কিতাবুস সুনান - ইমাম আবু দাউদ রহঃ
২. নামাযের অধ্যায়
হাদীস নং: ১১৪১
আন্তর্জাতিক নং: ১১৪১
নামাযের অধ্যায়
২৫৪. ঈদের দিনের খুতবা (ভাষণ)।
১১৪১. আহমদ ইবনে হাম্বল (রাহঃ) ...... জাবের ইবনে আব্দুল্লাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী করীম (ﷺ) ঈদুল ফিতরের দিনে খুতবার পূর্বে নামায আদায় করেন। অতঃপর তিনি খুতবা দেন। খুতবা শেষ করার পর নবী করীম (ﷺ) মহিলাদের নিকট যান এবং তাদের উপদেশ দান করেন। এ সময় তিনি বিলাল (রাযিঃ)-এর হাতের উপর ভর করেছিলেন এবং বিলাল (রাযিঃ) তার কাপড় বিছিয়ে দিয়েছিলেন, যার মধ্যে মহিলারা দান-সাদ্কাহ নিক্ষেপ করেন।
রাবী বলেন, এ সময় মহিলারা নিজেদের গহনাপত্রও সেখানে দান করছিলেন এবং এ ব্যাপারে বারংবার উৎসাহিত করা হচ্ছিল।
রাবী বলেন, এ সময় মহিলারা নিজেদের গহনাপত্রও সেখানে দান করছিলেন এবং এ ব্যাপারে বারংবার উৎসাহিত করা হচ্ছিল।
كتاب الصلاة
باب الْخُطْبَةِ يَوْمَ الْعِيدِ
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، وَمُحَمَّدُ بْنُ بَكْرٍ، قَالاَ أَخْبَرَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، أَخْبَرَنِي عَطَاءٌ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ سَمِعْتُهُ يَقُولُ إِنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَامَ يَوْمَ الْفِطْرِ فَصَلَّى فَبَدَأَ بِالصَّلاَةِ قَبْلَ الْخُطْبَةِ ثُمَّ خَطَبَ النَّاسَ فَلَمَّا فَرَغَ نَبِيُّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم نَزَلَ فَأَتَى النِّسَاءَ فَذَكَّرَهُنَّ وَهُوَ يَتَوَكَّأُ عَلَى يَدِ بِلاَلٍ وَبِلاَلٌ بَاسِطٌ ثَوْبَهُ تُلْقِي فِيهِ النِّسَاءُ الصَّدَقَةَ قَالَ تُلْقِي الْمَرْأَةُ فَتَخَهَا وَيُلْقِينَ وَيُلْقِينَ وَقَالَ ابْنُ بَكْرٍ فَتَخَتَهَا .
হাদীসের ব্যাখ্যা:
এই হাদীসে ঈদের খুতবায় পুরুষের পাশাপাশি নারীদেরও পৃথকভাবে সম্বোধন করার বিষয় উল্লিখিত হয়েছে। হযরত আবদুল্লাহ্ ইবনে আববাস (রা) থেকে বর্ণিত সহীহ্ মুসলিমের এক হাদীস সূত্রে জানা যায় যে, নবী কারীম ﷺ খেয়াল করেছিলেন যে, নারীরা খুতবা শুনতে পায়নি (তাই তিনি পৃথকভাবে তাদের নসীহত করেন)।
জ্ঞাতব্যঃ রাসূলুল্লাহ ﷺ এর যুগে দুই ঈদের সালাতে সাধারণভাবে মহিলারা অংশ নিত। বরং বলা যায়, এ বিষয়ে তাঁর নির্দেশও ছিল। কিন্তু সময়ের বিবর্তনে এবং মুসলমানদের মধ্যে ফিতনা ফাসাদ দেখা দেওয়ায় ফিকহবিদ বিশেষজ্ঞ আলিমগণ যেমন জুমু'আ ও পাঁচ ওয়াক্তের সালাতে মহিলাদের জামা'আতে অংশগ্রহণ করাকে অসমীচীন মনে করেন, অনুরূপভাবে দুই ঈদের সালাতের ক্ষেত্রেও তাদের ঈদগাহে যাওয়া তারা অসমীচীন মনে করেন।
জ্ঞাতব্যঃ রাসূলুল্লাহ ﷺ এর যুগে দুই ঈদের সালাতে সাধারণভাবে মহিলারা অংশ নিত। বরং বলা যায়, এ বিষয়ে তাঁর নির্দেশও ছিল। কিন্তু সময়ের বিবর্তনে এবং মুসলমানদের মধ্যে ফিতনা ফাসাদ দেখা দেওয়ায় ফিকহবিদ বিশেষজ্ঞ আলিমগণ যেমন জুমু'আ ও পাঁচ ওয়াক্তের সালাতে মহিলাদের জামা'আতে অংশগ্রহণ করাকে অসমীচীন মনে করেন, অনুরূপভাবে দুই ঈদের সালাতের ক্ষেত্রেও তাদের ঈদগাহে যাওয়া তারা অসমীচীন মনে করেন।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)