কিতাবুস সুনান - ইমাম আবু দাউদ রহঃ
৫. হজ্ব আদায়ের নিয়মাবলীর বিবরণ
হাদীস নং: ১৯৯৮
আন্তর্জাতিক নং: ২০০২
হজ্ব আদায়ের নিয়মাবলীর বিবরণ
৮২. তাওয়াফে আল বিদা [১]’।
১৯৯৮. নসর ইবনে আলী (রাহঃ) ..... ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, লোকেরা (হজ্জের উদ্দেশ্যে মক্কায় আগমনের পর তার হুকুম আহকাম সমাপনান্তে তাওয়াফে যিয়ারতের পর) প্রত্যাবর্তন করতো। তখন নবী করীম (ﷺ) বলেন, তোমাদের কেউ যেন শেষবারের মত তাওয়াফ না করে (অর্থাৎ তাওয়াফে বিদা’) প্রত্যাবর্তন না করে।
[১] বিদায়ী তাওয়াফ বা শেষ তাওয়াফ।
[১] বিদায়ী তাওয়াফ বা শেষ তাওয়াফ।
كتاب المناسك
باب الْوَدَاعِ
حَدَّثَنَا نَصْرُ بْنُ عَلِيٍّ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ سُلَيْمَانَ الأَحْوَلِ، عَنْ طَاوُسٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ كَانَ النَّاسُ يَنْصَرِفُونَ فِي كُلِّ وَجْهٍ فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم " لاَ يَنْفِرَنَّ أَحَدٌ حَتَّى يَكُونَ آخِرُ عَهْدِهِ الطَّوَافَ بِالْبَيْتِ " .
হাদীসের ব্যাখ্যা:
এ হাদীসে যেমন স্পষ্ট উল্লেখিত হয়েছে যে, প্রথম প্রথম লোকেরা বিদায়ী তাওয়াফের প্রতি যত্নবান থাকত না। ১২ অথবা ১৩ই যিলহজ্ব পর্যন্ত মিনায় অবস্থান করে কংকর মারা ইত্যাদি হজ্বের কাজ সেরে নিজ নিজ দেশে ফিরে যেত। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এ নির্দেশ দ্বারা যেন এর গুরুত্ব ও ওয়াজিব হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। এ জন্যই ফুকাহায়ে কেরাম তাওয়াফে বিদাকে ওয়াজিব বলেছেন। তবে হাদীসে এটাও আছে যে, যেসব মহিলা এ সময় তাদের বিশেষ দিন আসার কারণে তাওয়াফ করতে অপারগ, তারা যদি আগেই তাওয়াফে যিয়ারত করে নিয়ে থাকে, তাহলে বিদায়ী তাওয়াফ না করেই দেশে ফিরে যেতে পারবে। তাদের ছাড়া প্রত্যেক বহিরাগত হাজীর জন্য জরুরী যে, তারা দেশে রওয়ানা হওয়ার আগে বিদায়ের নিয়তেই শেষ ও বিদায়ী তাওয়াফ করে নিবে। আর এটাই হজ্ব সংক্রান্ত তার শেষ কাজ।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)