মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)
৭. নামাযের অধ্যায়
হাদীস নং: ১৫১৪
নামাযের অধ্যায়
জুমু'আর নামায ও সে দিনের ফযীলত এবং উহার সাথে সংশ্লিষ্ট সকল বিষয়ের অধ্যায়
(১) পরিচ্ছেদঃ জুমু'আর দিনের ফযীলত
(১) পরিচ্ছেদঃ জুমু'আর দিনের ফযীলত
১৫১০. আবু দারদা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, হে আবু দারদা, অন্যান্য রাত ব্যতীত শুধু জুমু'আর রাত্রিতে খাস করে নফল নামায পড়বে না এবং অন্যান্য দিন বাদ দিয়ে শুধু জুমু'আর দিনে খাস করে নফল রোযা রাখবে না।
(তবারানী। হায়ছামী বলেন, হাদীসের বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।)
(তবারানী। হায়ছামী বলেন, হাদীসের বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।)
كتاب الصلاة
أبواب صلاة الجمعة وفضل يومها وكل ما يتعلق بها
(1) باب فى فضل يوم الجمعة
(1) باب فى فضل يوم الجمعة
(1514) عن أبى الدَّرداء رضى الله عنه قال قال رسول الله صلَّى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلَّم يا أبا الدَّرداء لا تختص ليلة الجمعة بقيام دون اللَّيالي ولا يوم الجمعة بصيامٍ دون الأيَّام (2)
হাদীসের ব্যাখ্যা:
জুমু'আর দিন এবং এর রাতের বিশেষ ফযীলতের কারণে যেহেতু এর খুব সম্ভাবনা ছিল যে, ফযীলত আকাঙ্ক্ষী লোকেরা এ দিন রোযা রাখার এবং এর রাতে জাগ্রত থাকা ও ইবাদতের প্রতি খুব বেশী গুরুত্ব দিয়ে বসবে এবং আল্লাহ তা'আলা ও তাঁর রাসূল (ﷺ) যে জিনিসটি ফরয ও ওয়াজিব সাব্যস্ত করেননি, এর সাথে ফরয ও ওয়াজিবের মতই ব্যবহার করা হবে, এ জন্য রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছেন। তাছাড়া এই নিষেধাজ্ঞার আরও কিছু কারণও ওলামায়ে কেরাম লিখেছেন। যাহোক, এ নিষেধাজ্ঞাটি শরী‘আতের সীমারেখা রক্ষা ও শৃঙ্খলা বিধানের জন্যই। উদ্দেশ্য এই যে, শুক্রবারের রোযা এবং রাত্রি জাগরণ যেন একটি অতিরিক্ত রসম ও রেওয়াজে পরিণত না হয়।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)