কিতাবুস সুনান - ইমাম আবু দাউদ রহঃ
২২. খাদ্যদ্রব্য-পানাহার সংক্রান্ত অধ্যায়
হাদীস নং: ৩৭৪৩
আন্তর্জাতিক নং: ৩৭৮৫
খাদ্যদ্রব্য-পানাহার সংক্রান্ত অধ্যায়
৪৭৬. নাপাক দ্রব্য ভক্ষণকারী জন্তুর গোশত না খাওয়া এবং দুধ পান না করা।
৩৭৪৩. উছমান ইবনে আবী শায়বা (রাহঃ) .... ইবনে উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) নাপাক দ্রব্য ভক্ষণকারী জীব-জন্তুর গোশত খেতে এবং এর দুধ পান করতে নিষেধ করেছেন।*
* যে জীব-জন্তু অধিক পরিমাণে নাপাক দ্রব্য খায়, তার গোশত ও দুধে সেই নাপাক বস্তুর দুর্গন্ধ অনুভূত হয়। তাই তার গোশত ও দুধ খাওয়া উচিত নয়। - (অনুবাদক)
* যে জীব-জন্তু অধিক পরিমাণে নাপাক দ্রব্য খায়, তার গোশত ও দুধে সেই নাপাক বস্তুর দুর্গন্ধ অনুভূত হয়। তাই তার গোশত ও দুধ খাওয়া উচিত নয়। - (অনুবাদক)
كتاب الأطعمة
باب النَّهْىِ عَنْ أَكْلِ الْجَلاَّلَةِ، وَأَلْبَانِهَا
حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عَبْدَةُ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ، عَنِ ابْنِ أَبِي نَجِيحٍ، عَنْ مُجَاهِدٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنْ أَكْلِ الْجَلاَّلَةِ وَأَلْبَانِهَا .
হাদীসের ব্যাখ্যা:
কখনো কখনো কোন কোন পশু উট, গরু, বকরী ইত্যাদির স্বভাব এমন নষ্ট হয়ে যায় যে, এগুলো কেবল নাপাক ও অপবিত্র বস্তুই খায়। এমনকি এগুলোর গোশত ও দুধে এর দুর্গন্ধ অনুভূত হতে থাকে। এমন পশুকেই جلاله নাপাকভোজী বলা হয়। এ হাদীসে এমন পশুর গোশত ও দুধ খেতে নিষেধ করা হয়েছে। কোন মুরগীর অবস্থা যদি এমন হয়, তাহলে এর বিধানও তাই। হ্যাঁ, যদি এ পশুকে এতদিন পর্যন্ত বেঁধে রেখে ও নিয়ন্ত্রণে রেখে অপবিত্র বস্তু খাওয়া থেকে ফিরিয়ে রাখা হয় যে, তার গোশত ও দুধে এর কোন প্রভাব অবশিষ্ট থাকে না, তাহলে এর গোশত খাওয়া ও দুধ পান করা জায়েয হবে। এখন আর এটাকে جلاله এর গোশত ও দুধ বলা হবে না।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)