কিতাবুস সুনান - ইমাম আবু দাউদ রহঃ
২. নামাযের অধ্যায়
হাদীস নং: ১১৮৪
আন্তর্জাতিক নং: ১১৮৪
২৬৭. (কুসুফের নামাযের) দুই রাকআতে চারটি রুকু সম্পর্কে।
১১৮৪. আহমাদ ইবনে ইউনুস (রাহঃ) ..... বসরার অধিবাসী সালাবা ইবনে আব্বাদ আল-আব্দি (রাহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি একদিন সামুরা ইবনে জুন্দুব (রাযিঃ) এর ভাষণ শুনেছিলেন। তিনি বলেন, সামুরা ইবনে জুন্দুব (রাযিঃ) বলেন, আমি এবং একজন আনসার যুবক নির্ধারিত স্থানে তীর চালনা করছিলাম। এসময় সূর্য যখন দুই তিন তীর পরিমাণ উপরে উঠেছিল, তখন তা দর্শকের চোখে তানুমা ঘাসের ন্যায় বিবর্ণ হয়ে যায়। তখন আমরা পরস্পরকে বলি, চল আমরা মসজিদে যাই। আল্লাহর শপথ! সূর্যের এই কাল হওয়াটা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর উম্মতের উপর কোন বিপদ সংগঠিত হতে যাচ্ছে।
রাবী বলেন, আমরা সেখানে উপস্থিত হয়ে দেখতে পাই যে, তিনি বের হয়ে আসছেন। তিনি ইমামতির স্থানে দাঁড়িয়ে নামায শুরু করেন এবং আমরাও তাঁর সাথে শরীক হই। তিনি উক্ত নামাযে এত দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকেন যে, ইতিপূর্বে কোন নামাযে এত দীর্ঘসময় দাঁড়িয়ে থাকেন নি। আমরা তাঁর কিরাত পাঠের কোন শব্দ শুনি নাই। রাবী বলেন, অতঃপর তিনি রুকুতেও এত দীর্ঘ সময় অতিবাহিত করেন যে ইতিপূর্বে কখনও এরূপ করেন নি। এসময়ও আমরা কোন শব্দ শুনি নাই। অতঃপর তিনি সিজদায় গিয়ে এত দীর্ঘ সময় অতিবাহিত করেন যা ইতিপূর্বের কোন সিজদায় করেন নি এবং এসময়ও আমরা তাঁর কোন শব্দ শুনি নাই। অতঃপর তিনি নামাযের দ্বিতীয় রাকআতও অনুরূপ ভাবে আদায় করেন।
রাবী বলেন, তিনি দ্বিতীয় রাকআতের বৈঠকে থাকাকালীন সূর্য রাহুমক্ত হয়। অতঃপর তিনি সালাম ফিরিয়ে দণ্ডায়মান হয়ে আল্লাহর প্রশংসায় বলেন, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে আল্লাহ ছাড়া আর কোন ইলাহ নাই এবং আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আমি তাঁর বান্দা ও রাসুল। অতঃপর আহমাদ ইবনে ইউনুস (রাহঃ) মহানবী (ﷺ) এর ভাষণের বর্ণনা দেন।
রাবী বলেন, আমরা সেখানে উপস্থিত হয়ে দেখতে পাই যে, তিনি বের হয়ে আসছেন। তিনি ইমামতির স্থানে দাঁড়িয়ে নামায শুরু করেন এবং আমরাও তাঁর সাথে শরীক হই। তিনি উক্ত নামাযে এত দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকেন যে, ইতিপূর্বে কোন নামাযে এত দীর্ঘসময় দাঁড়িয়ে থাকেন নি। আমরা তাঁর কিরাত পাঠের কোন শব্দ শুনি নাই। রাবী বলেন, অতঃপর তিনি রুকুতেও এত দীর্ঘ সময় অতিবাহিত করেন যে ইতিপূর্বে কখনও এরূপ করেন নি। এসময়ও আমরা কোন শব্দ শুনি নাই। অতঃপর তিনি সিজদায় গিয়ে এত দীর্ঘ সময় অতিবাহিত করেন যা ইতিপূর্বের কোন সিজদায় করেন নি এবং এসময়ও আমরা তাঁর কোন শব্দ শুনি নাই। অতঃপর তিনি নামাযের দ্বিতীয় রাকআতও অনুরূপ ভাবে আদায় করেন।
রাবী বলেন, তিনি দ্বিতীয় রাকআতের বৈঠকে থাকাকালীন সূর্য রাহুমক্ত হয়। অতঃপর তিনি সালাম ফিরিয়ে দণ্ডায়মান হয়ে আল্লাহর প্রশংসায় বলেন, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে আল্লাহ ছাড়া আর কোন ইলাহ নাই এবং আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আমি তাঁর বান্দা ও রাসুল। অতঃপর আহমাদ ইবনে ইউনুস (রাহঃ) মহানবী (ﷺ) এর ভাষণের বর্ণনা দেন।
باب مَنْ قَالَ أَرْبَعُ رَكَعَاتٍ
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ يُونُسَ، حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ، حَدَّثَنَا الأَسْوَدُ بْنُ قَيْسٍ، حَدَّثَنِي ثَعْلَبَةُ بْنُ عِبَادٍ الْعَبْدِيُّ، مِنْ أَهْلِ الْبَصْرَةِ أَنَّهُ شَهِدَ خُطْبَةً يَوْمًا لِسَمُرَةَ بْنِ جُنْدُبٍ قَالَ قَالَ سَمُرَةُ بَيْنَمَا أَنَا وَغُلاَمٌ مِنَ الأَنْصَارِ نَرْمِي غَرَضَيْنِ لَنَا حَتَّى إِذَا كَانَتِ الشَّمْسُ قِيدَ رُمْحَيْنِ أَوْ ثَلاَثَةٍ فِي عَيْنِ النَّاظِرِ مِنَ الأُفُقِ اسْوَدَّتْ حَتَّى آضَتْ كَأَنَّهَا تَنُّومَةٌ فَقَالَ أَحَدُنَا لِصَاحِبِهِ انْطَلِقْ بِنَا إِلَى الْمَسْجِدِ فَوَاللَّهِ لَيُحْدِثَنَّ شَأْنُ هَذِهِ الشَّمْسِ لِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي أُمَّتِهِ حَدَثًا قَالَ فَدَفَعْنَا فَإِذَا هُوَ بَارِزٌ فَاسْتَقْدَمَ فَصَلَّى فَقَامَ بِنَا كَأَطْوَلِ مَا قَامَ بِنَا فِي صَلاَةٍ قَطُّ لاَ نَسْمَعُ لَهُ صَوْتًا قَالَ ثُمَّ رَكَعَ بِنَا كَأَطْوَلِ مَا رَكَعَ بِنَا فِي صَلاَةٍ قَطُّ لاَ نَسْمَعُ لَهُ صَوْتًا ثُمَّ سَجَدَ بِنَا كَأَطْوَلِ مَا سَجَدَ بِنَا فِي صَلاَةٍ قَطُّ لاَ نَسْمَعُ لَهُ صَوْتًا . ثُمَّ فَعَلَ فِي الرَّكْعَةِ الأُخْرَى مِثْلَ ذَلِكَ قَالَ فَوَافَقَ تَجَلِّي الشَّمْسِ جُلُوسَهُ فِي الرَّكْعَةِ الثَّانِيَةِ قَالَ ثُمَّ سَلَّمَ ثُمَّ قَامَ فَحَمِدَ اللَّهَ وَأَثْنَى عَلَيْهِ وَشَهِدَ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَشَهِدَ أَنَّهُ عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ ثُمَّ سَاقَ أَحْمَدُ بْنُ يُونُسَ خُطْبَةَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم .
