মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)
৭. নামাযের অধ্যায়
হাদীস নং: ১৫৭২
নামাযের অধ্যায়
৭ম পরিচ্ছেদঃ জুমু'আয় সকাল সকাল গমন করার ফযীলত (বাহন ব্যতীত পায়ে হেঁটে জুমু'আয় যাওয়া, ইমামের নিকটবর্তী স্থানে বসা, খুতবার সময় নীরব থাকা ইত্যাদি বিষয়)
১৫৬৮. ইয়াজিদ ইবনে আবু মারইয়াম থেকে বর্ণিত তিনি বলেন জুমু'আর দিন আমি পায়ে হেঁটে মসজিদে যাওয়ার পথে আবায়াত ইবনে রাফে' (রা)-এর সাথে আমার দেখা হয়, তখন তিনি বাহনে ছিলেন তিনি বললেন, সুসংবাদ গ্রহণ করুন। আমি আবু আব্বাস (রা)-কে বলতে শুনেছি তিনি বলেন, রাসুল (ﷺ) বলেছেন, যার পদদ্বয় আল্লাহর পথে ধূলিময় হয়, আল্লাহ সে দুইটিকে দোযখের জন্য হারাম করে দেন।
(বুখারী, নাসাঈ, তিরমিযী।)
(বুখারী, নাসাঈ, তিরমিযী।)
كتاب الصلاة
(7) باب فضل التبكير الى الجمعة (والمشى لها دون الركوب والدنو من الامام والانصات للخطية وغير ذلك)
(1572) عن يزيد بن أبي مريم (1) قال لحقنى عباية بن رافع بن خديج وأنا رايحٌ إلى المسجد إلى الجمعة ماشيًا وهو راكب (2) قال ابشر فإنِّى سمعت أبا عبسٍ (3) يقول قال رسول الله صلى الله عليه وآله وسلم من اغبرت قدماه (4) فى سبيل الله عزَّ وجلَّ حرَّمها الله عزَّ وجلَّ على النَّار.
হাদীসের ব্যাখ্যা:
জিহাদের ফযীলত সম্পর্কে বলা হয়েছে যে, আল্লাহর পথে জিহাদ করতে গিয়ে শরীরে যে ধুলো লাগে, সে ধুলো ও জাহান্নামের ধোঁয়া কখনও একত্রিত হবে না। অর্থাৎ মুজাহিদ ব্যক্তিকে কখনও জাহান্নামের আগুন তো স্পর্শ করবেই না, এমনকি জাহান্নামের ধোঁয়াও তার গায়ে লাগবে না। সে জাহান্নাম থেকে বহু দূরে থাকবে।
প্রকাশ থাকে যে, আল্লাহর পথে জিহাদ বলতে আল্লাহ তা'আলার সন্তুষ্টিলাভের উদ্দেশ্যে আল্লাহর শত্রুদের বিরুদ্ধে লড়াই করাকে বোঝায়। এ লড়াই যেমন মুখের দ্বারা হতে পারে, কলমের দ্বারা হতে পারে, তেমনি হতে পারে সশস্ত্র সংগ্রাম। এর প্রত্যেকটির জন্যই সুনির্দিষ্ট নিয়ম-কানুন আছে। সে নিয়ম-কানুনের অধীনে সংগ্রাম করলেই তা মহান জিহাদ নামে অভিহিত হওয়ার উপযুক্ত হবে, অন্যথায় নয়।
হাদীস থেকে শিক্ষণীয়ঃ
ক. জাহান্নাম থেকে বাঁচার লক্ষ্যে আমরা আপন সামর্থ্য অনুযায়ী আল্লাহর পথে জিহাদে রত থাকব, এমনকি সশস্ত্র সংগ্রামের জন্যও প্রস্তুত থাকব। এবং যখনই সে অবকাশ আসে, যথাযথ নিয়ম-নীতি অনুসরণ করে তাতে ঝাঁপিয়ে পড়ব।
প্রকাশ থাকে যে, আল্লাহর পথে জিহাদ বলতে আল্লাহ তা'আলার সন্তুষ্টিলাভের উদ্দেশ্যে আল্লাহর শত্রুদের বিরুদ্ধে লড়াই করাকে বোঝায়। এ লড়াই যেমন মুখের দ্বারা হতে পারে, কলমের দ্বারা হতে পারে, তেমনি হতে পারে সশস্ত্র সংগ্রাম। এর প্রত্যেকটির জন্যই সুনির্দিষ্ট নিয়ম-কানুন আছে। সে নিয়ম-কানুনের অধীনে সংগ্রাম করলেই তা মহান জিহাদ নামে অভিহিত হওয়ার উপযুক্ত হবে, অন্যথায় নয়।
হাদীস থেকে শিক্ষণীয়ঃ
ক. জাহান্নাম থেকে বাঁচার লক্ষ্যে আমরা আপন সামর্থ্য অনুযায়ী আল্লাহর পথে জিহাদে রত থাকব, এমনকি সশস্ত্র সংগ্রামের জন্যও প্রস্তুত থাকব। এবং যখনই সে অবকাশ আসে, যথাযথ নিয়ম-নীতি অনুসরণ করে তাতে ঝাঁপিয়ে পড়ব।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ রিয়াযুস সালিহীন (অনুবাদ- মাওলানা আবুল বাশার মুহাম্মাদ সাইফুল ইসলাম হাফি.)