মা'আরিফুল হাদীস

আযকার এবং দোয়া অধ্যায়

হাদীস নং: ৬০
আযকার এবং দোয়া অধ্যায়
সূরা যিলযাল, সূরা কাফিরুন ও সূরা ইখলাছ
৬০. হযরত আনাস (রা) থেকে বর্ণিত। এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ্ ﷺ-এর খিদমতে আরয করলো, আমি এই কুল হুয়াল্লাহ্ সূরাটি খুবই ভালবাসি। হুযুর ﷺ তাকে বললেন: এ সূরাটির প্রতি তোমার অনুরাগ ও মহব্বত তোমাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবে। (জামে' তিরমিযী)
শব্দমালা তথা পাঠের সামান্য হেরফের সহ এ বক্তব্য সম্বলিত একটি হাদীস ইমাম বুখারী (রহ)ও রিওয়ায়াত করেছেন।
کتاب الاذکار والدعوات
عَنْ أَنَسٍ، أَنَّ رَجُلاً قَالَ: يَا رَسُولَ اللهِ إِنِّي أُحِبُّ هَذِهِ السُّورَةَ: قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ. فَقَالَ: إِنَّ حُبَّكَ إِيَّاهَا أَدْخَلَكَ الجَنَّةَ. (رواه الترمذى ورى البخارى معناه)

হাদীসের ব্যাখ্যা:

সূরা ইখলাস অত্যন্ত সারগর্ভ একটি সূরা। এর ফযীলত বিপুল। এ সূরাটিকে ভালোবাসা ঈমানের দাবি। এর প্রতি সত্যিকারের ভালোবাসা রাখলে জান্নাত লাভ সহজ হয়ে যায়। আলোচ্য হাদীছটিতে জানানো হয়েছে, এক সাহাবী যখন বললেন ইয়া রাসূলাল্লাহ আমি এ সূরাটিকে ভালোবাসি, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে জান্নাতের সুসংবাদ শুনিয়ে দিলেন। বললেন- إِنَّ حُبَّهَا أَدْخَلَكَ الْجَنَّةَ (নিশ্চয়ই এর ভালোবাসা তোমাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবে)। হাদীছটির শব্দ হলো أَدْخَلَكَ (অর্থাৎ তোমাকে জান্নাতে প্রবেশ করিয়েছে)। সুসংবাদটি অতীত ক্রিয়ায় শোনানো হয়েছে। বোঝানো উদ্দেশ্য তোমার জান্নাত লাভ এমনই নিশ্চিত, যেন তুমি জান্নাতে প্রবেশ করেই ফেলেছ।

এখানে হাদীছটি সংক্ষেপে বর্ণিত হয়েছে। এর বিস্তারিত বর্ণনা নিম্নরূপ-

قَالَ كَانَ رَجُلٌ مِنَ الأَنْصَارِ يَؤُمُّهُمْ فِي مَسْجِدِ قُبَاءَ فَكَانَ كُلَّمَا افْتَتَحَ سُورَةً يَقْرَأُ لَهُمْ فِي الصَّلاَةِ فَقَرَأَ بِهَا افْتَتَحَ بِـ (قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ ) حَتَّى يَفْرُغَ مِنْهَا ثُمَّ يَقْرَأُ بِسُورَةٍ أُخْرَى مَعَهَا وَكَانَ يَصْنَعُ ذَلِكَ فِي كُلِّ رَكْعَةٍ فَكَلَّمَهُ أَصْحَابُهُ فَقَالُوا إِنَّكَ تَقْرَأُ بِهَذِهِ السُّورَةِ ثُمَّ لاَ تَرَى أَنَّهَا تُجْزِيكَ حَتَّى تَقْرَأَ بِسُورَةٍ أُخْرَى فَإِمَّا أَنْ تَقْرَأَ بِهَا وَإِمَّا أَنْ تَدَعَهَا وَتَقْرَأَ بِسُورَةٍ أُخْرَى . قَالَ مَا أَنَا بِتَارِكِهَا إِنْ أَحْبَبْتُمْ أَنْ أَؤُمَّكُمْ بِهَا فَعَلْتُ وَإِنْ كَرِهْتُمْ تَرَكْتُكُمْ . وَكَانُوا يَرَوْنَهُ أَفْضَلَهُمْ وَكَرِهُوا أَنْ يَؤُمَّهُمْ غَيْرُهُ فَلَمَّا أَتَاهُمُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم أَخْبَرُوهُ الْخَبَرَ فَقَالَ " يَا فُلاَنُ مَا يَمْنَعُكَ مِمَّا يَأْمُرُ بِهِ أَصْحَابُكَ وَمَا يَحْمِلُكَ أَنْ تَقْرَأَ هَذِهِ السُّورَةَ فِي كُلِّ رَكْعَةٍ " . فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنِّي أُحِبُّهَا . فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِنَّ حُبَّهَا أَدْخَلَكَ الْجَنَّةَ

‘জনৈক আনসারী ব্যক্তি কুবা মসজিদে তাদের ইমামত করতেন। তিনি যখনই (সূরা ফাতিহার পর) কোনও সূরা পড়তেন, তখন প্রথমে সূরা ইখলাস পড়ে নিতেন, তারপর সেই সূরাটি পড়তেন। তিনি প্রত্যেক রাকাতেই এটা পড়তেন। মুসল্লীগণ এ নিয়ে তার সঙ্গে কথা বলল। তারা বলল, আপনি এই সূরাটি পড়ে থাকেন, কিন্তু আপনি এটাকে যথেষ্ট মনে করেন না। তাই এর সঙ্গে আরও একটি সূরা পড়েন (এরূপ না করলে হয় না?)। হয়তো শুধু সেটি পড়ুন। অথবা তা ছেড়ে অন্য আরেকটি সূরা পড়ুন। তিনি বললেন, আমি এটা ছাড়তে পারব না। তোমরা যদি পছন্দ কর যে, আমি এ সূরাটি পড়া অব্যাহত রেখেই তোমাদের ইমামত করব, তবে তো ঠিক আছে। আর যদি তোমরা এটা অপছন্দ কর, তাহলে আমি তোমাদের ইমামত ছেড়ে দেব। কিন্তু তারা তাকেই তাদের মধ্যে উৎকৃষ্ট ব্যক্তি বলে মনে করত। তাকে ছাড়া অন্য কেউ তাদের ইমামত করবে, এটা তারা পছন্দ করত না। পরে যখন নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের কাছে আসলেন, তারা তাঁকে এ বৃত্তান্ত জানাল। তিনি তাকে জিজ্ঞেস করলেন, হে অমুক! তোমার সঙ্গীগণ তোমাকে যা করতে বলছে তা করতে তোমার বাধা কী? এর কী কারণ যে, তুমি প্রত্যেক রাকাতেই এ সূরাটি পড়ছ? তিনি বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি এটি ভালোবাসি। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, নিশ্চয়ই এর ভালোবাসা তোমাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবে।’ (সহীহ বুখারী : ৭৭৪; জামে‘ তিরমিযী : ২৯০১; তাবারানী, আল মু‘জামুল আওসাত : ৮৯৮; বায়হাকী, আস সুনানুল কুবরা : ২৪৬৫)

বস্তুত সূরাটি ভালোবাসারই যোগ্য। এমনিতে তো আল্লাহর আশেক বান্দা তাঁর কালাম কুরআন মাজীদকে ভালোবাসবেই। কুরআন মাজীদের প্রতিটি সূরা, প্রতিটি আয়াত, প্রতিটি শব্দ ও প্রতিটি হরফই ভালোবাসার বস্তু। তবে কোনও কোনও সূরার বাড়তি বৈশিষ্ট্যের কারণে তা অধিকতর ভালোবাসার অধিকার রাখে। সূরা ইখলাসও তেমনি একটি সূরা। এ সূরায় মহান আল্লাহর পরিচয় ও তাঁর গুণাবলি বর্ণিত হয়েছে। তাই আল্লাহপ্রেমিকের হৃদয় এ সূরার প্রতি একটু বেশি ঝুঁকবে এটাই স্বাভাবিক। কেননা মুমিনদের আল্লাহপ্রেম অতি প্রবল। কুরআন মাজীদে ইরশাদ-

وَالَّذِينَ آمَنُوا أَشَدُّ حُبًّا لِلَّهِ

‘তবে যারা ঈমান এনেছে, তারা আল্লাহকেই সর্বাপেক্ষা বেশি ভালোবাসে।’ (সূরা বাকারা, আয়াত ১৬৫)
উম্মুল মুমিনীন হযরত আয়েশা সিদ্দীকা রাযি. থেকে বর্ণিত এক হাদীছে এরকম এক আশেক সাহাবীর ঘটনা এভাবে বর্ণিত হয়েছে-

أَن النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم بعث رجلا على سَرِيَّة وَكَانَ يقْرَأ لاصحابه فِي صلَاتهم فيختم ب قل هُوَ الله أحد فَلَمَّا رجعُوا ذكرُوا ذَلِك للنَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم فَقَالَ سلوه لاي شَيْء يصنع ذَلِك فَسَأَلُوهُ فَقَالَ لانها صفة الرَّحْمَن وَأَنا أحب أَن أَقرَأ بهَا فَقَالَ النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم أَخْبرُوهُ أَن الله يُحِبهُ

‘নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জনৈক ব্যক্তিকে একটি অভিযানের আমীর বানিয়ে পাঠিয়েছিলেন। তিনি (সে আমীর) তার সঙ্গীদের নিয়ে যখন নামায পড়তেন, তখন কিরাআত শেষ করতেন সূরা কুল হুওয়াল্লাহু আহাদ দ্বারা। তারা ফিরে আসার পর বিষয়টা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জানাল। তিনি বললেন, তোমরা তাকে জিজ্ঞেস করো সে এরূপ করে কী কারণে? তারা তাকে জিজ্ঞেস করল। তিনি বললেন, এর কারণ হলো সূরাটিতে দয়াময় আল্লাহর গুণ বর্ণিত হয়েছে। তাই আমি এটি পড়তে ভালোবাসি। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তোমরা তাকে জানিয়ে দাও যে, আল্লাহ তা‘আলাও তাকে ভালোবাসেন।’ (সহীহ বুখারী : ৭৩৭৫; সহীহ মুসলিম : ৮১৩; সুনানে নাসাঈ : ৯৯৩; বায়হাকী, আল আসমা ওয়াস সিফাত : ৬১; শু‘আবুল ঈমান : ২৩১৪)

সূরা ইখলাস দ্বারা জান্নাত লাভের নিশ্চয়তা ও এ কথার ব্যাখ্যা   
আল্লাহ তা‘আলা যাকে ভালোবাসেন তার ঠিকানা যে জান্নাত হবে, এটাই স্বাভাবিক। জান্নাত তো আল্লাহপ্রেমিকদেরই ঠিকানা। কাজেই আল্লাহপ্রেমে উদ্বেলিত ব্যক্তি সূরা ইখলাস পাঠ করলে তার জন্য জান্নাত নিশ্চিত হয়ে যায়। আরও বিভিন্ন হাদীছে এ ফযীলতের কথা স্পষ্টভাবে বর্ণিত হয়েছে। যেমন হযরত আবূ হুরায়রা রাযি. থেকে বর্ণিত আছে-

أَقْبَلْتُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَسَمِعَ رَجُلًا يَقْرَأُ قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَجَبَتْ فَسَأَلْتُهُ مَاذَا يَا رَسُولَ اللَّهِ فَقَالَ الْجَنَّة

‘আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সঙ্গে সামনের দিকে অগ্রসর হলাম। তিনি শুনতে পেলেন জনৈক ব্যক্তি সূরা কুল হুওয়াল্লাহু আহাদ পড়ছে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ওয়াজিব (নিশ্চিত) হয়ে গেছে। আমি জিজ্ঞেস করলাম, কী ওয়াজিব হয়ে গেছে? তিনি বললেন, জান্নাত।’ (জামে‘ তিরমিযী : ২৮৯৭; সুনানে নাসাঈ : ৯৯৪; হাকিম, আল মুসতাদরাক : ২০৭৯; বায়হাকী, শু‘আবুল ঈমান : ২৩০৭; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ : ১২১১)
সূরাটি যত বেশি পাঠ করা যাবে, জান্নাতে ততোটাই উচ্চ মরতবা হাসিল হবে। কোনও কোনও হাদীছে সূরাটি দশবার পাঠ করার ফযীলত জানানো হয়েছে যে-

مَنْ قَرَأَ قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ عَشْرَ مَرَّاتٍ، بُنِيَ لَهُ بِهَا قَصْرٌ فِي الْجَنَّةِ، وَمَنْ قَرَأَهَا عِشْرِينَ مَرَّةً، بُنِيَ لَهُ بِهَا قَصْرَانِ فِي الْجَنَّةِ، وَمَنْ قَرَأَهَا ثَلَاثِينَ مَرَّةً، بُنِيَ لَهُ بِهَا ثَلَاثَةُ قُصُورٍ فِي الْجَنَّةِ». فَقَالَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ: وَاللَّهِ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِذَنْ لَنُكْثِرَنَّ قُصُورَنَا. فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «اللَّهُ أَوْسَعُ مِنْ ذَلِكَ».

‘যে ব্যক্তি কুল হুওয়াল্লাহু আহাদ দশবার পড়ে, তার জন্য জান্নাতে একটি প্রাসাদ নির্মাণ করা হয়। যে ব্যক্তি বিশবার পড়ে, তার জন্য জান্নাতে দু’টি প্রাসাদ নির্মাণ করা হয়। যে ব্যক্তি ত্রিশবার পড়ে, তার জন্য জান্নাতে তিনটি প্রাসাদ নির্মাণ করা হয়। হযরত উমর ইবনুল খাত্তাব বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আল্লাহর কসম, তবে তো আমরা আমাদের প্রাসাদ অনেক বাড়িয়ে ফেলব! রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, (তোমরা যতই বাড়াও না কেন,) আল্লাহ তারচে’ অধিকতর প্রাচুর্যময়।’(সুনানে দারিমী : ৩৪৭২; মুসান্নাফে ইবন আবী শায়বা : ২৯৮১৪; তাবারানী, আল মু‘জামুল কাবীর : ৩৯৮; ইবনুস সুন্নী, আমালুল ইয়াওমি ওয়াল লায়লা : ৬৯৩)

সূরা ইখলাসের প্রতি ভালোবাসার দাবি   
প্রশ্ন হতে পারে, কেবল এ সূরাটি পড়লেই জান্নাত নিশ্চিত হয়ে যাবে? এত সহজ কাজের এত বড় প্রতিদান?
উত্তর হলো, বিষয়টা কেবল পড়ার নয়; এর সঙ্গে আমলেরও সম্পর্ক আছে। এখানে সূরাটির প্রতি ভালোবাসার কথা বলা হয়েছে। যে যাকে ভালোবাসে, তার আনুগত্যও করে থাকে। এ সূরাটিকে ভালোবাসার দাবি হলো এর শিক্ষা অনুসরণ করা। সূরাটি তাওহীদের বর্ণনা। তার অর্থ দাঁড়ায় এ সূরাটিকে যে ভালোবাসবে, সে তাওহীদের পথে চলবে। সে এক আল্লাহরই আনুগত্য করবে। আল্লাহ যা হুকুম করেছেন সে তা মানবে। তিনি যা নিষেধ করেছেন তা পরিহার করবে।

এ সূরাটিকে যে যত বেশি ভালোবাসবে, সে তত বেশি পড়বেও। আর যে যত বেশি পড়বে, সে ততই আল্লাহ তা‘আলার আদেশ-নিষেধ তথা শরীয়তের পথে চলতে অনুপ্রাণিত হবে। তার অবধারিত ফল জান্নাত লাভ। বোঝা গেল এ সূরাটির ভালোবাসা আল্লাহপ্রেমিককে শরীয়তের পথে চলার অনুপ্রেরণা জোগায়। যে ব্যক্তি শরীয়তের পথে চলে, প্রকৃতপক্ষে সে-ই এ সূরাটি ভালোবাসে। কেবল মুখে বললেই ভালোবাসা প্রমাণ হয়ে যায় না; তা প্রমাণের জন্য দলীল দরকার। শরীয়তের পথে চলাটাই সেই দলীল। কাজেই এ সূরাটির পাঠককে শরীয়তের পথে চলতেও হবে।

হাদীস থেকে শিক্ষণীয়ঃ

ক. সূরা ইখলাস অতীব মর্যাদাপূর্ণ একটি সূরা।

খ. সূরা ইখলাসের প্রতি আন্তরিক ভালোবাসা পোষণ করা কর্তব্য।

গ. সূরা ইখলাসের প্রতি ভালোবাসা রাখার দাবি হলো আল্লাহ তা‘আলার আনুগত্য করা তথা শরীয়তের পাবন্দী করা।

ঘ. সূরা ইখলাসের প্রতি সত্যিকারের ভালোবাসা থাকলে জান্নাতলাভ নিশ্চিত হয়ে যায়।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ রিয়াযুস সালিহীন (অনুবাদ- মাওলানা আবুল বাশার মুহাম্মাদ সাইফুল ইসলাম হাফি.)
tahqiqতাহকীক:তাহকীক চলমান