কিতাবুস সুনান - ইমাম আবু দাউদ রহঃ
৮. রোযার অধ্যায়
হাদীস নং: ২৪১২
আন্তর্জাতিক নং: ২৪২০
রোযার অধ্যায়
২৪১. (কেবল) জুমু’আর দিনকে রোযার জন্য নির্ধারিত করা নিষেধ।
২৪১২. মুসাদ্দাদ .... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলূল্লাহ্ (ﷺ) ইরশাদ করেছেন, তোমাদের কেউ যেন পূর্বের একদিন বা পরের একদিন রোযা রাখা ব্যতীত শুধু জুমআর দিনটিতে রোযা না রাখে।
كتاب الصوم
باب النَّهْىِ أَنْ يُخَصَّ يَوْمُ الْجُمُعَةِ بِصَوْمٍ
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " لاَ يَصُمْ أَحَدُكُمْ يَوْمَ الْجُمُعَةِ إِلاَّ أَنْ يَصُومَ قَبْلَهُ بِيَوْمٍ أَوْ بَعْدَهُ " .
হাদীসের ব্যাখ্যা:
জুমু'আর দিন এবং এর রাতের বিশেষ ফযীলতের কারণে যেহেতু এর খুব সম্ভাবনা ছিল যে, ফযীলত আকাঙ্ক্ষী লোকেরা এ দিন রোযা রাখার এবং এর রাতে জাগ্রত থাকা ও ইবাদতের প্রতি খুব বেশী গুরুত্ব দিয়ে বসবে এবং আল্লাহ তা'আলা ও তাঁর রাসূল (ﷺ) যে জিনিসটি ফরয ও ওয়াজিব সাব্যস্ত করেননি, এর সাথে ফরয ও ওয়াজিবের মতই ব্যবহার করা হবে, এ জন্য রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছেন। তাছাড়া এই নিষেধাজ্ঞার আরও কিছু কারণও ওলামায়ে কেরাম লিখেছেন। যাহোক, এ নিষেধাজ্ঞাটি শরী‘আতের সীমারেখা রক্ষা ও শৃঙ্খলা বিধানের জন্যই। উদ্দেশ্য এই যে, শুক্রবারের রোযা এবং রাত্রি জাগরণ যেন একটি অতিরিক্ত রসম ও রেওয়াজে পরিণত না হয়।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)