদীসে যেমন স্পষ্ট উল্লেখিত হয়েছে যে, প্রথম প্রথম লোকেরা বিদায়ী তাওয়াফের প্রতি যত্নবান থাকত না। ১২ অথবা ১৩ই যিলহজ্ব পর্যন্ত মিনায় অবস্থান করে কংকর মারা ইত্যাদি হজ্বের কাজ সেরে নিজ নিজ দেশে ফিরে যেত। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এ নির্দেশ দ্বারা যেন এর গুরুত্ব ও ওয়াজিব হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। এ জন্যই ফুকাহায়ে কেরাম তাওয়াফে বিদাকে ওয়াজিব বলেছেন। তবে হাদীসে এটাও আছে যে, যেসব মহিলা এ সময় তাদের বিশেষ দিন আসার কারণে তাওয়াফ করতে অপারগ, তারা যদি আগেই তাওয়াফে যিয়ারত করে নিয়ে থাকে, তাহলে বিদায়ী তাওয়াফ না করেই দেশে ফিরে যেতে পারবে। তাদের ছাড়া প্রত্যেক বহিরাগত হাজীর জন্য জরুরী যে, তারা দেশে রওয়ানা হওয়ার আগে বিদায়ের নিয়তেই শেষ ও বিদায়ী তাওয়াফ করে নিবে। আর এটাই হজ্ব সংক্রান্ত তার শেষ কাজ।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)
tahqiqতাহকীক:বিশুদ্ধ (পারিভাষিক সহীহ)