কিতাবুস সুনান (আলমুজতাবা) - ইমাম নাসায়ী রহঃ
২২. রোযার অধ্যায়
হাদীস নং: ২৩৬৮
আন্তর্জাতিক নং: ২৩৬৮
রোযার অধ্যায়
নবী (ﷺ) এর রোযা, তাঁর উপর আমার মাতা পিতা উতসর্গীত হোক
২৩৭০। মুহাম্মাদ ইবনে আলী (রাহঃ) ......... আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) প্রত্যেক মাসের শুরুতে তিন দিন রোযা পালন করতেন, আর শুক্রবার দিন খুব কমই রোযা ভঙ্গ করতেন।
كتاب الصيام
باب صَوْمِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم - بِأَبِي هُوَ وَأُمِّي - وَذِكْرِ اخْتِلاَفِ النَّاقِلِينَ لِلْخَبَرِ فِي ذَلِكَ
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْحَسَنِ بْنِ شَقِيقٍ، قَالَ أَبِي أَنْبَأَنَا أَبُو حَمْزَةَ، عَنْ عَاصِمٍ، عَنْ زِرٍّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ، قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَصُومُ ثَلاَثَةَ أَيَّامٍ مِنْ غُرَّةِ كُلِّ شَهْرٍ وَقَلَّمَا يُفْطِرُ يَوْمَ الْجُمُعَةِ .
হাদীসের ব্যাখ্যা:
এ হাদীস দ্বারা জানা গেল যে, হুযুর (ﷺ) অধিকাংশ সময় শুক্রবারে রোযাদার থাকতেন; কিন্তু অন্যান্য হাদীস দ্বারা জানা যায় যে, তিনি এ বিষয় থেকে নিষেধ করতেন যে, জুমু'আর দিনের ফযীলত ও বৈশিষ্ট্যের কারণে মানুষ এমন করতে শুরু করবে যে, নফল রোযা শুক্রবারেই রাখবে, আর রাত্রি জাগরণ ও ইবাদতের জন্য শুক্রবারের রাতকেই নির্দিষ্ট করে নিবে।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)