মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)
৭. নামাযের অধ্যায়
হাদীস নং: ১৫৮০
নামাযের অধ্যায়
নবম পরিচ্ছেদ: খতীব মিম্বারে না উঠা পর্যন্ত জুমু'আর পূর্বে নফল নামায পড়া (খতীব মিম্বারে উঠলে শুধু দু'রাকা'আত তাহিয়্যাতুল মসজিদ পড়া যাবে অন্য কোন নামায পড়া যাবে না)
১৫৭৬, 'আতা আল খুরাসানী থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নুবাইশা হুযালী (রা) রাসূল (ﷺ) থেকে বর্ণনা করেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন,কোন মুসলমান যদি জুমু'আর দিন গোসল করে মসজিদে গমন করে কাউকে কষ্ট না দেয়, এবং যদি দেখে যে ইমাম উপস্থিত হন নি তাহলে সে তার ইচ্ছানুসারে নফল নামায পড়ে, আর যদি দেখে যে, ইমাম খুতবা দিতে উঠেছেন, তাহলে সে যেন বসে যায়, এবং ইমামের খুতবা ও নামায শেষ না হওয়া পর্যন্ত নীরবে ইমামের খুতবা শুনে, তাহলে এ জুমু'আয় তার জীবনের সব গুনাহ ক্ষমা করা না হলে অন্তত পূর্ববর্তী এক সপ্তাহের সমুদয় গুনাহের কাফফারা হয়ে যাবে।
(ইমাম আহমদ ছাড়া এ হাদীসটি অন্য কেউ বর্ণনা করেন নি। হাইসামী উল্লেখ করেছেন, আহমদের বর্ণনায় হাদীসের বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।)
(ইমাম আহমদ ছাড়া এ হাদীসটি অন্য কেউ বর্ণনা করেন নি। হাইসামী উল্লেখ করেছেন, আহমদের বর্ণনায় হাদীসের বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।)
كتاب الصلاة
(9) باب التنفل قبل الجمعة ما لم يصعد الخطيب المنبر (فإذا صعد فلا صلاة إلا ركعتين تحية المسجد لداخل)
(1580) عن عطاءٍ الخراساني قال كان نيشة الهذليُّ رضى الله عنه يحدث عن رسول الله صلَّى الله تعالى عليه وعلى آله وصحبه وسلَّم أن المسلم إذا اغتسل يوم الجمعة ثمَّ أقبل إلى المسجد لا يؤذى أحدًا فإن لم يجد الإمام خرج صلَّى ما بدا له، وإن وجد الإمام قد خرج جلس (1) فاستمع وأنصت حتى يقضى الإمام جمعته وكلامه إن لم يغفر له في جمعته تلك ذنوبه كلها (1) أن تكون كفَّارة للجمعة الَّتى قبلها
হাদীসের ব্যাখ্যা:
জুমু'আর মসজিদে গিয়ে কোনও গল্পগুজব করা যাবে না এবং বেহুদা কাজ থেকেও বেঁচে থাকতে হবে। ইমাম সাহেব যখন খুতবা দেন, তখন গভীর মনোযোগের সাথে তার খুতবা শুনতে হবে। বোঝা গেল এ সময় কোনও নামাযও পড়া যাবে না।
হাদীস থেকে শিক্ষণীয়ঃ
ক. এ হাদীছ দ্বারা উত্তমরূপে ওযূ করে মসজিদে আসা ও মনোযোগের সাথে খুতবা শোনার ফযীলত জানা গেল।
খ. এর দ্বারা বান্দার প্রতি আল্লাহ তা'আলার অসীম দয়ারও পরিচয় পাওয়া গেল যে, কত ছলেই না তিনি বান্দার গুনাহ মাফ করে থাকেন।
গ. আরও জানা গেল মসজিদে অবস্থানকালে, বিশেষত খুতবা চলাকালে কোনও বেহুদা কাজ করা উচিত নয়; বরং সর্বোচ্চ সতর্কতার সাথে আদব রক্ষায় যত্নবান থাকা চাই।
হাদীস থেকে শিক্ষণীয়ঃ
ক. এ হাদীছ দ্বারা উত্তমরূপে ওযূ করে মসজিদে আসা ও মনোযোগের সাথে খুতবা শোনার ফযীলত জানা গেল।
খ. এর দ্বারা বান্দার প্রতি আল্লাহ তা'আলার অসীম দয়ারও পরিচয় পাওয়া গেল যে, কত ছলেই না তিনি বান্দার গুনাহ মাফ করে থাকেন।
গ. আরও জানা গেল মসজিদে অবস্থানকালে, বিশেষত খুতবা চলাকালে কোনও বেহুদা কাজ করা উচিত নয়; বরং সর্বোচ্চ সতর্কতার সাথে আদব রক্ষায় যত্নবান থাকা চাই।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ রিয়াযুস সালিহীন (অনুবাদ- মাওলানা আবুল বাশার মুহাম্মাদ সাইফুল ইসলাম হাফি.)