মা'আরিফুল হাদীস
রোযা অধ্যায়
হাদীস নং: ১১৭
রোযা অধ্যায়
নামায এবং যাকাতের মত রোযার একটি কোর্স ও নেছাবকে তো ইসলামের রুকন ও অপরিহার্য শর্ত সাব্যস্ত করে দেওয়া হয়েছে, যেটা ছাড়া কোন মুসলমানের জীবন ইসলামী জীবন হতে পারে না। আর সেটা হচ্ছে রমযানের পুরা মাসের রোযা। এ ছাড়া ইসলামী শরী‘আতে আত্মার পরিচর্যা ও এর পরিশুদ্ধি এবং আল্লাহ্ তা'আলার বিশেষ নৈকট্য অর্জনের জন্য অন্যান্য নফল ইবাদতের মত নফল রোযারও বিধান দেওয়া হয়েছে এবং বিশেষ বিশেষ দিন ও তারিখের বিশেষ ফযীলত ও বরকত বর্ণনা করে এগুলোতে রোযা রাখার উৎসাহ প্রদান করা হয়েছে।
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) মৌখিক নির্দেশ ছাড়া নিজের আমল ও কর্ম দ্বারাও উম্মতকে এ নফল রোযাগুলোর প্রতি উৎসাহিত করতেন। তবে এরই সাথে তিনি এ বিষয়ের প্রতি সতর্ক দৃষ্টি রাখতেন যে, লোকেরা যেন নফল রোযার বেলায় সীমা লংঘন করে না যায় এবং এগুলোকে ফরযের পর্যায়ে নিয়ে না যায়; বরং আল্লাহর নির্ধারিত সীমারেখার প্রতি লক্ষ্য রেখে ফরযগুলোকে যেন ফরযের মত আদায় করে এবং নফলগুলোকে নফলের পর্যায়েই রাখে। এ সংক্ষিপ্ত ভূমিকার পর এবার এ সংক্রান্ত হাদীসগুলো নিম্নে পাঠ করে নিন:
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) মৌখিক নির্দেশ ছাড়া নিজের আমল ও কর্ম দ্বারাও উম্মতকে এ নফল রোযাগুলোর প্রতি উৎসাহিত করতেন। তবে এরই সাথে তিনি এ বিষয়ের প্রতি সতর্ক দৃষ্টি রাখতেন যে, লোকেরা যেন নফল রোযার বেলায় সীমা লংঘন করে না যায় এবং এগুলোকে ফরযের পর্যায়ে নিয়ে না যায়; বরং আল্লাহর নির্ধারিত সীমারেখার প্রতি লক্ষ্য রেখে ফরযগুলোকে যেন ফরযের মত আদায় করে এবং নফলগুলোকে নফলের পর্যায়েই রাখে। এ সংক্ষিপ্ত ভূমিকার পর এবার এ সংক্রান্ত হাদীসগুলো নিম্নে পাঠ করে নিন:
১১৭. হযরত আবু হুরায়রা রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: প্রত্যেক জিনিসেরই যাকাত রয়েছে, (যার দ্বারা ঐ জিনিস পবিত্র হয়ে যায়।) আর দেহের যাকাত হচ্ছে রোযা। -ইবনে মাজাহ
کتاب الصوم
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ، اللَّهِ صَلَّى قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : « لِكُلِّ شَيْءٍ زَكَاةٌ ، وَزَكَاةُ الْجَسَدِ الصَّوْمُ »
(رواه ابن ماجه)
(رواه ابن ماجه)