মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)

লি'আন অধ্যায়

হাদীস নং: ৪৯
লি'আন অধ্যায়
অধ্যায় : লি'আন

পরিচ্ছেদ: লি'আনের আয়াত অবতীর্ণ হওয়ার পূর্বে স্বামী স্বীয় স্ত্রীকে অপবাদ দিয়ে চারজন সাক্ষী উপস্থিত করতে না পারলে তার ওপর শাস্তি প্রয়োগ করা হত না।
৪৯। আবদুল্লাহ (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমরা কয়েকজন জুম'আর দিন বিকালে মসজিদে বসা ছিলাম। তখন এক আনসারী লোক বলল, যদি কোন ব্যাক্তি তার স্ত্রীর সঙ্গে কোন পুরুষকে (আপত্তিকর অবস্থায়) দেখে আর সে কারণে তাকে হত্যা করে তবে কি তোমরা তাকে হত্যা করবে? আর (চোখে দেখা বিষয়ে) কথা বললে বেত্রাঘাত করবে? যদি সে নীরব থাকে তবে ক্রোধ নিয়ে নীরব থাকবে। আল্লাহর শপথ! যদি আমি সুস্থ অবস্থায় প্রভাত করি তবে অবশ্যই এ সম্বন্ধে আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) -এর নিকট জিজ্ঞাসা করব। বর্ণনাকারী বলেন, এরপর সে তাঁর নিকট জিজ্ঞাসা করল। বলল, ইয়া রাসূলুল্লাহ (ﷺ)! যদি কোন ব্যক্তি তার স্ত্রীর সঙ্গে কোন পুরুষকে (আপত্তিকর অবস্থা) দেখে তাকে হত্যা করে তবে কি আপনারা তাকে হত্যা করবেন আর (চোখে দেখা বিষয়ে) কথা বললে বেত্রাঘাত করবেন? যদি সে নীরব থাকে তবে ক্রোধ নিয়ে নীরব থাকবে। হে আল্লাহ! সে বিষয়ে ফয়সালা করুন। বর্ণনাকারী বলেন, এরপর লি'আনের আয়াত অবতীর্ণ হয়। বর্ণনাকারী বলেন, সে লোকই সর্বপ্রথম এই ঘটনার শিকার হয়।
(মুসলিম আবূ দাউদ, ইবন মাজাহ)
كتاب اللعان
كتاب اللعان

باب ما كان من إيجاب الحد على من قذف زوجته إن لم يأت بأربعة شهداء قبل نزول آيات اللعان
عن عبد الله قال كنا جلوسا عشية الجمعة في المسجد قال فقال رجل من الأنصار إن أحدنا رأى مع امرأته رجلا فقتله قتلتموه وإن تكلم جلدتموه وإن سكت سكت على غيظ، والله لئن أصبحت صالحا لأسألن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال فسأله فقال يا رسول الله إن أحدنا رأى مع امرأته رجلا فقتله قتلتموه، وإن تكلم جلدتموه، وإن سكت سكت على غيظ اللهم احكم قال فأنزلت آية اللعان، قال فكان ذلك الرجل أول من ابتلى به
tahqiqতাহকীক:তাহকীক চলমান
মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ - হাদীস নং ৪৯ | মুসলিম বাংলা