আত্-তারগীব ওয়াত্-তারহীব- ইমাম মুনযিরী রহঃ
২২. অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার
হাদীস নং: ৪৩৮৩
অধ্যায়ঃ শিষ্টাচার
কল্যাণকর কথাবার্তা ব্যতীত নীরবতা অবলম্বন করার প্রতি অনুপ্রেরণা এবং অধিক বাক্যালাপের প্রতি ভীতি প্রদর্শন
৪৩৮৩. হযরত ইবন উমার (রা) থেকে বর্ণিত। রাসুলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি নীরব থাকে, সে-ই মুক্তি পায়।
(তিরমিযী বর্ণিত। তিনি বলেন: হাদীসটি গরীব। তাবারানী বর্ণিত। তাঁর বর্ণনাকারীগণ বিশ্বস্ত।)
(তিরমিযী বর্ণিত। তিনি বলেন: হাদীসটি গরীব। তাবারানী বর্ণিত। তাঁর বর্ণনাকারীগণ বিশ্বস্ত।)
كتاب الأدب
التَّرْغِيب فِي الصمت إِلَّا عَن خير والترهيب من كَثْرَة الْكَلَام
4383- وَعَن ابْن عمر رَضِي الله عَنْهُمَا أَن رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم قَالَ من صمت نجا
رَوَاهُ التِّرْمِذِيّ وَقَالَ حَدِيث غَرِيب وَالطَّبَرَانِيّ وَرُوَاته ثِقَات
رَوَاهُ التِّرْمِذِيّ وَقَالَ حَدِيث غَرِيب وَالطَّبَرَانِيّ وَرُوَاته ثِقَات
হাদীসের ব্যাখ্যা:
যে চুপ থেকেছে সে নিজেকে অকল্যাণ ও অমঙ্গল থেকে রক্ষা করেছে। চুপ থাকার অর্থ হল অশ্লীল, অন্যায় কথাবার্তা থেকে জিহবাকে হিফাযত করা। কারণ অন্যায় ও অসংযত কথাবার্তার জন্য বান্দা দোযখে নিক্ষিপ্ত হবে।
চুপ থাকার অর্থ সম্পূর্ণ নিরুত্তর থাকা নয়, বরং সংযত কাজে জিহ্বাকে ব্যবহার করা কর্তব্য। কোন কোন ক্ষেত্রে জিহ্বাকে ব্যবহার না করা গুনাহ। যেমন কোন সবল ব্যক্তি দুর্বল ব্যক্তির ওপর যুলম করছে। এ ক্ষেত্রে জিহবার দ্বারা যুলমের প্রতিবাদ করা কর্তব্য এবং তাতে বান্দা প্রচুর সওয়াব লাভ করবে। যদি প্রতিবাদ না করে বা যালিমের বিরুদ্ধে জিহ্বাকে ব্যবহার না করে, তাহলে সে গুনাহগার হবে।
চুপ থাকার অর্থ সম্পূর্ণ নিরুত্তর থাকা নয়, বরং সংযত কাজে জিহ্বাকে ব্যবহার করা কর্তব্য। কোন কোন ক্ষেত্রে জিহ্বাকে ব্যবহার না করা গুনাহ। যেমন কোন সবল ব্যক্তি দুর্বল ব্যক্তির ওপর যুলম করছে। এ ক্ষেত্রে জিহবার দ্বারা যুলমের প্রতিবাদ করা কর্তব্য এবং তাতে বান্দা প্রচুর সওয়াব লাভ করবে। যদি প্রতিবাদ না করে বা যালিমের বিরুদ্ধে জিহ্বাকে ব্যবহার না করে, তাহলে সে গুনাহগার হবে।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)