কিতাবুস সুনান - ইমাম আবু দাউদ রহঃ
৮. রোযার অধ্যায়
হাদীস নং: ২৩২৮
আন্তর্জাতিক নং: ২৩৩৫
রোযার অধ্যায়
২০৪. যারা শা’বানের রোযাকে রমযানের রোযার সাথে মিশ্রিত করেন।
২৩২৮. মুসলিম ইবনে ইবরাহীম ...... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী করীম (ﷺ) ইরশাদ করেছেনঃ তোমরা রমযানের আগমনের পূর্বে তার রোযাকে একদিন বা দু‘দিন এগিয়ে নিও না। অবশ্য যদি কেউ ঐ দিন (শা‘বানের শেষ তারিখে) রোযা রাখতে অভ্যস্ত থাকে, তবে সে যেন ঐ রোযা রাখে।
كتاب الصوم
باب فِيمَنْ يَصِلُ شَعْبَانَ بِرَمَضَانَ
حَدَّثَنَا مُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا هِشَامٌ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " لاَ تَقَدَّمُوا صَوْمَ رَمَضَانَ بِيَوْمٍ وَلاَ يَوْمَيْنِ إِلاَّ أَنْ يَكُونَ صَوْمًا يَصُومُهُ رَجُلٌ فَلْيَصُمْ ذَلِكَ الصَّوْمَ " .
হাদীসের ব্যাখ্যা:
ইসলামী শরী‘আতে পূর্ণ রমযান মাসের রোযা ফরয করা হয়েছে এবং যেমন এইমাত্র জানা গেল যে, শরী‘আত এ নির্দেশও দিয়েছে যে, রমযানের চাঁদ দেখার ব্যাপারে বিশেষ যত্নবান থাকতে হবে- এমনকি এ উদ্দেশ্যে শা'বানের চাঁদ দেখার ব্যাপারেও খুব সতর্ক থাকতে হবে-যাতে কোন প্রকার ভ্রমে পড়ে অথবা উদাসীনতার কারণে রমযানের কোন রোযা ছুটে না যায়। কিন্তু শরী‘আতের সীমা রেখার হেফাযতের জন্য এ নির্দেশও দেওয়া হয়েছে যে, রমযানের এক দু'দিন পূর্ব থেকেই যেন রোযা রাখা শুরু করে দেওয়া না হয়। আল্লাহর ইবাদতে কোন অতি উৎসাহী মানুষ যদি এমনটি করতে যায়, তাহলে এ আশংকা থেকে যায় যে, অজ্ঞ সাধারণ মানুষ এটাকেই শরী‘আতের হুকুম ও মাসআলা মনে করে নেবে। এ জন্য এ প্রবণতা থেকে নিষেধ করা হয়েছে।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)