আল মুসনাদুস সহীহ- ইমাম মুসলিম রহঃ
৫১- যিকর, দুআ, তাওবা ও ইসতিগফারের অধ্যায়
হাদীস নং: ৬৬১৮
আন্তর্জাতিক নং: ২৭০৪-৩
- যিকর, দুআ, তাওবা ও ইসতিগফারের অধ্যায়
১৪. আস্তে যিক্র করা মুস্তাহাব
৬৬১৮। আবু কামিল, ফূযায়ল ইবনে হুসাইন (রাহঃ) ......... আবু মুসা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তারা (সাহাবীগণ) রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর সঙ্গে ছিলেন এবং তারা তখন একটি পার্বত্য ঘাঁটিতে (মোড়ে) আরোহণ করছিলেন। তিনি বলেন, এক ব্যক্তি যখনই কোন টিলার উপর উঠত তখন উচ্চস্বরে لاَ إِلَهَ إِلاَ اللَّهُ وَاللَّهُ أَكْبَرُ ’আল্লাহ ব্যতীত কোন ইলাহ নেই এবং আল্লাহ মহান’ বলত। তিনি (রাবী) বলেন, তখন নবী (ﷺ) বললেনঃ তোমরা তো নিশ্চয়ই কোন বধির কিংবা অনুপস্থিত সত্তাকে ডাকছ না। তিনি বলেন, এরপর নবী (ﷺ) বললেনঃ হে আব্দুল্লাহ ইবনে কায়স! আমি কি তোমাকে একটি কালেমা বাতলে দেব, যা জান্নাতের ভাণ্ডার (তুল্য)। আমি বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! সেটা কি? তিনি বললেনঃ لاَ حَوْلَ وَلاَ قُوَّةَ إِلاَّ بِاللَّهِ ’আল্লাহর সাহায্য ব্যতীত কারো ভাল কাজ করার এবং মন্দ কাজ থেকে ফিরে থাকার সাধ্য নেই।’
كتاب الذكر والدعاء والتوبة والاستغفار
باب اسْتِحْبَابِ خَفْضِ الصَّوْتِ بِالذِّكْرِ
حَدَّثَنَا أَبُو كَامِلٍ، فُضَيْلُ بْنُ حُسَيْنٍ حَدَّثَنَا يَزِيدُ، - يَعْنِي ابْنَ زُرَيْعٍ - حَدَّثَنَا التَّيْمِيُّ، عَنْ أَبِي عُثْمَانَ، عَنْ أَبِي مُوسَى، أَنَّهُمْ كَانُوا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَهُمْ يَصْعَدُونَ فِي ثَنِيَّةٍ - قَالَ - فَجَعَلَ رَجُلٌ كُلَّمَا عَلاَ ثَنِيَّةً نَادَى لاَ إِلَهَ إِلاَ اللَّهُ وَاللَّهُ أَكْبَرُ - قَالَ - فَقَالَ نَبِيُّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِنَّكُمْ لاَ تُنَادُونَ أَصَمَّ وَلاَ غَائِبًا " . قَالَ فَقَالَ " يَا أَبَا مُوسَى - أَوْ يَا عَبْدَ اللَّهِ بْنَ قَيْسٍ - أَلاَ أَدُلُّكَ عَلَى كَلِمَةٍ مِنْ كَنْزِ الْجَنَّةِ " . قُلْتُ مَا هِيَ يَا رَسُولَ اللَّهِ قَالَ " لاَ حَوْلَ وَلاَ قُوَّةَ إِلاَّ بِاللَّهِ " .
হাদীসের ব্যাখ্যা:
এ কালিমার জান্নাতের সম্পদভাণ্ডারের সম্পদস্বরূপ হওয়ার মর্ম এ হতে পারে যে, যে ব্যক্তি খালিস অন্তরে এ কালিমা পাঠ করবে, তার জন্যে এ কালিমার বিনিময়ে জান্নাতে অনন্ত ভাণ্ডার সঞ্চিত রাখা হবে, যদ্বারা সে পরকালে ঠিক তেমনিভাবে উপকৃত হতে পারবে, যেমনটি এ পৃথিবীতে মানুষ তার সম্পদ ভাণ্ডার থেকে উপকৃত হয়ে থাকে।
এও বলা যায় যে, হুযুর ﷺ এ শব্দটির দ্বারা এ কালিমার মাহাত্ম্য বুঝাতে চেয়েছেন। অর্থাৎ এটা হচ্ছে জান্নাতের রত্নভাণ্ডারের এক অমূল্য রত্ন। কোন বস্তুর অধিক মূল্য বুঝাবার জন্যে এ শব্দচয়ন হতে পারে।
লা-হাওলা ওলা কুওয়াতা ইল্লাবিল্লাহ-এর অর্থ হচ্ছে এই যে, কোন কাজের জন্যে সাধ্য-সাধনা করা ও প্রচেষ্টা চালানোর শক্তি আল্লাহই দান করেন, বান্দা নিজে কিছুই করতে পারে না।
এ অর্থের কাছাকাছি দ্বিতীয় আরেকটি অর্থ এও বলা হয়ে থাকে যে, গুনাহ থেকে বিরত থাকা এবং আল্লাহর আদেশ পালন করা তাঁর দেয়া তাওফীক ছাড়া বান্দার সাধ্যের অতীত।
এও বলা যায় যে, হুযুর ﷺ এ শব্দটির দ্বারা এ কালিমার মাহাত্ম্য বুঝাতে চেয়েছেন। অর্থাৎ এটা হচ্ছে জান্নাতের রত্নভাণ্ডারের এক অমূল্য রত্ন। কোন বস্তুর অধিক মূল্য বুঝাবার জন্যে এ শব্দচয়ন হতে পারে।
লা-হাওলা ওলা কুওয়াতা ইল্লাবিল্লাহ-এর অর্থ হচ্ছে এই যে, কোন কাজের জন্যে সাধ্য-সাধনা করা ও প্রচেষ্টা চালানোর শক্তি আল্লাহই দান করেন, বান্দা নিজে কিছুই করতে পারে না।
এ অর্থের কাছাকাছি দ্বিতীয় আরেকটি অর্থ এও বলা হয়ে থাকে যে, গুনাহ থেকে বিরত থাকা এবং আল্লাহর আদেশ পালন করা তাঁর দেয়া তাওফীক ছাড়া বান্দার সাধ্যের অতীত।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)
বর্ণনাকারী: