কিতাবুস সুনান - ইমাম আবু দাউদ রহঃ
৫. হজ্ব আদায়ের নিয়মাবলীর বিবরণ
হাদীস নং: ১৯৯৬
আন্তর্জাতিক নং: ২০০০
হজ্ব আদায়ের নিয়মাবলীর বিবরণ
৮১. হজ্জে তাওয়াফে যিয়ারত।
১৯৯৬. মুহাম্মাদ ইবনে বাশশার (রাহঃ) ..... আয়িশা (রাযিঃ) ও ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তাঁরা বলেন, নবী করীম (ﷺ) ইয়াওমুন্নাহরের দিন তাওয়াফকে রাত পর্যন্ত বিলম্বিত করেন।
كتاب المناسك
باب الإِفَاضَةِ فِي الْحَجِّ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ عَائِشَةَ، وَابْنِ، عَبَّاسٍ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم أَخَّرَ طَوَافَ يَوْمِ النَّحْرِ إِلَى اللَّيْلِ .
হাদীসের ব্যাখ্যা:
হাদীসটির মর্ম এই যে, তওয়াফে যিয়ারতের জন্য উত্তম দিন হচ্ছে কুরবানীর দিন, অর্থাৎ, ১০ই যিলহজ্ব। কিন্তু রাসূলুল্লাহ (ﷺ) অবকাশ দিয়েছেন যে, এ দিনটি শেষ হয়ে যাওয়ার পর রাতের বেলায়ও এটা করা যায়। আর এ রাতের তাওয়াফও ফযীলত হিসাবে ১০ই যিলহজ্বের তাওয়াফ হিসাবে গণ্য হবে।
সাধারণ আরবী হিসাবের নিয়ম অনুযায়ী রাতের তারিখটি পরবর্তী দিনের তারিখ হয় এবং প্রতিটি রাত পরের দিনের সাথে যুক্ত হয়। (যেমন, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতটি পরবর্তী দিন অর্থাৎ, শুক্রবারের রাত ধরা হয়।) কিন্তু হজ্বের কার্যক্রম ও বিধি-বিধানের ক্ষেত্রে বান্দাদের সুবিধার জন্য এর বিপরীত নিয়ম নির্ধারণ করা হয়েছে এবং প্রত্যেক দিবাগত রাতকে ঐ দিনের সাথে যুক্ত করে দেওয়া হয়েছে। এরই ভিত্তিতে যে তাওয়াফটি ১০ই যিলহজ্ব দিন পার হয়ে যাওয়ার পর রাতের বেলায় করা হবে, সেটা ১০ই যিলহজ্বের তাওয়াফ হিসাবেই গণ্য হবে-যদিও সাধারণ নিয়ম হিসাবে এটা ১১ই যিলহজ্বের রাত।
সাধারণ আরবী হিসাবের নিয়ম অনুযায়ী রাতের তারিখটি পরবর্তী দিনের তারিখ হয় এবং প্রতিটি রাত পরের দিনের সাথে যুক্ত হয়। (যেমন, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতটি পরবর্তী দিন অর্থাৎ, শুক্রবারের রাত ধরা হয়।) কিন্তু হজ্বের কার্যক্রম ও বিধি-বিধানের ক্ষেত্রে বান্দাদের সুবিধার জন্য এর বিপরীত নিয়ম নির্ধারণ করা হয়েছে এবং প্রত্যেক দিবাগত রাতকে ঐ দিনের সাথে যুক্ত করে দেওয়া হয়েছে। এরই ভিত্তিতে যে তাওয়াফটি ১০ই যিলহজ্ব দিন পার হয়ে যাওয়ার পর রাতের বেলায় করা হবে, সেটা ১০ই যিলহজ্বের তাওয়াফ হিসাবেই গণ্য হবে-যদিও সাধারণ নিয়ম হিসাবে এটা ১১ই যিলহজ্বের রাত।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)