কিতাবুস সুনান- ইমাম ইবনে মাজা রহঃ
১৬. বন্ধক রাখার অধ্যায়
হাদীস নং: ২৪৮০
আন্তর্জাতিক নং: ২৪৮০
উদ্বৃত্ত পানি ব্যবহারে নিষেধ করা, যার ফলে চতুষ্পদ জন্তুর ঘাস খাওয়া বন্ধ হয়ে যায়
২৪৮০। মুহাম্মাদ ইবন রুমহ (রাহঃ) .... 'আব্দুল্লাহ ইবন যুবায়র (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, এক আনসারী যুবায়র (রাযিঃ) এর বিরুদ্ধে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) র কাছে নালিশ করলো 'হাবরা নামক স্থানের জলাশয় সম্পর্কে, যা থেকে তারা খেজুর বাগানে পানি দিত। আনসারী লোকটি (যুবায়রকে) বলেছিলঃ পানি ছেড়ে দাও। তা প্রবাহিত হোক। যুবায়র (রাযিঃ) তাতে অস্বীকৃতি জানায়। অতঃপর তারা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর কাছে এর বিচার নিয়ে আসে। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ হে যুবায়র! তুমি তোমার ক্ষেতে পানি দেয়ার পর, তোমার প্রতিবেশীর ক্ষেতের পানি ছেড়ে দিবে। আনসারী লোকটি রাগান্বিত হয়ে বললো, ইয়া রাসূলাল্লাহ (ﷺ)! সে আপনার ফুফুর ছেলে বলে এরূপ বিচার করলেন। এতে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) -এর চেহারা বিবর্ণ হয়ে যায়। অতঃপর তিনি বললেন, হে যুবায়র! তুমি তোমার ক্ষেতে পানি সেচ কর, তারপর পানি আটকে রাখ, যতক্ষণ না তা দেয়াল পর্যন্ত উঠে যায়। রাবী আব্দুল্লাহ ইবন যুবায়র বলেন যে, যুবায়র (রাযিঃ) বলেছেনঃ আল্লাহর কসম! আমি মনে করি এই আয়াত সম্পর্কে নাযিল হয়েছেঃفَلاَ وَرَبِّكَ لاَ يُؤْمِنُونَ حَتَّى يُحَكِّمُوكَ فِيمَا شَجَرَ بَيْنَهُمْ ثُمَّ لاَ يَجِدُوا فِي أَنْفُسِهِمْ حَرَجًا مِمَّا قَضَيْتَ وَيُسَلِّمُوا تَسْلِيمًا
“কিন্তু না, তোমার প্রতিপালকের শপথ! তারা মুমিন হবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত তারা তাদের নিজেদের বিবাদ বিসবাদের বিচার ভার তোমার ওপর অর্পণ না করে, অতঃপর তোমার সিদ্ধান্ত সম্বন্ধে তাদের মনে কোন দ্বিধা না থাকে এবং সর্বান্তকারণে তা মেনে নেয়” (৪:৬৫)।
“কিন্তু না, তোমার প্রতিপালকের শপথ! তারা মুমিন হবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত তারা তাদের নিজেদের বিবাদ বিসবাদের বিচার ভার তোমার ওপর অর্পণ না করে, অতঃপর তোমার সিদ্ধান্ত সম্বন্ধে তাদের মনে কোন দ্বিধা না থাকে এবং সর্বান্তকারণে তা মেনে নেয়” (৪:৬৫)।
بَاب الشُّرْبِ مِنْ الْأَوْدِيَةِ وَمِقْدَارِ حَبْسِ الْمَاءِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رُمْحٍ، أَنْبَأَنَا اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الزُّبَيْرِ، أَنَّ رَجُلاً، مِنَ الأَنْصَارِ خَاصَمَ الزُّبَيْرَ عِنْدَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي شِرَاجِ الْحَرَّةِ الَّتِي يَسْقُونَ بِهَا النَّخْلَ فَقَالَ الأَنْصَارِيُّ سَرِّحِ الْمَاءَ يَمُرَّ . فَأَبَى عَلَيْهِ فَاخْتَصَمَا عِنْدَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " اسْقِ يَا زُبَيْرُ ثُمَّ أَرْسِلِ الْمَاءَ إِلَى جَارِكَ " . فَغَضِبَ الأَنْصَارِيُّ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَنْ كَانَ ابْنَ عَمَّتِكَ فَتَلَوَّنَ وَجْهُ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ثُمَّ قَالَ " يَا زُبَيْرُ اسْقِ ثُمَّ احْبِسِ الْمَاءَ حَتَّى يَرْجِعَ إِلَى الْجَدْرِ " . قَالَ فَقَالَ الزُّبَيْرُ وَاللَّهِ إِنِّي لأَحْسَبُ هَذِهِ الآيَةَ أُنْزِلَتْ فِي ذَلِكَ (فَلاَ وَرَبِّكَ لاَ يُؤْمِنُونَ حَتَّى يُحَكِّمُوكَ فِيمَا شَجَرَ بَيْنَهُمْ ثُمَّ لاَ يَجِدُوا فِي أَنْفُسِهِمْ حَرَجًا مِمَّا قَضَيْتَ وَيُسَلِّمُوا تَسْلِيمًا).
