কিতাবুস সুনান - ইমাম আবু দাউদ রহঃ
২. নামাযের অধ্যায়
হাদীস নং: ৭৪১
আন্তর্জাতিক নং: ৭৪১
নামাযের অধ্যায়
১২৩. নামায শুরু করার বর্ণনা।
৭৪১. নসর ইবনে আলী ..... নাফে (রাহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইবনে উমর (রাযিঃ) যখন নামাযে দাঁড়াতেন তখন তিনি তাকবীর বলে দুই হাত উপরের দিকে উঠাতেন। অতঃপর তিনি রুকূ হতে মাথা তোলার সময় “সামিআল্লাহু লিমান হামিদাহ” বলতেন। অতঃপর তিনি দুই রাকআত নামায শেষ করার পর যখন দাঁড়াতেন তখন তিনি উভয় হাত উত্তোলন করতেন এবং এই বর্ণনা সূত্র রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) পর্যন্ত পৌছেছেন (অর্থাৎ হাদীসটি মারফু)।
كتاب الصلاة
باب افْتِتَاحِ الصَّلاَةِ
حَدَّثَنَا نَصْرُ بْنُ عَلِيٍّ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ الأَعْلَى، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّهُ كَانَ إِذَا دَخَلَ فِي الصَّلاَةِ كَبَّرَ وَرَفَعَ يَدَيْهِ وَإِذَا رَكَعَ وَإِذَا قَالَ سَمِعَ اللَّهُ لِمَنْ حَمِدَهُ وَإِذَا قَامَ مِنَ الرَّكْعَتَيْنِ رَفَعَ يَدَيْهِ وَيَرْفَعُ ذَلِكَ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم . قَالَ أَبُو دَاوُدَ الصَّحِيحُ قَوْلُ ابْنِ عُمَرَ وَلَيْسَ بِمَرْفُوعٍ . قَالَ أَبُو دَاوُدَ رَوَى بَقِيَّةُ أَوَّلَهُ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ وَأَسْنَدَهُ وَرَوَاهُ الثَّقَفِيُّ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ أَوْقَفَهُ عَلَى ابْنِ عُمَرَ وَقَالَ فِيهِ وَإِذَا قَامَ مِنَ الرَّكْعَتَيْنِ يَرْفَعُهُمَا إِلَى ثَدْيَيْهِ وَهَذَا هُوَ الصَّحِيحُ . قال أَبُو دَاوُدَ وَرَوَاهُ اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ وَمَالِكٌ وَأَيُّوبُ وَابْنُ جُرَيْجٍ مَوْقُوفًا وَأَسْنَدَهُ حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ وَحْدَهُ عَنْ أَيُّوبَ وَلَمْ يَذْكُرْ أَيُّوبُ وَمَالِكٌ الرَّفْعَ إِذَا قَامَ مِنَ السَّجْدَتَيْنِ وَذَكَرَهُ اللَّيْثُ فِي حَدِيثِهِ قَالَ ابْنُ جُرَيْجٍ فِيهِ قُلْتُ لِنَافِعٍ أَكَانَ ابْنُ عُمَرَ يَجْعَلُ الأُولَى أَرْفَعَهُنَّ قَالَ لاَ سَوَاءً . قُلْتُ أَشِرْ لِي . فَأَشَارَ إِلَى الثَّدْيَيْنِ أَوْ أَسْفَلَ مِنْ ذَلِكَ .
হাদীসের তাখরীজ (সূত্র):
ইমাম আবু দাউদ (রাহঃ) বলেন, সত্য বর্ণনা এই যে, হাদীছটি ইবনে উমর (রাযিঃ) এর বক্তব্য, মারফু হাদীছ নয়। ইমাম আবু দাউদ (রাহঃ) আরো বলেন, প্রথম হাদীছে দুই রাকাত নামায আদায়ের পর দাঁড়ানোর সময় হাত উঠানো সম্পর্কে যা বর্ণিত হয়েছে- তা রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) হতে বর্ণিত নয়। ছাকাফী উবাইদুল্লাহ হতে বর্ণনা করেছেন এবং এই বর্ণনাসূত্র ইবনে উমর (রাযিঃ) পর্যন্ত পৌছেছে এবং এখানে এরূপ উল্লেখ হয়েছে যে, যখন তিনি দুই রাকাত নামায সমাপ্তির পর দণ্ডায়মান হতেন, তখন উভয় হাত বক্ষ পর্যন্ত উত্তোলন করতেন এবং এই রিওয়ায়াত সহীহ।
ইমাম আবু দাউদ (রাহঃ) আরো বলেন, লাইছ, মালিক, আইউব ও ইবনে জুরায়েজ প্রমুখ রাবীগণ এই হাদীছের বর্ণনা সূত্র সাহাবী পর্যন্ত পৌছিয়েছেন। হাম্মাদ একাই এই হাদীছকে মারফু হাদীছ হিসাবে বর্ণনা করেছেন। রাবী ইবনে জুরায়েজ বলেন, আমি নাফেকে জিজ্ঞাসা করি যে, ইবনে উমর (রাযিঃ) তাকবীরে তাহ্রীমা বলার সময় কি তাঁর হাত অন্য সময়ের চাইতে অধিক উত্তোলন করতেন? তিনি বলেন, না; বরং সব সময়ই তিনি একইরূপে হাত উঠাতেন। আমি বলি আমাকে ইশারাপূর্বক দেখান। তিনি স্বীয় বক্ষদেশ বা তার চাইতে কিছু নীচে পর্যন্ত ইশারা করে দেখান।
ইমাম আবু দাউদ (রাহঃ) আরো বলেন, লাইছ, মালিক, আইউব ও ইবনে জুরায়েজ প্রমুখ রাবীগণ এই হাদীছের বর্ণনা সূত্র সাহাবী পর্যন্ত পৌছিয়েছেন। হাম্মাদ একাই এই হাদীছকে মারফু হাদীছ হিসাবে বর্ণনা করেছেন। রাবী ইবনে জুরায়েজ বলেন, আমি নাফেকে জিজ্ঞাসা করি যে, ইবনে উমর (রাযিঃ) তাকবীরে তাহ্রীমা বলার সময় কি তাঁর হাত অন্য সময়ের চাইতে অধিক উত্তোলন করতেন? তিনি বলেন, না; বরং সব সময়ই তিনি একইরূপে হাত উঠাতেন। আমি বলি আমাকে ইশারাপূর্বক দেখান। তিনি স্বীয় বক্ষদেশ বা তার চাইতে কিছু নীচে পর্যন্ত ইশারা করে দেখান।