আল মুসনাদুস সহীহ- ইমাম মুসলিম রহঃ

৪৭- সাহাবায়ে কিরামের রাঃ মানাকিব ও ফাযায়েল

হাদীস নং: ৬২৫৩
আন্তর্জাতিক নং: ২৫৩৮-৪
- সাহাবায়ে কিরামের রাঃ মানাকিব ও ফাযায়েল
৫৩. নবী (ﷺ) এর বাণীঃ একশ’ বছরের মাথায় বর্তমান কোন ব্যক্তি ভূপৃষ্ঠে জীবিত থাকবে না
৬২৫৩। আবু বকর ইবনে আবি শাঈবা (রাহঃ) ......... সুলাইমান তাইমী (রাহঃ) সূত্রে দুই সনদে তাঁর অনুরূপ বর্ণনা করেন।
كتاب فضائل الصحابة رضى الله تعالى عنهم
باب قَوْلِهِ صلى الله عليه وسلم " لاَ تَأْتِي مِائَةُ سَنَةٍ وَعَلَى الأَرْضِ نَفْسٌ مَنْفُوسَةٌ الْيَوْ
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، أَخْبَرَنَا سُلَيْمَانُ التَّيْمِيُّ، بِالإِسْنَادَيْنِ جَمِيعًا . مِثْلَهُ .

হাদীসের ব্যাখ্যা:

কুরআন এবং হাদীস শরীফ থেকে অবগত হওয়া যায় যে, কিয়ামত কখন অনুষ্ঠিত হবে সে সম্পর্কে অনেক লোক রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে প্রশ্ন করত। তিনি সকল প্রশ্নকারীকে যে জবাব দিতেন তা আলোচ্য হাদীসে উল্লিখিত হয়েছে কিয়ামতের নির্ধারিত সময় সম্পর্কে জ্ঞান একমাত্র আল্লাহ্ তা'আলারই রয়েছে। অর্থাৎ একমাত্র তিনি জানেন কোন সালের কোন মাসের কোন তারিখ তা সংঘঠিত হবে। এ জ্ঞান তিনি অন্য কাউকেও দেননি। এ প্রশ্নের জবাব ছাড়াও রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আরও একটা বিষয় বর্ণনা করেছেন যে, তখন যত লোক দুনিয়াতে ছিল একশত বছরের মধ্যে তাদের সকলের মৃত্যু হবে। তিনি একথা বলতে চেয়েছেন যে, কিয়ামতের জ্ঞান তাঁর নেই কিন্তু আল্লাহ তা'আলা তাঁকে একথা অবহিত করেছেন যে, মানুষের এ নসল এবং যুগ একশত বছরের মধ্যে অবসান হবে। এবং তখন যারা জীবিত তারা একশত বছরের মধ্যে মৃত্যুবরণ করবে। অর্থাৎ তাঁদের কিয়ামত একশত বছরের মধ্যেই শুরু হবে।

বিঃ দ্রঃ কিয়ামত কখন সংঘটিত হবে সে জ্ঞানের অধিকারী একমাত্র আল্লাহ। কিয়ামত দূরবর্তী না সন্নিকটবর্তী এ নিয়ে মাথা ঘামান উচিত নয়। প্রত্যেক ব্যক্তির একথা চিন্তা করা উচিত যে, সে কিয়ামতের জন্য কি পাথেয় সঞ্চয় করেছে। কারণ জীবন-মৃত্যুর সীমান্ত অতিক্রম করার সাথে সাথে মানুষ কিয়ামতের প্রথম মনযিলে পদার্পণ করে। বারযাখের জীবন কিয়ামতের আখেরী মনযিলের সাথে অবিচ্ছেদ্যভাবে সংযুক্ত।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)
tahqiqতাহকীক:বিশুদ্ধ (পারিভাষিক সহীহ)