কিতাবুস সুনান - ইমাম আবু দাউদ রহঃ
১৪. উত্তরাধিকার সম্পত্তির অধ্যায়
হাদীস নং: ২৯০৭
আন্তর্জাতিক নং: ২৯১৭
উত্তরাধিকার সম্পত্তির অধ্যায়
১৩২. আযাদকৃত দাসের পরিত্যক্ত মাল সম্পর্কে।
২৯০৭. আব্দুল্লাহ ইবনে আমর ইবনে আবী হাজ্জাজ আবু মা’মার (রাহঃ) .... আমর ইবনে শু’আয়ব (রাহঃ) তার পিতা হতে এবং তিনি তার দাদা থেকে বর্ণনা করেছেন যে, রাবাব ইবনে হুযাইফা (রাযিঃ) জনৈক মহিলাকে বিবাহ করেন। যার গর্ভে তাঁর ঔরসে তিনটি সন্তান জন্ম নেয়। অতঃপর তাদের মাতা মারা গেলে, তারা (বাচ্চারা) তাদের মাতার পরিত্যক্ত বাড়ী ও আযাদকৃত দাস-দাসীর ওয়ারিছ হয়। আর আমর ইবনে আস (রাযিঃ) ছিলেন এদের ’আসাবা’ যিনি তাদেরকে শাম দেশে পাঠালে তারা সবাই সেখানে মারা যায়।
অতঃপর আমর ইবনে আস (রাযিঃ) সেখানে গমন করেন। তখন সে মহিলার একটি আযাদকৃত গোলাম মারা যায়, যে তার কিছু ধন-সম্পদ রেখে যায়। তখন সে মহিলার ভাই এ ব্যাপারে ফয়সালার জন্য উমর ইবনে খাত্তাব (রাযিঃ) এর নিকট উপস্থিত হয়। সে সময় উমর (রাযিঃ) বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন যে, আযাদকৃত দাস-দাসীর পরিত্যক্ত মাল, যা সন্তান-সন্ততি বা পিতা পেয়েছে, তা তার ’আসাবা’ যারা থাকবে, তাদের প্রাপ্য।
অতঃপর তিনি [উমর (রাযিঃ)] এ ব্যাপারে একটি রায় লিপিবদ্ধ করেন, যাতে আব্দুর রহমান ইবনে আওফ, যায়দ ইবনে ছাবিত (রাযিঃ) এর দস্তখত ছাড়াও আরো এক ব্যক্তির দস্তখত নেয়া হয়। অতঃপর আব্দুল মালিক ইবনে মারোয়ান যখন খলীফা নিযুক্ত হন, তখন লোকেরা এ ধরনের একটি মোকদ্দমা হিশাম ইবনে ইসমাঈল বা ইসমাঈল ইবনে হিশামের কাছে পেশ করে। যিনি সেটি খলীফা আব্দুল মালিকের নিকট পাঠিয়ে দেন। যা দেখে তিনি বলেনঃ ব্যাপারটি আমার কাছে এমনই মনে হচ্ছে যে, যেন আমি তা দেখেছি।
রাবী বলেনঃ তখন তিনি (আব্দুল মালিক) উমর ইবনে খাত্তাব (রাযিঃ) এর ফয়সালার অনুরূপ মোকদ্দমাটি নিষ্পত্তি করে দেন। আর ঐ পরিত্যক্ত সস্পত্তি এখনও আমাদের কাছে মওজুদ আছে।
অতঃপর আমর ইবনে আস (রাযিঃ) সেখানে গমন করেন। তখন সে মহিলার একটি আযাদকৃত গোলাম মারা যায়, যে তার কিছু ধন-সম্পদ রেখে যায়। তখন সে মহিলার ভাই এ ব্যাপারে ফয়সালার জন্য উমর ইবনে খাত্তাব (রাযিঃ) এর নিকট উপস্থিত হয়। সে সময় উমর (রাযিঃ) বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন যে, আযাদকৃত দাস-দাসীর পরিত্যক্ত মাল, যা সন্তান-সন্ততি বা পিতা পেয়েছে, তা তার ’আসাবা’ যারা থাকবে, তাদের প্রাপ্য।
অতঃপর তিনি [উমর (রাযিঃ)] এ ব্যাপারে একটি রায় লিপিবদ্ধ করেন, যাতে আব্দুর রহমান ইবনে আওফ, যায়দ ইবনে ছাবিত (রাযিঃ) এর দস্তখত ছাড়াও আরো এক ব্যক্তির দস্তখত নেয়া হয়। অতঃপর আব্দুল মালিক ইবনে মারোয়ান যখন খলীফা নিযুক্ত হন, তখন লোকেরা এ ধরনের একটি মোকদ্দমা হিশাম ইবনে ইসমাঈল বা ইসমাঈল ইবনে হিশামের কাছে পেশ করে। যিনি সেটি খলীফা আব্দুল মালিকের নিকট পাঠিয়ে দেন। যা দেখে তিনি বলেনঃ ব্যাপারটি আমার কাছে এমনই মনে হচ্ছে যে, যেন আমি তা দেখেছি।
রাবী বলেনঃ তখন তিনি (আব্দুল মালিক) উমর ইবনে খাত্তাব (রাযিঃ) এর ফয়সালার অনুরূপ মোকদ্দমাটি নিষ্পত্তি করে দেন। আর ঐ পরিত্যক্ত সস্পত্তি এখনও আমাদের কাছে মওজুদ আছে।
كتاب الفرائض
باب فِي الْوَلاَءِ
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَمْرِو بْنِ أَبِي الْحَجَّاجِ أَبُو مَعْمَرٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَارِثِ، عَنْ حُسَيْنٍ الْمُعَلِّمِ، عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، أَنَّ رِئَابَ بْنَ حُذَيْفَةَ، تَزَوَّجَ امْرَأَةً فَوَلَدَتْ لَهُ ثَلاَثَةَ غِلْمَةٍ فَمَاتَتْ أُمُّهُمْ فَوَرِثُوهَا رِبَاعَهَا وَوَلاَءَ مَوَالِيهَا وَكَانَ عَمْرُو بْنُ الْعَاصِ عَصَبَةَ بَنِيهَا فَأَخْرَجَهُمْ إِلَى الشَّامِ فَمَاتُوا فَقَدِمَ عَمْرُو بْنُ الْعَاصِ وَمَاتَ مَوْلًى لَهَا وَتَرَكَ مَالاً لَهُ فَخَاصَمَهُ إِخْوَتُهَا إِلَى عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ فَقَالَ عُمَرُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " مَا أَحْرَزَ الْوَلَدُ أَوِ الْوَالِدُ فَهُوَ لِعَصَبَتِهِ مَنْ كَانَ " . قَالَ فَكَتَبَ لَهُ كِتَابًا فِيهِ شَهَادَةُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ وَزَيْدِ بْنِ ثَابِتٍ وَرَجُلٍ آخَرَ فَلَمَّا اسْتُخْلِفَ عَبْدُ الْمَلِكِ اخْتَصَمُوا إِلَى هِشَامِ بْنِ إِسْمَاعِيلَ أَوْ إِلَى إِسْمَاعِيلَ بْنِ هِشَامٍ فَرَفَعَهُمْ إِلَى عَبْدِ الْمَلِكِ فَقَالَ هَذَا مِنَ الْقَضَاءِ الَّذِي مَا كُنْتُ أَرَاهُ . قَالَ فَقَضَى لَنَا بِكِتَابِ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ فَنَحْنُ فِيهِ إِلَى السَّاعَةِ .
[حَدَّثنا أبو داود, قال: حَدَّثنا أبو سلمة, قال: حَدَّثنا حماد, عن حميد قال: الناس يتهمون عمرو بن شعيب في هذا الحديث.
قَالَ أَبُو دَاوُدَ: وروي عن أبي بكر, وعمر, وعثمان خلاف هذا الحديث, إلا أنه روي عن علي بن أبي طالب بمثل هذا]
[حَدَّثنا أبو داود, قال: حَدَّثنا أبو سلمة, قال: حَدَّثنا حماد, عن حميد قال: الناس يتهمون عمرو بن شعيب في هذا الحديث.
قَالَ أَبُو دَاوُدَ: وروي عن أبي بكر, وعمر, وعثمان خلاف هذا الحديث, إلا أنه روي عن علي بن أبي طالب بمثل هذا]