মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)
কবীরা ও অন্যান্য গুনাহের বর্ণনা অধ্যায়
হাদীস নং: ৪৪
কবীরা ও অন্যান্য গুনাহের বর্ণনা অধ্যায়
পরিচ্ছেদ: 'রিয়া' সম্পর্কে ভীতি প্রদর্শন আর 'রিয়া' হলো গোপন শিরক
৪৪. আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাকে বললেন, আল্লাহ তা'আলা বলেছেন, আমি অংশীদারদের মধ্যে সর্বোত্তম সত্ত্বা, যে ব্যক্তি আমার জন্য কোন আমল করে এবং তাতে আমার সাথে অন্যকে শরীক করে, আমি তার থেকে দায়মুক্ত। সে যার সাথে শিরক করে, কাজটি তার জন্যই হবে। অর্থাৎ তার আমল বিনষ্ট হবে।
كتاب الكبائر وأنواع اخرى من المعاصي
باب ما جاء في الترهيب من الرياء وهو الشرك الخفي نعوذ بالله منه
عن أبي هريرة (2) قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم قال الله عز وجل انا خير الشركاء من عمل لي عملا فأشرك غيري فأنا منه بريء وهو للذي أشرك
হাদীসের ব্যাখ্যা:
আল্লাহ শিরককে খুব অপসন্দ করেন। বান্দা যে সব সৎকর্মের সাথে অন্যকে শরীক করে, আল্লাহর সাথে অন্যকে সন্তুষ্ট করতে চায়, আল্লাহ তা কবুল করেন না। তিনি শরীক এবং শিরককারী উভয়কে অপসন্দ করেন। তিনি এ ধরনের নির্বোধকে কোন পূণ্য দিবেন না, যে শুধু আল্লাহকে সন্তুষ্ট করার জন্য নেক কাজ করেনি, বরং নিজের পরিবার-পরিজনের বা কোন বুযর্গ ব্যক্তি বা কোন রাজা-মহারাজাকে সন্তুষ্ট করার জন্য তা করেছে। শুধু তাই নয়, এ ধরনের ব্যক্তির উপর আল্লাহ খুব অসন্তুষ্ট হবেন এবং কিয়ামতের দিন তাদের ব্যাপারে ঘোষণা করা হবে যে, তিনি তাদেরকে কোন ফল দান করবেন না। তারা যেন আল্লাহ ছাড়া অন্য সত্তার কাছ থেকে ফল লাভ করে। শিরককারীদের জন্য এটা চরম দুর্ভাগ্য ও বদ কিসমত।
আবূ সাঈদ ইবনে আবু ফাযালা (রা)-এর বরাত দিয়ে মুসনাদে আহমদ-এ বর্ণিত অপর এক হাদীসে শিরককারীদের মন্দ পরিণামের কথা বলা হয়েছে:
قَالَ: إِذَا جَمَعَ اللَّهُ النَّاسَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ لِيَوْمٍ لَا رَيْبَ فِيهِ نَادَى مُنَادٍ: مَنْ كانَ أشركَ فِي عملٍ عملَه للَّهِ أحدا فَلْيَطْلُبْ ثَوَابَهُ مِنْ عِنْدِ غَيْرِ اللَّهِ فَإِنَّ اللَّهَ أَغْنَى الشُّرَكَاءِ عَنِ الشِّرْكِ
"নবী ﷺ বলেছেনঃ যে কিয়ামতের আগমন সম্পর্কে কোন সন্দেহ নেই, সেদিন আল্লাহ যখন তামাম মানুষ জাতিকে একত্র করবেন, তখন একজন এলানকারী ঘোষণা করবে, যে আল্লাহর জন্য নিবেদিত কোন কাজে অন্যকে শরীক করেছে, সে যেন আল্লাহ ছাড়া অন্যের কাছ থেকে তার সওয়াব গ্রহণ করে। কেননা শিরকের ব্যাপারে আল্লাহ সবচেয়ে বেশি বেনিয়ায। (মুসনাদে আহমদ)
আবূ সাঈদ ইবনে আবু ফাযালা (রা)-এর বরাত দিয়ে মুসনাদে আহমদ-এ বর্ণিত অপর এক হাদীসে শিরককারীদের মন্দ পরিণামের কথা বলা হয়েছে:
قَالَ: إِذَا جَمَعَ اللَّهُ النَّاسَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ لِيَوْمٍ لَا رَيْبَ فِيهِ نَادَى مُنَادٍ: مَنْ كانَ أشركَ فِي عملٍ عملَه للَّهِ أحدا فَلْيَطْلُبْ ثَوَابَهُ مِنْ عِنْدِ غَيْرِ اللَّهِ فَإِنَّ اللَّهَ أَغْنَى الشُّرَكَاءِ عَنِ الشِّرْكِ
"নবী ﷺ বলেছেনঃ যে কিয়ামতের আগমন সম্পর্কে কোন সন্দেহ নেই, সেদিন আল্লাহ যখন তামাম মানুষ জাতিকে একত্র করবেন, তখন একজন এলানকারী ঘোষণা করবে, যে আল্লাহর জন্য নিবেদিত কোন কাজে অন্যকে শরীক করেছে, সে যেন আল্লাহ ছাড়া অন্যের কাছ থেকে তার সওয়াব গ্রহণ করে। কেননা শিরকের ব্যাপারে আল্লাহ সবচেয়ে বেশি বেনিয়ায। (মুসনাদে আহমদ)
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)