মা'আরিফুল হাদীস
মু‘আশারাত ও মু‘আমালাত অধ্যায়
হাদীস নং: ১৯৩
মু‘আশারাত ও মু‘আমালাত অধ্যায়
হাঁচি ও হাই সম্পর্কে (ﷺ)-এর উপদেশাবলী
১৯৩. হযরত আবূ সাঈদ খুদরী রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: তোমাদের কারো যখন হাই আসে, তখন সে যেন নিজের হাত দ্বারা তার মুখ বন্ধ করে নেয়। কেননা, শয়তান প্রবেশ করে যায়। -মুসলিম
کتاب المعاشرت والمعاملات
عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِىِّ، أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ:«إِذَا تَثَاءَبَ أَحَدُكُمْ، فَلْيُمْسِكْ بِيَدِهِ عَلَى فَمِهِ، فَإِنَّ الشَّيْطَانَ يَدْخُلُ» (رواه مسلم)
হাদীসের ব্যাখ্যা:
বাস্তবতা এই যে, হাই উঠার সময় মানুষের মুখ অত্যন্ত বিশ্রীভাবে খুলে যায় এবং হা,হা-এর অপছন্দনীয় শব্দ মুখ থেকে বের হতে থাকে। তাছাড়া চেহারার স্বাভাবিক আকৃতি পরিবর্তিত হয়ে একটি বিশ্রী আকৃতি ধারণ করে। এসব বিষয়ের প্রতিরোধের জন্য রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এ হাদীসে নির্দেশ দিয়েছেন যে, যখন হাই আসে, তখন যেন হাত দ্বারা মুখ বন্ধ করে নেওয়া হয়। এরূপ করলে মুখও খুলবে না, ঐ বিশ্রী শব্দও সৃষ্টি হবে না এবং চেহারার আকৃতিও বেশী বিকৃত হবে না।
হাদীসের শেষ দিকে শয়তান প্রবেশের যে কথা বলা হয়েছে, হাদীস ব্যাখ্যাতাগণ বলেছেন যে, এর দ্বারা তার সত্যিকার প্রবেশও উদ্দেশ্য হতে পারে, যার স্বরূপ আমরা জানি না। আর এ অর্থও হতে পারে যে, এমন অবস্থায় শয়তানের ওয়াসওয়াসা ও প্রভাব বিস্তারের অধিক সুযোগ লাভ হয়। হযরত শাহ ওয়ালীউল্লাহ (রহ)-এর ব্যাখ্যা এই দিয়েছেন যে, যখন হাই নেওয়ার সময় মানুষের মুখ সম্পূর্ণরূপে খুলে যায়, তখন শয়তান সক্রিয় হয়, মশা-মাছি ইত্যাদির মত কোন জিনিস উড়িয়ে এনে তার মুখে ঢুকিয়ে দেয়। (হুজ্জাতুল্লাহিল বালিগা)
হাদীসের শেষ দিকে শয়তান প্রবেশের যে কথা বলা হয়েছে, হাদীস ব্যাখ্যাতাগণ বলেছেন যে, এর দ্বারা তার সত্যিকার প্রবেশও উদ্দেশ্য হতে পারে, যার স্বরূপ আমরা জানি না। আর এ অর্থও হতে পারে যে, এমন অবস্থায় শয়তানের ওয়াসওয়াসা ও প্রভাব বিস্তারের অধিক সুযোগ লাভ হয়। হযরত শাহ ওয়ালীউল্লাহ (রহ)-এর ব্যাখ্যা এই দিয়েছেন যে, যখন হাই নেওয়ার সময় মানুষের মুখ সম্পূর্ণরূপে খুলে যায়, তখন শয়তান সক্রিয় হয়, মশা-মাছি ইত্যাদির মত কোন জিনিস উড়িয়ে এনে তার মুখে ঢুকিয়ে দেয়। (হুজ্জাতুল্লাহিল বালিগা)
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)