কিতাবুস সুনান - ইমাম আবু দাউদ রহঃ
১৯. বিচার-আদালত অধ্যায়
হাদীস নং: ৩৫৬২
আন্তর্জাতিক নং: ৩৬০১
বিচার-আদালত অধ্যায়
৪০০. যার সাক্ষ্য গ্রহণীয় নয়।
৩৫৬২. মুহাম্মাদ ইবনে খালফ (রাহঃ) .... সুলাইমান ইবনে মুসা (রাহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ খিয়ানতকারী পুরুষ ও স্ত্রীর সাক্ষ্য, যিনাকার নর-নারীর সাক্ষ্য এবং স্বীয় ভ্রাতার প্রতি বিদ্বেষপোষণকারী ব্যক্তির সাক্ষ্য গ্রহণীয় নয়।
كتاب الأقضية
باب مَنْ تُرَدُّ شَهَادَتُهُ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ خَلَفِ بْنِ طَارِقٍ الرَّازِيُّ، حَدَّثَنَا زَيْدُ بْنُ يَحْيَى بْنِ عُبَيْدٍ الْخُزَاعِيُّ، حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ مُوسَى، بِإِسْنَادِهِ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " لاَ تَجُوزُ شَهَادَةُ خَائِنٍ وَلاَ خَائِنَةٍ وَلاَ زَانٍ وَلاَ زَانِيَةٍ وَلاَ ذِي غِمْرٍ عَلَى أَخِيهِ " .
হাদীসের ব্যাখ্যা:
আলোচ্য হাদীসে প্রথমে খিয়ানতকারী ও যিনাকার পুরুষ ও নারীদের সম্পর্কে বলা হয়েছে যে, তাদের সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য নয়। এ উভয় গুনাহকে দৃষ্টান্ত হিসাবে বুঝা চাই। মূলনীতি ও আইন এরূপ হবে যে, যে ব্যক্তি এরূপ কবীরা ও অশ্লীল পাপে জড়িত, অন্য কথায় ফাসিক ও পাপিষ্ঠ, তার সাক্ষ্য গৃহীত হবে না। কেননা, এরূপ গুনাহ করা একথার প্রমাণ বহন করে যে, তার অন্তরে আল্লাহভীতি নেই। এ জন্য তার সততার ওপর নির্ভর করা যায় না।
কোন শত্রুতা পোষণকারীর বিদ্বিষ্ট সাক্ষ্য যে কারণে গৃহীত নয়, তা সুস্পষ্ট। এভাবে যে ব্যক্তি কোন পরিবারের সাথে সম্পৃক্ত, তার থাকা-খাওয়া তাদেরই সাথে, যেন সে উক্ত পরিবারেরই এক সদস্য। এ জন্য উক্ত পরিবারের জন্য তার সাক্ষ্য গ্রহণ করা যাবে না। এতে বুঝা গেল যে, পরিবারের লোকদের সাক্ষ্য আরো উত্তমরূপে অগ্রহণযোগ্য হবে।
কোন শত্রুতা পোষণকারীর বিদ্বিষ্ট সাক্ষ্য যে কারণে গৃহীত নয়, তা সুস্পষ্ট। এভাবে যে ব্যক্তি কোন পরিবারের সাথে সম্পৃক্ত, তার থাকা-খাওয়া তাদেরই সাথে, যেন সে উক্ত পরিবারেরই এক সদস্য। এ জন্য উক্ত পরিবারের জন্য তার সাক্ষ্য গ্রহণ করা যাবে না। এতে বুঝা গেল যে, পরিবারের লোকদের সাক্ষ্য আরো উত্তমরূপে অগ্রহণযোগ্য হবে।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)
বর্ণনাকারী: