কিতাবুস সুনান (আলমুজতাবা) - ইমাম নাসায়ী রহঃ

৭. আযান - ইকামতের অধ্যায়

হাদীস নং: ৬৫৪
আন্তর্জাতিক নং: ৬৫৪
আযান - ইকামতের অধ্যায়
বৃষ্টির রাতে জামাআতে হাজির না হয়ে অন্যত্র নামায আদায় করলে আযান দেয়া।
৬৫৫। কুতায়বা (রাহঃ) ......... নাফে (রাহঃ) থেকে বর্ণিত। আব্দুল্লাহ ইবনে উমর (রাযিঃ) এক রাতে নামাযের জন্য আযান দেন। সে রাত্রে খুব ঠাণ্ডা পড়েছিল ও প্রচণ্ড বাতাস বইছিল। তিনি আযানে বলেনঃ أَلاَ صَلُّوا فِي الرِّحَالِ সকলেই আপন আপন স্থানে নামায আদায় করে নিন। কেননা ঠাণ্ডা ও বৃষ্টির রাতে নবী (ﷺ) মুয়াযযিনকে এই কথা ঘোযণা করতে নির্দেশ দিতেন যে, সকলেই আপন আপন স্থানে নামায আদায় করে নিন।
كتاب الأذان
الأذان في التخلف عن شهود الجماعة في الليلة المطيرة
أَخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، أَنَّ ابْنَ عُمَرَ، أَذَّنَ بِالصَّلاَةِ فِي لَيْلَةٍ ذَاتِ بَرْدٍ وَرِيحٍ فَقَالَ أَلاَ صَلُّوا فِي الرِّحَالِ فَإِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَأْمُرُ الْمُؤَذِّنَ إِذَا كَانَتْ لَيْلَةٌ بَارِدَةٌ ذَاتُ مَطَرٍ يَقُولُ أَلاَ صَلُّوا فِي الرِّحَالِ .

হাদীসের ব্যাখ্যা:

বিভিন্ন হাদীসে যে শীত ও বাতাসের রাতের কথা বলা হয়েছে, তার দ্বারা প্রচণ্ড শীত ও ঝড়ো বাতাস বুঝানো হয়েছে। এমনিভাবে যদি এরূপ প্রবল বৃষ্টি হয় যাতে মসজিদে পর্যন্ত পৌঁছতে ভিজে যাওয়ার আশংকা দেখা দেয় অথবা রাস্তায় পানি, কাদা থাকে বা পথ পিচ্ছিল হয়ে যায় এমতাবস্থায়ও নিজ ঘরে সালাত আদায়ের অনুমতি রয়েছে। এসব অবস্থায় সালাত আদায়ের জন্য মসজিদে যাওয়া জরুরী নয়।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)
tahqiqতাহকীক:বিশুদ্ধ (পারিভাষিক সহীহ)