মা'আরিফুল হাদীস
আযকার এবং দাওয়াত অধ্যায়
হাদীস নং: ৯৭
আযকার এবং দাওয়াত অধ্যায়
দু'আ কবুলের বিশেষ বিশেষ হাল ও ক্ষণ-কাল
দু'আ কবুলের ব্যাপারে মৌলিক দখল যাকে দু'আ কারীর আল্লাহর সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ও তার সেই আন্তরিক হালের-যাকে কুরআন মজীদে ইযতিরার (اضطرار) এবং ইবতিহাল (ابتهال) বলে অভিহিত করা হয়েছে। এছাড়া কিছু খাস হাল ও খাস ক্ষণকাল রয়েছে, যেগুলোতে আল্লাহর রহমত ও তাঁর ফযল-করমের আশা বেশিভাবে করা যেতে পারে। নিম্নে বর্ণিত হাদীস সমূহে সে বিশেষ হালসমূহও ক্ষণ-কালের দিকে ইঙ্গিত রাসূলুল্লাহ ﷺ চিহ্নিত করে দিয়েছেন।
দু'আ কবুলের ব্যাপারে মৌলিক দখল যাকে দু'আ কারীর আল্লাহর সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ও তার সেই আন্তরিক হালের-যাকে কুরআন মজীদে ইযতিরার (اضطرار) এবং ইবতিহাল (ابتهال) বলে অভিহিত করা হয়েছে। এছাড়া কিছু খাস হাল ও খাস ক্ষণকাল রয়েছে, যেগুলোতে আল্লাহর রহমত ও তাঁর ফযল-করমের আশা বেশিভাবে করা যেতে পারে। নিম্নে বর্ণিত হাদীস সমূহে সে বিশেষ হালসমূহও ক্ষণ-কালের দিকে ইঙ্গিত রাসূলুল্লাহ ﷺ চিহ্নিত করে দিয়েছেন।
৯৭. হযরত ইরবায ইবনে সারিয়া (রা)-থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: যে ব্যক্তি ফরয সালাত আদায় করে (এবং তারপর মনেপ্রাণে দু'আ করে) তার দু'আ কবূল হয়, আর যে ব্যক্তি কুরআন মজীদ খতম করে (এবং দু'আ করে) তার দু'আও কবূল হয়ে থাকে।
-(মু'জামে কাবীরঃ তাবারানী প্রণীত)
-(মু'জামে কাবীরঃ তাবারানী প্রণীত)
کتاب الاذکار والدعوات
عَنِ الْعِرْبَاضِ بْنِ سَارِيَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مَنْ صَلَّى صَلَاةَ فَرِيضَةٍ فَلَهُ دَعْوَةٌ مُسْتَجَابَةٌ، وَمَنْ خَتَمَ الْقُرْآنَ فَلَهُ دَعْوَةٌ مُسْتَجَابَةٌ» (رواه الطبرانى فى الكبير)
হাদীসের ব্যাখ্যা:
সালাত বিশেষত ফরয সালাত এবং কুরআন মজীদ তিলাওয়াত কালে বান্দা আল্লাহ তা'আলার অনেক নিকটে অবস্থান করে। এ দু'সময় সে স্বয়ং বিশ্ব স্রষ্টা মনিবের সাথে কথা বলে থাকে। তবে শর্ত হচ্ছে তা প্রকৃত সালাত ও তিলাওয়াত হতে হবে। কেবল লোক দেখানো বা প্রথাগত সালাত ও তিলাওয়াত হলেই হবে না। এ দু'টি আমল যেন বান্দার মি'রাজ স্বরূপ। সুতরাং এ দুটি ইবাদত অন্তে বান্দা আল্লাহ তা'আলার কাছে যে দু'আ করে, তা আল্লাহর রহমত কর্তৃক অভ্যর্থনা পাওয়ার যোগ্যই বটে।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)