কিতাবুস সুনান - ইমাম আবু দাউদ রহঃ
২২. খাদ্যদ্রব্য-পানাহার সংক্রান্ত অধ্যায়
হাদীস নং: ৩৮১০
আন্তর্জাতিক নং: ৩৮৫৪
খাদ্যদ্রব্য-পানাহার সংক্রান্ত অধ্যায়
৫০৫. খানা খাওয়ার পর মেজবানের জন্য দুআ করা।
৩৮১০. মাখলাদ ইবনে খালিদ (রাহঃ) ..... আনাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ একদা নবী (ﷺ) সা’দ ইবনে উবাদা (রাযিঃ) এর নিকট যান। তিনি রুটি এবং যয়তুনের তেল তাঁর সামনে পেশ করেন। নবী (ﷺ) তা খেয়ে এরূপ বলেনঃ রোযাদার ব্যক্তি তোমাদের কাছে এসে ইফতার করুক, নেককার লোক তোমাদের খানা খাক, আর ফিরিশতারা তোমাদের উপর রহমত প্রেরণ করুক।
كتاب الأطعمة
باب مَا جَاءَ فِي الدُّعَاءِ لِرَبِّ الطَّعَامِ
حَدَّثَنَا مَخْلَدُ بْنُ خَالِدٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنْ ثَابِتٍ، عَنْ أَنَسٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم جَاءَ إِلَى سَعْدِ بْنِ عُبَادَةَ فَجَاءَ بِخُبْزٍ وَزَيْتٍ فَأَكَلَ ثُمَّ قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم " أَفْطَرَ عِنْدَكُمُ الصَّائِمُونَ وَأَكَلَ طَعَامَكُمُ الأَبْرَارُ وَصَلَّتْ عَلَيْكُمُ الْمَلاَئِكَةُ " .
হাদীসের ব্যাখ্যা:
এধরণের হাদীসগুলো দ্বারা প্রতীয়মান হয় যে, যেভাবে খানাপিনার পর আল্লাহ তা'আলার স্তব-স্তুতি ও শুকরিয়া আদায় করা দরকার, ঠিক তেমনি যখন আল্লাহর কোন বান্দা পানাহারে আপ্যায়িত করে, তখন তার জন্যেও দু'আ করা উচিত। রাসূলুল্লাহ ﷺ হযরত সাদ (রা)-এর বাড়িতে পানাহার শেষে তাঁর জন্যে যে দু'আ করেন, যার বর্ণনা হযরত আনাস থেকে বর্ণিত হাদীসে রয়েছে অর্থাৎ-
أَفْطَرَ عِنْدَكُمُ الصَّائِمُونَ وَأَكَلَ طَعَامَكُمُ الْأَبْرَارُ وَصَلَّتْ عَلَيْكُمُ الْمَلَائِكَةُ.
আর হযরত বুসর আসলামীর ওখানে পানাহারের পর তাঁর ওখানে তিনি যে দু'আ করেছেন- যার বর্ণনা আবদুল্লাহ ইব্ন বুসর (রা) থেকে বর্ণিত হাদীসে রয়েছে অর্থাৎ-
اَللّٰهُمَّ بَارِكْ لَهُمْ فِيمَا رَزَقْتَهُمْ وَاغْفِرْ لَهُمْ وَارْحَمْهُمْ
এ দু'আ দু'টির বক্তব্যের মধ্যে পার্থক্যের কারণ যতদূর মনে হয় তাঁদের দু'জনের দীনী মর্যাদার ভিত্তিতে হয়েছে। হযরত সা'আদ (রা) হুযুর ﷺ-এর বিশেষভাবে ফয়েযপ্রাপ্ত বিশিষ্ট সাহাবীগণের অন্যতম। তাঁকে তিনি এভাবে দু'আ করলেন যেন আল্লাহ তা'আলা সর্বদা তাঁর ঘরে রোযাদারদের ইফতার-আপ্যায়ন করান, পুণ্যবান বান্দারা যেন সর্বদা তাঁর বাড়িতে আতিথ্য-আপ্যায়ন লাভ করেন এবং ফেরেশতাগণ যেন তাঁর জন্যে দু'আ করেন। হযরত সা'আদ (রা)-এর দীনী মর্যাদা হিসাবে এ দু'আই তাঁর জন্যে অধিকতর প্রযোজ্য ছিল। পক্ষান্তরে সাধারণ পর্যায়ের সাহাবী বুসর আসলামী (রা)-এর জন্যে খায়র ও বরকত ও ক্ষমা-মাগফিরাতের দু'আই বেশি প্রযোজ্য ছিল। তাই রাসূলুল্লাহ ﷺ তাঁর জন্যে সেরূপ দু'আই করেছেন। আল্লাহই উত্তম জানেন।
أَفْطَرَ عِنْدَكُمُ الصَّائِمُونَ وَأَكَلَ طَعَامَكُمُ الْأَبْرَارُ وَصَلَّتْ عَلَيْكُمُ الْمَلَائِكَةُ.
আর হযরত বুসর আসলামীর ওখানে পানাহারের পর তাঁর ওখানে তিনি যে দু'আ করেছেন- যার বর্ণনা আবদুল্লাহ ইব্ন বুসর (রা) থেকে বর্ণিত হাদীসে রয়েছে অর্থাৎ-
اَللّٰهُمَّ بَارِكْ لَهُمْ فِيمَا رَزَقْتَهُمْ وَاغْفِرْ لَهُمْ وَارْحَمْهُمْ
এ দু'আ দু'টির বক্তব্যের মধ্যে পার্থক্যের কারণ যতদূর মনে হয় তাঁদের দু'জনের দীনী মর্যাদার ভিত্তিতে হয়েছে। হযরত সা'আদ (রা) হুযুর ﷺ-এর বিশেষভাবে ফয়েযপ্রাপ্ত বিশিষ্ট সাহাবীগণের অন্যতম। তাঁকে তিনি এভাবে দু'আ করলেন যেন আল্লাহ তা'আলা সর্বদা তাঁর ঘরে রোযাদারদের ইফতার-আপ্যায়ন করান, পুণ্যবান বান্দারা যেন সর্বদা তাঁর বাড়িতে আতিথ্য-আপ্যায়ন লাভ করেন এবং ফেরেশতাগণ যেন তাঁর জন্যে দু'আ করেন। হযরত সা'আদ (রা)-এর দীনী মর্যাদা হিসাবে এ দু'আই তাঁর জন্যে অধিকতর প্রযোজ্য ছিল। পক্ষান্তরে সাধারণ পর্যায়ের সাহাবী বুসর আসলামী (রা)-এর জন্যে খায়র ও বরকত ও ক্ষমা-মাগফিরাতের দু'আই বেশি প্রযোজ্য ছিল। তাই রাসূলুল্লাহ ﷺ তাঁর জন্যে সেরূপ দু'আই করেছেন। আল্লাহই উত্তম জানেন।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)