কিতাবুস সুনান - ইমাম আবু দাউদ রহঃ
৩. যাকাতের অধ্যায়
হাদীস নং: ১৫৬৭
আন্তর্জাতিক নং: ১৫৬৭
৪. চরণভূমিতে স্বাধীনভাবে বিচরণশীল পশুর যাকাত।
১৫৬৭। মুসা ইবনে ইসমাঈল (রাহঃ) ......... হাম্মাদ (রাহঃ) বলেন, আমি ছুমামা ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আনাস (রাযিঃ) এর নিকট থেকে একটি কিতাব (বা পত্র) সংগ্রহ করেছি। তিনি (ছুমামা) ধারণা করেন যে, আবু বকর সিদ্দীক (রাযিঃ) (খলিফা হওয়ার পরে) এই পত্রখানা আনাস (রাযিঃ)-কে (বাহরাইনে) যাকাত আদায়ের উদ্দেশ্যে প্রেরণের সময় লিখেন। পত্রে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর মোহরাংকিত ছিল। তাতে লেখা ছিল, এটা ফরয যাকাতের ফিরিস্তি, যা আল্লাহর রাসূল (ﷺ) মুসলমানদের উপর ধার্য করেছেন এবং আল্লাহ তাআলা তাঁর রাসূলকে যার নির্দেশ করেছেন। যে মুসলমানের নিকট তা নিয়ম মাফিক চাওয়া হবে, সে তা প্রদান করবে। আর যার নিকট এর অধিক চাওয়া হবে সে তা দেবা না।
পঁচিশটির কম সংখ্যক উটে প্রতি পাঁচটি উটের যাকাত হল একটি বকরী। উটের সংখ্যা পঁচিশ হতে পঁয়ত্রিশের মধ্যে হলে এর যাকাত হবে একটি বিনতে মাখাদ, অর্থাৎ এক বছর বয়সের মাদী উট। পালে যদি এই বয়সের মাদী উট না থাকে তবে একটি ইবনে মাবূন (যার বয়স দুই বছর পূর্ণ হয়ে তিন বছরে পড়বে) প্রদান করবে। উটের সংখ্যা ছত্রিশ হতে পঁয়তাল্লিশের মধ্যে হলে এর জন্য একটি “বিনতে লাবূন” (দুই বছরের মাদী উট) যাকাত স্বরূপ আদায় করতে হবে। উটের সংখ্যা ছেচল্লিশ হতে ষাটের মধ্যে হলে এর জন্য একটি গর্ভ ধারণের উপযোগী চার বৎসর বয়সের মাদী উট প্রদান করতে হবে। উটের সংখ্যা একষট্টি হতে পঁচাত্তরের মধ্যে হলে পাঁচ বৎসর বয়সের একটি মাদী উট যাকাত স্বরূপ দিতে হবে। উটের সংখ্যা ছিয়াত্তর হতে নব্বইর মধ্যে হলে এর জন্য দুই বৎসর বয়সের দুটি মাদী উট প্রদান করতে হবে। উটের সংখ্যা একানব্বই হতে একশ বিশের মধ্যে হলে এর জন্য গর্ভ ধারণে সক্ষম দুইটি (চার বছর বয়সের) মাদী উট দিতে হবে। উটের সংখ্যা একশত বিশের অধিক হলে (অতিরিক্ত) প্রত্যেক চল্লিশ উটের জন্য একটি করে দুই বছর বয়সের মাদী উট দিতে হবে এবং প্রত্যেক পঞ্চাশ উটের জন্য একটি চার বছর বয়সের মাদী উট দিতে হবে।
যাকাত আদায়কালে নির্দিষ্ট বয়সের উট না থাকলে অর্থাৎ কারো উটের সংখ্যা পাঁচ বছরের একটি মাদী উট প্রদানের সম-পরিমাণ হল, অথচ তার নিকট পাঁচ বছরের মাদী উট নাই, কিন্তু চার বছরের মাদী উট আছে, তখন তার নিকট চার বছরের মাদী উট গ্রহণ করতে হবে এবং এর যাকাত প্রদাতা দুইটি বকরীও দেবে, যদি তা দেওয়া তার জন্য সহজ হয়, অন্যথায় বিশটি দিরহাম দিবে, অতঃপর যার উটের সংখ্যা চার বছরের মাদী উট প্রদানের সম-পরিমাণ হবে, কিন্তু তার নিকট চার বছর বয়সের মাদী উট নাই, অথচ পাঁচ বছর বয়সের মাদী উট আছে, এমতাবস্থায় তার নিকট হতে এটাই গ্রহণ করতে হবে এবং যাকাত উসুলকারী তাকে বিশটি দিরহাম বা দুইটি বকরী প্রদান করবে। অতঃপর যার উটের সংখ্যা চার বছর বয়সের মাদী মাদী উট প্রদানের সমান হবে, অথচ তার নিকট চার বছর বয়সের মাদী উট নাই; কিন্তু তার নিকট দুই বছরের মাদী উট আছে - এমতাবস্থায় এটাই তার নিকট হতে গ্রহণ করতে হবে।
ইমাম আবু দাউদ (রাহঃ) বলেন, এখান থেকে আমি রাবী মুসার নিকট থেকে প্রাপ্ত তথ্য আমার আশানুরূপ সঠিকভাবে স্মরণে রাখতে পারিনিঃ “এবং মালিক এর সাথে বিশটি দিরহাম বা দুইটি বকরী প্রদান করবে। অতঃপর যার উটের সংখ্যা দুই বছরের একটি মাদী উট প্রদানের সমপরিমাণ হবে অথচ তার নিকট চার বৎসর বয়সের মাদী উট আছে, এমতাবস্থায় এটাই তার নিকট হতে গ্রহণ করতে হবে।
ইমাম আবু দাউদ (রাহঃ) বলেন, এ পর্যন্ত (আমি সন্দিহান), অতঃপর (সামনের অংশ) উত্তমরূপে স্মরণ রেখেছিঃ “এবং যাকাত আদায়কারী ব্যক্তি মালিককে বিশ দিরহাম অথবা দুইটি বকরী প্রদান করবে। অতঃপর যার উটের সংখ্যা দুই বছর বয়সের একটি মাদী উট প্রদানের সমপরিমাণ হবে, অথচ তার নিকট মাত্র এক বছর বয়সের মাদী উট আছে, এমতাবস্থায় এটাই তার নিকট হতে গ্রহণ করতে হবে এবং এর সাথে দুটি বকরী অথবা বিশটি দিরহাম মালিকের নিকট হতে হবে। অতঃপর যার উটের যাকাত এক বছর বয়সের মাদী উট প্রদানে সমতুল্য হবে, অথচ তার নিকট এটা নাই; কিন্তু তার নিকট দুই বছর বয়সের পুরুষ উট আছে; এমতাবস্থায় এটাই তার নিকট হতে গ্রহণ করতে হবে এবং এজন্য কাউকেও কিছু প্রদান করতে হবে না। অতঃপর যার উটের সংখ্যা মাত্র চারটি, তার উপর কোন যাকাত নাই, কিন্তু যদি তার মালিক ইচ্ছা করে তবে দিতে পারে।″
বকরী (ভেড়ার) যাকাতঃ চরণভূমিতে বিচরণকারী বকরীর সংখ্যা সংখ্যা যখন চল্লিশ হতে একশত বিশের মধ্যে হবে, তখন এর জন্য একটি বকরী যাকাত দিতে হবে। অতঃপর যখন এর সংখ্যা একশত বিশ হতে দুইশতের মধ্যে হবে তখন এর জন্য দুইটি বকরী প্রদান করতে হবে। যখন বকরী সংখ্যা দুইশত হতে তিন শতের মধ্যে হবে তখন এর জন্য তিনটি বকরী দিতে হবে। যখন তিন শতের অধিক হবে তখন প্রতি শতকের জন্য একটি বকরী প্রদান করতে হবে। যাকাত হিসাবে কোন ত্রুটিপূর্ণ বকরী অথবা বৃদ্ধ বকরী গ্রহণযোগ্য নয়। অনুরূপভাবে নর ছাগলও যাকাত হিসেবে দেয়া যাবে না, তবে যদি যাকাত আদায়কারী তা স্বেচ্ছায় গ্রহণ করবে।
যাকাত প্রদানের ভয়ে বিচ্ছিন্ন পশু একত্রিত এবং একত্রিত পশু বিচ্ছিন্ন করা যাবে না। দুই শরীকের উপর যা যাকাত ধার্য হল তা তারা পরস্পরের সম্পত্তির ভিত্তিতে সমানভাবে আদায় করবে। যদি কোন ব্যক্তির বকরীর সংখ্যা চল্লিশ না হয় তবে তার যাকাত দিতে হবে না। অবশ্য যদি এর মালিক স্বেচ্ছায় প্রদান করে তবে ভাল।
রৌপ্যের যাকাতের পরিমাণ হল উশরের চার ভাগের একভাগ (অর্থাৎ চল্লিশ ভাগের এক ভাগ)। যদি কারও নিকট একশত নব্বই দিরহামের অধিক না থাকে তবে তার উপর কোন যাকাত নাই, তবে এর মালিক স্বেচ্ছায় কিছু প্রদান করে তা স্বতন্ত্র কথা।
পঁচিশটির কম সংখ্যক উটে প্রতি পাঁচটি উটের যাকাত হল একটি বকরী। উটের সংখ্যা পঁচিশ হতে পঁয়ত্রিশের মধ্যে হলে এর যাকাত হবে একটি বিনতে মাখাদ, অর্থাৎ এক বছর বয়সের মাদী উট। পালে যদি এই বয়সের মাদী উট না থাকে তবে একটি ইবনে মাবূন (যার বয়স দুই বছর পূর্ণ হয়ে তিন বছরে পড়বে) প্রদান করবে। উটের সংখ্যা ছত্রিশ হতে পঁয়তাল্লিশের মধ্যে হলে এর জন্য একটি “বিনতে লাবূন” (দুই বছরের মাদী উট) যাকাত স্বরূপ আদায় করতে হবে। উটের সংখ্যা ছেচল্লিশ হতে ষাটের মধ্যে হলে এর জন্য একটি গর্ভ ধারণের উপযোগী চার বৎসর বয়সের মাদী উট প্রদান করতে হবে। উটের সংখ্যা একষট্টি হতে পঁচাত্তরের মধ্যে হলে পাঁচ বৎসর বয়সের একটি মাদী উট যাকাত স্বরূপ দিতে হবে। উটের সংখ্যা ছিয়াত্তর হতে নব্বইর মধ্যে হলে এর জন্য দুই বৎসর বয়সের দুটি মাদী উট প্রদান করতে হবে। উটের সংখ্যা একানব্বই হতে একশ বিশের মধ্যে হলে এর জন্য গর্ভ ধারণে সক্ষম দুইটি (চার বছর বয়সের) মাদী উট দিতে হবে। উটের সংখ্যা একশত বিশের অধিক হলে (অতিরিক্ত) প্রত্যেক চল্লিশ উটের জন্য একটি করে দুই বছর বয়সের মাদী উট দিতে হবে এবং প্রত্যেক পঞ্চাশ উটের জন্য একটি চার বছর বয়সের মাদী উট দিতে হবে।
যাকাত আদায়কালে নির্দিষ্ট বয়সের উট না থাকলে অর্থাৎ কারো উটের সংখ্যা পাঁচ বছরের একটি মাদী উট প্রদানের সম-পরিমাণ হল, অথচ তার নিকট পাঁচ বছরের মাদী উট নাই, কিন্তু চার বছরের মাদী উট আছে, তখন তার নিকট চার বছরের মাদী উট গ্রহণ করতে হবে এবং এর যাকাত প্রদাতা দুইটি বকরীও দেবে, যদি তা দেওয়া তার জন্য সহজ হয়, অন্যথায় বিশটি দিরহাম দিবে, অতঃপর যার উটের সংখ্যা চার বছরের মাদী উট প্রদানের সম-পরিমাণ হবে, কিন্তু তার নিকট চার বছর বয়সের মাদী উট নাই, অথচ পাঁচ বছর বয়সের মাদী উট আছে, এমতাবস্থায় তার নিকট হতে এটাই গ্রহণ করতে হবে এবং যাকাত উসুলকারী তাকে বিশটি দিরহাম বা দুইটি বকরী প্রদান করবে। অতঃপর যার উটের সংখ্যা চার বছর বয়সের মাদী মাদী উট প্রদানের সমান হবে, অথচ তার নিকট চার বছর বয়সের মাদী উট নাই; কিন্তু তার নিকট দুই বছরের মাদী উট আছে - এমতাবস্থায় এটাই তার নিকট হতে গ্রহণ করতে হবে।
ইমাম আবু দাউদ (রাহঃ) বলেন, এখান থেকে আমি রাবী মুসার নিকট থেকে প্রাপ্ত তথ্য আমার আশানুরূপ সঠিকভাবে স্মরণে রাখতে পারিনিঃ “এবং মালিক এর সাথে বিশটি দিরহাম বা দুইটি বকরী প্রদান করবে। অতঃপর যার উটের সংখ্যা দুই বছরের একটি মাদী উট প্রদানের সমপরিমাণ হবে অথচ তার নিকট চার বৎসর বয়সের মাদী উট আছে, এমতাবস্থায় এটাই তার নিকট হতে গ্রহণ করতে হবে।
ইমাম আবু দাউদ (রাহঃ) বলেন, এ পর্যন্ত (আমি সন্দিহান), অতঃপর (সামনের অংশ) উত্তমরূপে স্মরণ রেখেছিঃ “এবং যাকাত আদায়কারী ব্যক্তি মালিককে বিশ দিরহাম অথবা দুইটি বকরী প্রদান করবে। অতঃপর যার উটের সংখ্যা দুই বছর বয়সের একটি মাদী উট প্রদানের সমপরিমাণ হবে, অথচ তার নিকট মাত্র এক বছর বয়সের মাদী উট আছে, এমতাবস্থায় এটাই তার নিকট হতে গ্রহণ করতে হবে এবং এর সাথে দুটি বকরী অথবা বিশটি দিরহাম মালিকের নিকট হতে হবে। অতঃপর যার উটের যাকাত এক বছর বয়সের মাদী উট প্রদানে সমতুল্য হবে, অথচ তার নিকট এটা নাই; কিন্তু তার নিকট দুই বছর বয়সের পুরুষ উট আছে; এমতাবস্থায় এটাই তার নিকট হতে গ্রহণ করতে হবে এবং এজন্য কাউকেও কিছু প্রদান করতে হবে না। অতঃপর যার উটের সংখ্যা মাত্র চারটি, তার উপর কোন যাকাত নাই, কিন্তু যদি তার মালিক ইচ্ছা করে তবে দিতে পারে।″
বকরী (ভেড়ার) যাকাতঃ চরণভূমিতে বিচরণকারী বকরীর সংখ্যা সংখ্যা যখন চল্লিশ হতে একশত বিশের মধ্যে হবে, তখন এর জন্য একটি বকরী যাকাত দিতে হবে। অতঃপর যখন এর সংখ্যা একশত বিশ হতে দুইশতের মধ্যে হবে তখন এর জন্য দুইটি বকরী প্রদান করতে হবে। যখন বকরী সংখ্যা দুইশত হতে তিন শতের মধ্যে হবে তখন এর জন্য তিনটি বকরী দিতে হবে। যখন তিন শতের অধিক হবে তখন প্রতি শতকের জন্য একটি বকরী প্রদান করতে হবে। যাকাত হিসাবে কোন ত্রুটিপূর্ণ বকরী অথবা বৃদ্ধ বকরী গ্রহণযোগ্য নয়। অনুরূপভাবে নর ছাগলও যাকাত হিসেবে দেয়া যাবে না, তবে যদি যাকাত আদায়কারী তা স্বেচ্ছায় গ্রহণ করবে।
যাকাত প্রদানের ভয়ে বিচ্ছিন্ন পশু একত্রিত এবং একত্রিত পশু বিচ্ছিন্ন করা যাবে না। দুই শরীকের উপর যা যাকাত ধার্য হল তা তারা পরস্পরের সম্পত্তির ভিত্তিতে সমানভাবে আদায় করবে। যদি কোন ব্যক্তির বকরীর সংখ্যা চল্লিশ না হয় তবে তার যাকাত দিতে হবে না। অবশ্য যদি এর মালিক স্বেচ্ছায় প্রদান করে তবে ভাল।
রৌপ্যের যাকাতের পরিমাণ হল উশরের চার ভাগের একভাগ (অর্থাৎ চল্লিশ ভাগের এক ভাগ)। যদি কারও নিকট একশত নব্বই দিরহামের অধিক না থাকে তবে তার উপর কোন যাকাত নাই, তবে এর মালিক স্বেচ্ছায় কিছু প্রদান করে তা স্বতন্ত্র কথা।
باب فِي زَكَاةِ السَّائِمَةِ
حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، قَالَ أَخَذْتُ مِنْ ثُمَامَةَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَنَسٍ كِتَابًا زَعَمَ أَنَّ أَبَا بَكْرٍ، كَتَبَهُ لأَنَسٍ وَعَلَيْهِ خَاتَمُ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم حِينَ بَعَثَهُ مُصَدِّقًا وَكَتَبَهُ لَهُ فَإِذَا فِيهِ " هَذِهِ فَرِيضَةُ الصَّدَقَةِ الَّتِي فَرَضَهَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَلَى الْمُسْلِمِينَ الَّتِي أَمَرَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ بِهَا نَبِيَّهُ صلى الله عليه وسلم فَمَنْ سُئِلَهَا مِنَ الْمُسْلِمِينَ عَلَى وَجْهِهَا فَلْيُعْطِهَا وَمَنْ سُئِلَ فَوْقَهَا فَلاَ يُعْطِهِ فِيمَا دُونَ خَمْسٍ وَعِشْرِينَ مِنَ الإِبِلِ الْغَنَمُ فِي كُلِّ خَمْسِ ذَوْدٍ شَاةٌ . فَإِذَا بَلَغَتْ خَمْسًا وَعِشْرِينَ فَفِيهَا بِنْتُ مَخَاضٍ إِلَى أَنْ تَبْلُغَ خَمْسًا وَثَلاَثِينَ فَإِنْ لَمْ يَكُنْ فِيهَا بِنْتُ مَخَاضٍ فَابْنُ لَبُونٍ ذَكَرٌ فَإِذَا بَلَغَتْ سِتًّا وَثَلاَثِينَ فَفِيهَا بِنْتُ لَبُونٍ إِلَى خَمْسٍ وَأَرْبَعِينَ فَإِذَا بَلَغَتْ سِتًّا وَأَرْبَعِينَ فَفِيهَا حِقَّةٌ طَرُوقَةُ الْفَحْلِ إِلَى سِتِّينَ فَإِذَا بَلَغَتْ إِحْدَى وَسِتِّينَ فَفِيهَا جَذَعَةٌ إِلَى خَمْسٍ وَسَبْعِينَ فَإِذَا بَلَغَتْ سِتًّا وَسَبْعِينَ فَفِيهَا ابْنَتَا لَبُونٍ إِلَى تِسْعِينَ فَإِذَا بَلَغَتْ إِحْدَى وَتِسْعِينَ فَفِيهَا حِقَّتَانِ طَرُوقَتَا الْفَحْلِ إِلَى عِشْرِينَ وَمِائَةٍ فَإِذَا زَادَتْ عَلَى عِشْرِينَ وَمِائَةٍ فَفِي كُلِّ أَرْبَعِينَ بِنْتُ لَبُونٍ وَفِي كُلِّ خَمْسِينَ حِقَّةٌ فَإِذَا تَبَايَنَ أَسْنَانُ الإِبِلِ فِي فَرَائِضِ الصَّدَقَاتِ فَمَنْ بَلَغَتْ عِنْدَهُ صَدَقَةُ الْجَذَعَةِ وَلَيْسَتْ عِنْدَهُ جَذَعَةٌ وَعِنْدَهُ حِقَّةٌ فَإِنَّهَا تُقْبَلُ مِنْهُ وَأَنْ يَجْعَلَ مَعَهَا شَاتَيْنِ - إِنِ اسْتَيْسَرَتَا لَهُ - أَوْ عِشْرِينَ دِرْهَمًا وَمَنْ بَلَغَتْ عِنْدَهُ صَدَقَةُ الْحِقَّةِ وَلَيْسَتْ عِنْدَهُ حِقَّةٌ وَعِنْدَهُ جَذَعَةٌ فَإِنَّهَا تُقْبَلُ مِنْهُ وَيُعْطِيهِ الْمُصَدِّقُ عِشْرِينَ دِرْهَمًا أَوْ شَاتَيْنِ وَمَنْ بَلَغَتْ عِنْدَهُ صَدَقَةُ الْحِقَّةِ وَلَيْسَ عِنْدَهُ حِقَّةٌ وَعِنْدَهُ ابْنَةُ لَبُونٍ فَإِنَّهَا تُقْبَلُ مِنْهُ " . قَالَ أَبُو دَاوُدَ مِنْ هَا هُنَا لَمْ أَضْبِطْهُ عَنْ مُوسَى كَمَا أُحِبُّ " وَيَجْعَلُ مَعَهَا شَاتَيْنِ - إِنِ اسْتَيْسَرَتَا لَهُ - أَوْ عِشْرِينَ دِرْهَمًا وَمَنْ بَلَغَتْ عِنْدَهُ صَدَقَةُ بِنْتِ لَبُونٍ وَلَيْسَ عِنْدَهُ إِلاَّ حِقَّةٌ فَإِنَّهَا تُقْبَلُ مِنْهُ " . قَالَ أَبُو دَاوُدَ إِلَى هَا هُنَا ثُمَّ أَتْقَنْتُهُ " وَيُعْطِيهِ الْمُصَدِّقُ عِشْرِينَ دِرْهَمًا أَوْ شَاتَيْنِ وَمَنْ بَلَغَتْ عِنْدَهُ صَدَقَةُ ابْنَةِ لَبُونٍ وَلَيْسَ عِنْدَهُ إِلاَّ بِنْتُ مَخَاضٍ فَإِنَّهَا تُقْبَلُ مِنْهُ وَشَاتَيْنِ أَوْ عِشْرِينَ دِرْهَمًا وَمَنْ بَلَغَتْ عِنْدَهُ صَدَقَةُ ابْنَةِ مَخَاضٍ وَلَيْسَ عِنْدَهُ إِلاَّ ابْنُ لَبُونٍ ذَكَرٌ فَإِنَّهُ يُقْبَلُ مِنْهُ وَلَيْسَ مَعَهُ شَىْءٌ وَمَنْ لَمْ يَكُنْ عِنْدَهُ إِلاَّ أَرْبَعٌ فَلَيْسَ فِيهَا شَىْءٌ إِلاَّ أَنْ يَشَاءَ رَبُّهَا وَفِي سَائِمَةِ الْغَنَمِ إِذَا كَانَتْ أَرْبَعِينَ فَفِيهَا شَاةٌ إِلَى عِشْرِينَ وَمِائَةٍ فَإِذَا زَادَتْ عَلَى عِشْرِينَ وَمِائَةٍ فَفِيهَا شَاتَانِ إِلَى أَنْ تَبْلُغَ مِائَتَيْنِ فَإِذَا زَادَتْ عَلَى مِائَتَيْنِ فَفِيهَا ثَلاَثُ شِيَاهٍ إِلَى أَنْ تَبْلُغَ ثَلاَثَمِائَةٍ فَإِذَا زَادَتْ عَلَى ثَلاَثِمِائَةٍ فَفِي كُلِّ مِائَةِ شَاةٍ شَاةٌ وَلاَ يُؤْخَذُ فِي الصَّدَقَةِ هَرِمَةٌ وَلاَ ذَاتُ عَوَارٍ مِنَ الْغَنَمِ وَلاَ تَيْسُ الْغَنَمِ إِلاَّ أَنْ يَشَاءَ الْمُصَّدِّقُ وَلاَ يُجْمَعُ بَيْنَ مُفْتَرِقٍ وَلاَ يُفَرَّقُ بَيْنَ مُجْتَمِعٍ خَشْيَةَ الصَّدَقَةِ وَمَا كَانَ مِنْ خَلِيطَيْنِ فَإِنَّهُمَا يَتَرَاجَعَانِ بَيْنَهُمَا بِالسَّوِيَّةِ فَإِنْ لَمْ تَبْلُغْ سَائِمَةُ الرَّجُلِ أَرْبَعِينَ فَلَيْسَ فِيهَا شَىْءٌ إِلاَّ أَنْ يَشَاءَ رَبُّهَا وَفِي الرِّقَةِ رُبْعُ الْعُشْرِ فَإِنْ لَمْ يَكُنِ الْمَالُ إِلاَّ تِسْعِينَ وَمِائَةً فَلَيْسَ فِيهَا شَىْءٌ إِلاَّ أَنْ يَشَاءَ رَبُّهَا " .
