কিতাবুস সুনান - ইমাম আবু দাউদ রহঃ
৫. হজ্ব আদায়ের নিয়মাবলীর বিবরণ
হাদীস নং: ১৭৮২
আন্তর্জাতিক নং: ১৭৮২
২১. হজ্জে ইফরাদ।
১৭৮২. আবু সালামা (রাহঃ) ...... আয়িশা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা হজ্জের জন্য রওয়ানা হই। সারিফ নামক স্থানে পৌছে আমার হায়য শুরু হয়। রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) আমার নিকট উপস্থিত হন, তখন আমি কাঁদছিলাম। তিনি জিজ্ঞাসা করেন, হে আয়িশা! তোমার কান্নার কারণ কী? আমি বলি, আমি ঋতুবতী হয়েছি। হায়! আমি যদি (এ বছর) হজ্জের জন্য না আসতাম (তবে ভাল হতো)। তখন তিনি সুবহানাল্লাহ্ বলেন, (এরপর ইরশাদ করেন) আল্লাহ্ তাআলা এটা (হায়য) আদমের কন্যাদের জন্য বেঁধে দিয়েছেন।
অতঃপর তিনি বলেন, বায়তুল্লাহ্ তাওয়াফ ব্যতীত তুমি অন্যান্য হজ্জের যাবতীয় অনুষ্ঠানাদি সম্পন্ন কর। এরপর আমরা মক্কায় প্রবেশের পর রাসূলু্ল্লাহ্ (ﷺ) ইরশাদ করেন, যারা এটিকে (হজ্জ) উমরায় রূপান্তরিত করতে চায় তারা তা করতে পারে, তবে যাদের সাথে কুরবানীর পশু আছে তারা ছাড়া। আয়িশা (রাযিঃ) বলেন, কুরবানীর দিন রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) তাঁর স্ত্রীদের পক্ষ হতে একটি গরু কুুরবাণী করেন। এরপর বাতহার রাতে আয়িশা (রাযিঃ) হায়য হতে পবিত্রতা অর্জন করেন এবং বলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ্! আমার সাথীরা হজ্জ ও উমরা সম্পন্ন করে ফিরে যাবে, আর আমি কি কেবল হজ্জ করে ফিরব? তখন রাসূলু্ল্লাহ্ (ﷺ) আব্দুর রহমান ইবনে বকর (রাযিঃ)-কে নির্দেশ দেন। তখন তিনি তাঁকে সহ তানঈম যান আর তিনি সে স্থান হতে উমরার ইহরাম বাঁধেন।
অতঃপর তিনি বলেন, বায়তুল্লাহ্ তাওয়াফ ব্যতীত তুমি অন্যান্য হজ্জের যাবতীয় অনুষ্ঠানাদি সম্পন্ন কর। এরপর আমরা মক্কায় প্রবেশের পর রাসূলু্ল্লাহ্ (ﷺ) ইরশাদ করেন, যারা এটিকে (হজ্জ) উমরায় রূপান্তরিত করতে চায় তারা তা করতে পারে, তবে যাদের সাথে কুরবানীর পশু আছে তারা ছাড়া। আয়িশা (রাযিঃ) বলেন, কুরবানীর দিন রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) তাঁর স্ত্রীদের পক্ষ হতে একটি গরু কুুরবাণী করেন। এরপর বাতহার রাতে আয়িশা (রাযিঃ) হায়য হতে পবিত্রতা অর্জন করেন এবং বলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ্! আমার সাথীরা হজ্জ ও উমরা সম্পন্ন করে ফিরে যাবে, আর আমি কি কেবল হজ্জ করে ফিরব? তখন রাসূলু্ল্লাহ্ (ﷺ) আব্দুর রহমান ইবনে বকর (রাযিঃ)-কে নির্দেশ দেন। তখন তিনি তাঁকে সহ তানঈম যান আর তিনি সে স্থান হতে উমরার ইহরাম বাঁধেন।
باب فِي إِفْرَادِ الْحَجِّ
حَدَّثَنَا أَبُو سَلَمَةَ، مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْقَاسِمِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّهَا قَالَتْ لَبَّيْنَا بِالْحَجِّ حَتَّى إِذَا كُنَّا بِسَرِفَ حِضْتُ فَدَخَلَ عَلَىَّ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَأَنَا أَبْكِي فَقَالَ " مَا يُبْكِيكِ يَا عَائِشَةُ " . فَقُلْتُ حِضْتُ لَيْتَنِي لَمْ أَكُنْ حَجَجْتُ . فَقَالَ " سُبْحَانَ اللَّهِ إِنَّمَا ذَلِكَ شَىْءٌ كَتَبَهُ اللَّهُ عَلَى بَنَاتِ آدَمَ " . فَقَالَ " انْسُكِي الْمَنَاسِكَ كُلَّهَا غَيْرَ أَنْ لاَ تَطُوفِي بِالْبَيْتِ " . فَلَمَّا دَخَلْنَا مَكَّةَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " مَنْ شَاءَ أَنْ يَجْعَلَهَا عُمْرَةً فَلْيَجْعَلْهَا عُمْرَةً إِلاَّ مَنْ كَانَ مَعَهُ الْهَدْىُ " . قَالَتْ وَذَبَحَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنْ نِسَائِهِ الْبَقَرَ يَوْمَ النَّحْرِ فَلَمَّا كَانَتْ لَيْلَةُ الْبَطْحَاءِ وَطَهُرَتْ عَائِشَةُ قَالَتْ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَتَرْجِعُ صَوَاحِبِي بِحَجٍّ وَعُمْرَةٍ وَأَرْجِعُ أَنَا بِالْحَجِّ فَأَمَرَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ أَبِي بَكْرٍ فَذَهَبَ بِهَا إِلَى التَّنْعِيمِ فَلَبَّتْ بِالْعُمْرَةِ .
