কিতাবুস সুনান - ইমাম আবু দাউদ রহঃ
১৫. কর-খাজনা, প্রশাসনিক দায়িত্ব ও যুদ্ধলব্ধ সম্পদ সংক্রান্ত
হাদীস নং: ২৯৭৮
আন্তর্জাতিক নং: ২৯৮৮
১৫৮. ঐ পঞ্চমাংশ, যা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) গনিমতের মাল হতে নিতেন, কোথায় কোথায় তা বন্টন করতেন এবং নিকটাত্নীয়দের হক সম্পর্কে।
২৯৭৮. ইয়াহয়া ইবনে খালাফ (রাহঃ) .... ইবনে আ’বূদ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ একদা আলী (রাযিঃ) আমাকে বলেন যে, আমি কি তোমাকে আমার ও রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর প্রিয়পাত্রী ফাতিমা (রাযিঃ) সম্পর্কে কিছু বলব না? তখন আমি বলিঃ হ্যাঁ অবশ্যই। তিনি বলেনঃ তার (ফাতিমার) হাতে যাতা পেষার কারণে ফোসকা পড়ে গেছে। আর কূপ থেকে মশকে পানি উঠাবার কারণে তাঁর বুকে ব্যথা অনুভূত হচ্ছে এবং ঘর ঝাড়ু দেওয়ার কারণে তাঁর সমস্ত কাপড়-চোপড় নোংরা হয়ে গিয়েছে। কেননা ঘরের সব কাজ একাই করে থাকেন। আর তাঁর কোন দাস-দাসী ছিল না। একবার নবী (ﷺ) এর নিকট কিছু গোলাম আসে। তখন আমি তাকে বলিঃ যদি তুমি তোমার পিতার নিকট উপস্থিত হয়ে গোলাম চাইতে, (তবে ভাল হতো)।
তখন তিনি ফাতিমা (রাযিঃ) তাঁর নিকট গমন করেন। কিন্তু তিনি তাঁর সঙ্গে অন্য ক’জন ব্যক্তিকে আলাপ করতে দেখে ফিরে আসেন। পরদিন আবার তিনি তাঁর নিকট উপস্থিত হলে তিনি জিজ্ঞাসা করেনঃ তোমার কিসের প্রয়োজন? এতে তিনি চুপ করে থাকলে আমি বলিঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি আপনাকে বলছি যে, যাঁতা পিষতে পিষতে তাঁর হাতে ফোসকা পড়ে গেছে। আর পানির মশক ভরতে ভরতে তার বুক ব্যথা হয়ে গেছে। এখন যখন আপনার নিকট কিছু খাদিম এসেছে, তখন আমিই তাঁকে বলিঃ তিনি যেন আপনার নিকট হাযির হয়ে একজন দাসের জন্য আব্দার করেন, যাতে তিনি এ কষ্ট হতে রেহাই পান।
তখন তিনি বলেনঃ হে ফাতিমা! আল্লাহকে ভয় কর এবং স্বীয় রবের ফরয হুকুম আদায় কর এবং নিজের ঘরের কাজ নিজেই কর। আর (দিন শেষে) যখন বিছানায় যাবে, তখন ৩৩ বার সুবহানাল্লাহ, ৩৩ বার আল-হামদুলিল্লাহ এবং ৩৪ বার আল্লাহু আকবার পড়বে। যার সর্বমোট সংখ্যা হলো ১০০ বার। বস্তুত তোমার জন্য এই তাসবীহ খাদিমের চাইতেও উত্তম। তিনি (ফাতিমা) বলেনঃ আমি আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলের উপর রাযী এবং খুশী (অর্থাৎ আমাকে যে হুকুম দেওয়া হয়েছে, তাতে আমি রাযী আছি)।
তখন তিনি ফাতিমা (রাযিঃ) তাঁর নিকট গমন করেন। কিন্তু তিনি তাঁর সঙ্গে অন্য ক’জন ব্যক্তিকে আলাপ করতে দেখে ফিরে আসেন। পরদিন আবার তিনি তাঁর নিকট উপস্থিত হলে তিনি জিজ্ঞাসা করেনঃ তোমার কিসের প্রয়োজন? এতে তিনি চুপ করে থাকলে আমি বলিঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি আপনাকে বলছি যে, যাঁতা পিষতে পিষতে তাঁর হাতে ফোসকা পড়ে গেছে। আর পানির মশক ভরতে ভরতে তার বুক ব্যথা হয়ে গেছে। এখন যখন আপনার নিকট কিছু খাদিম এসেছে, তখন আমিই তাঁকে বলিঃ তিনি যেন আপনার নিকট হাযির হয়ে একজন দাসের জন্য আব্দার করেন, যাতে তিনি এ কষ্ট হতে রেহাই পান।
তখন তিনি বলেনঃ হে ফাতিমা! আল্লাহকে ভয় কর এবং স্বীয় রবের ফরয হুকুম আদায় কর এবং নিজের ঘরের কাজ নিজেই কর। আর (দিন শেষে) যখন বিছানায় যাবে, তখন ৩৩ বার সুবহানাল্লাহ, ৩৩ বার আল-হামদুলিল্লাহ এবং ৩৪ বার আল্লাহু আকবার পড়বে। যার সর্বমোট সংখ্যা হলো ১০০ বার। বস্তুত তোমার জন্য এই তাসবীহ খাদিমের চাইতেও উত্তম। তিনি (ফাতিমা) বলেনঃ আমি আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলের উপর রাযী এবং খুশী (অর্থাৎ আমাকে যে হুকুম দেওয়া হয়েছে, তাতে আমি রাযী আছি)।
باب فِي بَيَانِ مَوَاضِعِ قَسْمِ الْخُمُسِ وَسَهْمِ ذِي الْقُرْبَى
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ خَلَفٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَى، عَنْ سَعِيدٍ، - يَعْنِي الْجُرَيْرِيَّ - عَنْ أَبِي الْوَرْدِ، عَنِ ابْنِ أَعْبُدَ، قَالَ قَالَ لِي عَلِيٌّ رضى الله عنه أَلاَ أُحَدِّثُكَ عَنِّي وَعَنْ فَاطِمَةَ بِنْتِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَكَانَتْ مِنْ أَحَبِّ أَهْلِهِ إِلَيْهِ قُلْتُ بَلَى . قَالَ إِنَّهَا جَرَّتْ بِالرَّحَى حَتَّى أَثَّرَ فِي يَدِهَا وَاسْتَقَتْ بِالْقِرْبَةِ حَتَّى أَثَّرَ فِي نَحْرِهَا وَكَنَسَتِ الْبَيْتَ حَتَّى اغْبَرَّتْ ثِيَابُهَا فَأَتَى النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم خَدَمٌ فَقُلْتُ لَوْ أَتَيْتِ أَبَاكِ فَسَأَلْتِيهِ خَادِمًا فَأَتَتْهُ فَوَجَدَتْ عِنْدَهُ حُدَّاثًا فَرَجَعَتْ فَأَتَاهَا مِنَ الْغَدِ فَقَالَ " مَا كَانَ حَاجَتُكِ " . فَسَكَتَتْ فَقُلْتُ أَنَا أُحَدِّثُكَ يَا رَسُولَ اللَّهِ جَرَّتْ بِالرَّحَى حَتَّى أَثَّرَتْ فِي يَدِهَا وَحَمَلَتْ بِالْقِرْبَةِ حَتَّى أَثَّرَتْ فِي نَحْرِهَا فَلَمَّا أَنْ جَاءَكَ الْخَدَمُ أَمَرْتُهَا أَنْ تَأْتِيَكَ فَتَسْتَخْدِمَكَ خَادِمًا يَقِيهَا حَرَّ مَا هِيَ فِيهِ . قَالَ " اتَّقِي اللَّهَ يَا فَاطِمَةُ وَأَدِّي فَرِيضَةَ رَبِّكِ وَاعْمَلِي عَمَلَ أَهْلِكِ فَإِذَا أَخَذْتِ مَضْجَعَكِ فَسَبِّحِي ثَلاَثًا وَثَلاَثِينَ وَاحْمَدِي ثَلاَثًا وَثَلاَثِينَ وَكَبِّرِي أَرْبَعًا وَثَلاَثِينَ فَتِلْكَ مِائَةٌ فَهِيَ خَيْرٌ لَكِ مِنْ خَادِمٍ " . قَالَتْ رَضِيتُ عَنِ اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ وَعَنْ رَسُولِهِ صلى الله عليه وسلم .
