মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)
৭. নামাযের অধ্যায়
হাদীস নং: ১৬১৭
নামাযের অধ্যায়
১৫ পরিচ্ছেদ: জুমু'আর সালাতে কুরআন তিলাওয়াত
১৬১৩. উবাইদুল্লাহ ইবনে আবু রাফে' থেকে বর্ণিত, তিনি আলী (রা)-এর লেখক (কেরানী) ছিলেন, তিমি বলেন, মারওয়ান (মদীনার গভর্ণর থাকাকালে) আবু হুরায়রা (রা)-কে মাঝে মাঝে তাঁর স্থলাভিষিক্ত করে বাইরে যেতেন। একবার তিনি তাঁকে স্থলাভিষিক্ত করে যান। তখন তিনি (আবু হুরায়রা) জুমুআর নামায পড়ান। তিনি সূরা জুমু'আর পর দ্বিতীয় রাক'আতে ইযা জাআকাল মুনাফিকুন, (সূরা মুনাফিকুন) পড়েন, নামায শেষে আমি তাঁর নিকট গেলাম। আমি বললাম, হে আবু হুরায়য়া, আপনি যে দু'টি সূরা পড়েছেন আলী (রা)-ও সে দু'টি সূরা পড়তেন। আবু হুরায়রা (রা) বলেন, আবুল কাসিম (ﷺ) জুমু'আর দিন এ দু'টি সূরা পাঠ করতেন। ।
(মুসলিম, আবু দাউদ, নাসাঈ, তিরমিযী, ইবনে মাজাহ, বায়হাকী সুনান গ্রন্থে।)
(মুসলিম, আবু দাউদ, নাসাঈ, তিরমিযী, ইবনে মাজাহ, বায়হাকী সুনান গ্রন্থে।)
كتاب الصلاة
(15) باب ما يقرأ به فى صلاة الجمعة
(1617) عن عبيد الله بن أبى رافعٍ وكان كاتبًا لعلىٍّ رضي الله عنه قال كان مروان يستخلف أبا هريرة على المدينة فاستخلفه مرَّةً فصلَّى الجمعة فقرأ سورة الجمعة وإذا جاءك المنافقون، فلمَّا انصرف مشيت إلى جنبه فقلت أبا هرّ قرأت بسورتين قرأ بهما علىٌّ عليه السَّلام (1) قال قرأ بهما حبِّي أبو القاسم صلَّى الله عليه وآله وسلَّم
হাদীসের ব্যাখ্যা:
মুক্তাদী কর্তৃক ইমামের জুমআর নামাযের কিরাত শ্রবণ করা থেকে প্রমাণিত হয় যে, রসূলুল্লাহ স. জুমআর নামাযে সশব্দে কুরআন পাঠ করেছেন। এ আমলের ব্যতিক্রম তিনি কখনো করেছেন মর্মে প্রমাণ পাওয়া যায়নি। অতএব, জুমআর নামাযে ইমামের জন্য উচ্চস্বরে কুরআন পড়া জরুরী।