মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)

৭. নামাযের অধ্যায়

হাদীস নং: ৮০৩
নামাযের অধ্যায়
যে সব কাজ সালাত বাতিল করে দেয় এবং যে সব কাজ করা তাতে মাকরূহ, আর সে সব কাজ করা তাতে মুবাহ্ সেসব কাজ সংক্রান্ত অনুচ্ছেদসমূহ

(১) অনুচ্ছেদ: সালাতে কথা বলা নিষেধ।
(৭৯৯) আব্দুল্লাহ ইবন মাসউদ (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা নবী করীম (সা)-কে সালাতরত অবস্থায় সালাম দিতাম। তিনিও আমাদের সালামের উত্তর দিতেন। পরবর্তীকালে আমরা যখন নাজ্জাশীর কাছ থেকে ফিরে এলাম, তখন (আগের মত) তাঁকে সালাম দিলাম কিন্তু তিনি আমাদের সালামের জবাব দিলেন না। পরে আমরা তাঁকে বললামঃ হে আল্লাহর রাসূল! আমরা তো পূর্বে সালাতে থাকাবস্থায় আপনাকে সালাম করতাম আর আপনি আমাদের জবাব দিতেন। তিনি বললেন: সালাতে (ধ্যান ও নিমগ্নতা রয়েছে।
(তাঁর থেকে দ্বিতীয় সূত্রে বর্ণিত আছে) তিনি (আবদুল্লাহ্ ইবন মাসউদ) বলেন: আমরা হাবশায় (ইথিওপিয়া) আসার পূর্বে যখন মক্কায় ছিলাম, তখন (সালাতাবস্থায়) নবী করীম (সা)-কে সালাম দিতাম। কিন্তু হাবশা (ইথিওপিয়া) থেকে ফিরে এসে তাঁকে (সালাতাবস্থায়) সালাম করলে তিনি উত্তর দিলেন না। তখন আমি নিকট অতীত এবং দূর অতীতে ঘটিত স্বীয় কোন অপরাধের কথা চিন্তা করতে লাগলাম। এরপর সালাত শেষে তাঁকে প্রশ্ন করলাম। তখন তিনি বললেন: আল্লাহ্ তা'আলা যখনই ইচ্ছা করেন নতুন নতুন হুকুম নাবিল করেন। তিনি একটি (নতুন) হুকুম নাযিল করেছেন, যেন আমরা সালাতে কথা না বলি।
(হাদীসের প্রথম রেওয়ায়াতটি বুখারী ও মুসলিমে বর্ণিত আছে এবং দ্বিতীয় রেওয়ায়াতটি আবূ দাউদ, নাসায়ী ও ইবন হিব্বানে বর্ণিত আছে।)
كتاب الصلاة
أبواب ما يبطل الصلاة وما يكره فيها وما يباح

1 - باب النهي عن الكلام في الصلاة
(803) عن عبد الله (يعني ابن مسعود رضي الله عنه) قال: كنا نسلم على رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو في الصلاة فيرد علينا، فلما رجعنا من عند النجاشي سلمنا عليه فلم يرد علينا (1). فقلنا: يا رسول الله كنا نسلم عليك في الصلاة فترد علينا. فقال: إن في الصلاة لشغلاً (2). وعنه من طريق ثان (3) قال: كنا نسلم على النبي صلى الله عليه وسلم إذ كنا بمكة قبل أن نأتي أرض الحبشة، فلما قدمنا من أرض الحبشة أتيناه فسلمنا عليه فلم يرد، فأخذني ما قرب وما بعد (4) حتى قضوا الصلاة فسألته، فقال: إن الله عز وجل يحدث في أمره ما يشاء، وإنه قد أحدث من أمره أن لا نتكلم في الصلاة (5).
tahqiqতাহকীক:তাহকীক চলমান