মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)

রসনার ক্ষতি সম্পর্কে অধ্যায়

হাদীস নং:
রসনার ক্ষতি সম্পর্কে অধ্যায়
অধ্যায়- রসনার ক্ষতি সম্পর্কে

পরিচ্ছেদ : অধিক কথা বলা থেকে ভীতি প্রদর্শন এবং চুপ থাকা সম্পর্কে যা বর্ণিত হয়েছে
২. আবূ সা'ঈদ খুদরী (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, তিনি বলেন, নবী (ﷺ) বলেছেন, আদম সন্তান যখন সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে, তখন তার শরীরের যাবতীয় অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ তার মুখের কাছে অনুনয় বিনয় করে বলে, আমাদের ব্যাপারে আল্লাহকে ভয় কর। কেননা, আমরা তোমার সাথেই আছি। তুমি যদি ঠিক থাক তবে আমরাও ঠিক থাকব। আর যদি তুমি বাঁকা পথ ধর, তবে আমরাও খারাপ হয়ে যাব।
كتاب آفات اللسان
كتاب آفات اللسان

باب ما جاء في الترهيب من كثرة الكلام وما جاء في الصمت
عن أبي الصبهاء (4) قال سمعت سعيد بن جبير يحدث عن أبي سعيد الخدري (رضي الله عنه) لا أعلمه الا رفعه قال اذا اصبح ابن آدم فإن أعضاءه تكفر (5) اللسان تقول اتق الله فينا فإنك إن استقمت استقمنا وان اعوججت اعوججنا

হাদীসের ব্যাখ্যা:

জিহ্বার মন্দ আচরণের ফলে শরীরের অপর অংশসমূহ বিপদের সম্মুখীন হয়। তাই তারা প্রত্যেক দিন ভোরবেলা জিহ্বাকে সংযত থাকার জন্য অনুরোধ করে। জিহ্বা আল্লাহকে ভয় করে বক্র রাস্তা অবলম্বন না করলে শরীরের অপরাপর অংশ বিপদমুক্ত থাকবে। আমাদের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ কিভাবে পরস্পর কথা বলে তা একমাত্র আল্লাহই জানেন। যেরূপ আমাদের শরীরের এক অংশ অপর অংশের সুখ-দুঃখে অংশগ্রহণ করে, সেরূপ এক অঙ্গ অপর অঙ্গের সাথে নিজেদের ভাবের বিনিময় করতেও সক্ষম। প্রতিদিন ভোরবেলা ঘুম থেকে উঠার সাথে সাথে জিহ্বাকে আল্লাহর গুণগানে ব্যবহার করা উচিত। যাতে শয়তান জিহ্বাকে মন্দকাজে ব্যবহার করতে না পারে তার জন্য আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা করা উচিত। বারবার জিহ্বাকে আল্লাহর যিকর এবং আল্লাহর বান্দাদেরকে দীন শিক্ষা দেয়ার কাজে ব্যবহার করলে আশা করা যায় জিহ্বা সংযত থাকবে।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)
tahqiqতাহকীক:তাহকীক চলমান