কিতাবুস সুনান - ইমাম আবু দাউদ রহঃ
২৬. হাম্মাম (গোসলখানা) ও সতরের বর্ণনা
হাদীস নং: ৩৯৭৩
আন্তর্জাতিক নং: ৪০১৪
হাম্মাম (গোসলখানা) ও সতরের বর্ণনা
১. উলঙ্গ না হওয়া সম্পর্কে।
৩৯৭৩. আব্দুল্লাহ ইবনে মাসলামা (রাহঃ) .... জারহাদ (রাহঃ) তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন। জারহাদ (রাযিঃ) আসহাব-সুফফাদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। তিনি বলেনঃ একদা রসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাদের নিকট বসেন এ সময় আমার রান খোলা অবস্থায় ছিল। তখন তিনি বলেনঃ তুমি কি জান না, রানও সতরের অন্তর্গত?
كتاب الحمَّام
باب النَّهْىِ عَنِ التَّعَرِّي
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْلَمَةَ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ أَبِي النَّضْرِ، عَنْ زُرْعَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ جَرْهَدٍ، عَنْ أَبِيهِ، - قَالَ كَانَ جَرْهَدٌ هَذَا مِنْ أَصْحَابِ الصُّفَّةِ - قَالَ جَلَسَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عِنْدَنَا وَفَخِذِي مُنْكَشِفَةٌ فَقَالَ " أَمَا عَلِمْتَ أَنَّ الْفَخِذَ عَوْرَةٌ " .
হাদীসের ব্যাখ্যা:
মানুষের দেহের যে অংশগুলোকে সাধারণ পরিভাষায় লজ্জাস্থান বলা হয়, এগুলোর ব্যাপারে তো প্রত্যেক ব্যক্তি-এমনকি যারা আল্লাহ্ এবং কোন ধর্মকেও স্বীকার করে না- তারাও এটা বুঝে যে, এগুলো ঢেকে রাখা জরুরী। রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর এ বাণী দ্বারা জানা গেল যে, মনুষ্য দেহে কেবল লজ্জাস্থান ও এর নিকটবর্তী অংশই নয়; বরং রান (উরু) পর্যন্ত সতরের অন্তর্ভুক্ত, যা ঢেকে রাখা জরুরী। সতর সম্পর্কে এটা যেন পরিপূরক শিক্ষা ও দিকনির্দেশনা।
এ হাদীসে فخذ (রান) কে عورة বলা হয়েছে। عورة এর শাব্দিক অর্থ হচ্ছে ঢেকে রাখার জিনিস- যা প্রকাশ করা লজ্জা ও শরমের পরিপন্থী।
এ হাদীসে فخذ (রান) কে عورة বলা হয়েছে। عورة এর শাব্দিক অর্থ হচ্ছে ঢেকে রাখার জিনিস- যা প্রকাশ করা লজ্জা ও শরমের পরিপন্থী।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)
বর্ণনাকারী: