কিতাবুস সুনান - ইমাম আবু দাউদ রহঃ
১৫. কর-খাজনা, প্রশাসনিক দায়িত্ব ও যুদ্ধলব্ধ সম্পদ সংক্রান্ত
হাদীস নং: ২৯৭৪
আন্তর্জাতিক নং: ২৯৮৪
১৫৮. ঐ পঞ্চমাংশ, যা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) গনিমতের মাল হতে নিতেন, কোথায় কোথায় তা বন্টন করতেন এবং নিকটাত্নীয়দের হক সম্পর্কে।
২৯৭৪. উসমান ইবনে আবী শায়বা (রাহঃ) ..... আলী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ একদা আমি, আব্বাস (রাযিঃ), ফাতিমা এবং যায়দ ইবনে হারিছা (রাযিঃ) রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট উপস্থিত ছিলাম। তখন আমি বলিঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ! যদি আপনি ভাল মনে করেন, তবে আল্লাহর কিতাবের নির্দেশ অনুযায়ী ’খুমুস’ হতে আমাদের প্রাপ্য অংশটি আমার ইখতিয়ারে দিয়ে দিন, যাতে আমি তা আপনার জীবদ্দশায় বণ্টন করে দিতে পারি এবং আপনার ইন্তিকালের পর আমাদের কেউ যেন আমার সঙ্গে ঝগড়া করতে না পারে।
আলী (রাযিঃ) বলেনঃ তখন তিনি এরূপ করেন। অতঃপর আলী (রাযিঃ) বলেনঃ তখন আমি তা (খুমুস) রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর জীবদ্দশায় বণ্টন করে দেই। এরপর আবু বকর (রাযিঃ)-ও আমাকে ইখতিয়ার প্রদান করেন। অবশেষে উমর (রাযিঃ)-এর খিলাফতের শেষ বর্ষ যখন আসে, তখন তাঁর নিকট অনেক ধন-সম্পদ আসে। তিনি আমাদের হক আলাদা করে রাখেন এবং আমাকে ডেকে নেন। তখন আমি বলিঃ এ বছরে আমাদের ধন-সম্পদের কোন প্রয়োজন নেই, আর সাধারণ মুসলমানদের প্রয়োজন আছে কাজেই আপনি এটা তাদের দিয়ে দিন।
তখন উমর (রাযিঃ) সে সম্পদ মুসলমানদের মাঝে বণ্টন করে দেন। উমর (রাযিঃ)-এর পরে কেউ আমাকে এ মাল গ্রহণের জন্য আহবান করেনি। আমি উমর (রাযিঃ)-এর নিকট হতে ফিরে এসে আব্বাস (রাযিঃ)-এর সঙ্গে সাক্ষাত করি। তখন তিনি বলেনঃ হে আলী! তুমি তো আগামীকাল হতে আমাদের বঞ্চিত করে দিলে। এখন আমরা আর কিছুই পাব না। আর আব্বাস (রাযিঃ) ছিলেন খুবই জ্ঞানী লোক।
আলী (রাযিঃ) বলেনঃ তখন তিনি এরূপ করেন। অতঃপর আলী (রাযিঃ) বলেনঃ তখন আমি তা (খুমুস) রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর জীবদ্দশায় বণ্টন করে দেই। এরপর আবু বকর (রাযিঃ)-ও আমাকে ইখতিয়ার প্রদান করেন। অবশেষে উমর (রাযিঃ)-এর খিলাফতের শেষ বর্ষ যখন আসে, তখন তাঁর নিকট অনেক ধন-সম্পদ আসে। তিনি আমাদের হক আলাদা করে রাখেন এবং আমাকে ডেকে নেন। তখন আমি বলিঃ এ বছরে আমাদের ধন-সম্পদের কোন প্রয়োজন নেই, আর সাধারণ মুসলমানদের প্রয়োজন আছে কাজেই আপনি এটা তাদের দিয়ে দিন।
তখন উমর (রাযিঃ) সে সম্পদ মুসলমানদের মাঝে বণ্টন করে দেন। উমর (রাযিঃ)-এর পরে কেউ আমাকে এ মাল গ্রহণের জন্য আহবান করেনি। আমি উমর (রাযিঃ)-এর নিকট হতে ফিরে এসে আব্বাস (রাযিঃ)-এর সঙ্গে সাক্ষাত করি। তখন তিনি বলেনঃ হে আলী! তুমি তো আগামীকাল হতে আমাদের বঞ্চিত করে দিলে। এখন আমরা আর কিছুই পাব না। আর আব্বাস (রাযিঃ) ছিলেন খুবই জ্ঞানী লোক।
باب فِي بَيَانِ مَوَاضِعِ قَسْمِ الْخُمُسِ وَسَهْمِ ذِي الْقُرْبَى
حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا ابْنُ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا هَاشِمُ بْنُ الْبَرِيدِ، حَدَّثَنَا حُسَيْنُ بْنُ مَيْمُونٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى، قَالَ سَمِعْتُ عَلِيًّا، عَلَيْهِ السَّلاَمُ يَقُولُ اجْتَمَعْتُ أَنَا وَالْعَبَّاسُ، وَفَاطِمَةُ، وَزَيْدُ بْنُ حَارِثَةَ، عِنْدَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنْ رَأَيْتَ أَنْ تُوَلِّيَنِي حَقَّنَا مِنْ هَذَا الْخُمُسِ فِي كِتَابِ اللَّهِ فَأَقْسِمَهُ حَيَاتَكَ كَىْ لاَ يُنَازِعَنِي أَحَدٌ بَعْدَكَ فَافْعَلْ . قَالَ فَفَعَلَ ذَلِكَ - قَالَ - فَقَسَمْتُهُ حَيَاةَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ثُمَّ وَلاَّنِيهِ أَبُو بَكْرٍ رضى الله عنه حَتَّى إِذَا كَانَتْ آخِرُ سَنَةٍ مِنْ سِنِي عُمَرَ رضى الله عنه فَإِنَّهُ أَتَاهُ مَالٌ كَثِيرٌ فَعَزَلَ حَقَّنَا ثُمَّ أَرْسَلَ إِلَىَّ فَقُلْتُ بِنَا عَنْهُ الْعَامَ غِنًى وَبِالْمُسْلِمِينَ إِلَيْهِ حَاجَةٌ فَارْدُدْهُ عَلَيْهِمْ فَرَدَّهُ عَلَيْهِمْ ثُمَّ لَمْ يَدْعُنِي إِلَيْهِ أَحَدٌ بَعْدَ عُمَرَ فَلَقِيتُ الْعَبَّاسَ بَعْدَ مَا خَرَجْتُ مِنْ عِنْدِ عُمَرَ فَقَالَ يَا عَلِيُّ حَرَمْتَنَا الْغَدَاةَ شَيْئًا لاَ يُرَدُّ عَلَيْنَا أَبَدًا وَكَانَ رَجُلاً دَاهِيًا .
