কিতাবুস সুনান- ইমাম ইবনে মাজা রহঃ

৭. রোযা ও ই'তিকাফের অধ্যায়

হাদীস নং: ১৬৮৯
আন্তর্জাতিক নং: ১৬৮৯
রোযা ও ই'তিকাফের অধ্যায়
সাওম পালনরত অবস্থায় গীবত ও অশ্লীল কাজ করা প্রসঙ্গে
১৬৮৯। 'আমর ইবন রাফি' (রাহঃ)....আবু হুরায়রা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি মিথ্যা কথা, জাহিলী আচার-আচরণ পরিত্যাগ না করে, তার পানাহার বর্জন করাতে আল্লাহর কোন প্রয়োজন নেই।
أبواب الصيام
بَاب مَا جَاءَ فِي الْغِيبَةِ وَالرَّفَثِ لِلصَّائِمِ
حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ رَافِعٍ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُبَارَكِ عَنْ ابْنِ أَبِي ذِئْبٍ عَنْ سَعِيدٍ الْمَقْبُرِيِّ عَنْ أَبِيهِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ لَمْ يَدَعْ قَوْلَ الزُّورِ وَالْجَهْلَ وَالْعَمَلَ بِهِ فَلَا حَاجَةَ لِلَّهِ فِي أَنْ يَدَعَ طَعَامَهُ وَشَرَابَهُ

হাদীসের ব্যাখ্যা:

এ হাদীস দ্বারা জানা গেল যে, আল্লাহ তা'আলার কাছে রোযা মকবুল ও গ্রহণযোগ্য হওয়ার জন্য এটা জরুরী যে, মানুষ পানাহার বর্জন ছাড়া গুনাহ ও অশ্লীল কথা ও কাজ থেকেও নিজের মুখ ও অন্যান্য অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের হেফাযত করবে। যদি কোন ব্যক্তি রোযা রাখে আর গুনাহর কথা-বার্তা ও গুনাহর কাজ করতে থাকে, তাহলে আল্লাহ্ তা'আলা তার এ রোযার প্রতি ভ্রুক্ষেপও করবেন না।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)
tahqiqতাহকীক:বিশুদ্ধ (পারিভাষিক সহীহ)