আল মুসনাদুস সহীহ- ইমাম মুসলিম রহঃ
৪৭- সাহাবায়ে কিরামের রাঃ মানাকিব ও ফাযায়েল
হাদীস নং: ৬০১৫
আন্তর্জাতিক নং: ২৪১১-১
- সাহাবায়ে কিরামের রাঃ মানাকিব ও ফাযায়েল
৫. সা’দ ইবনে আবু ওয়াক্কাস (রাযিঃ) এর ফযীলত
৬০১৫। মানসুর ইবনে আবু মুযাহিম (রাহঃ) ......... আলী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, সা’দ ইবনে মালিক (রাযিঃ) ছাড়া আর কারো জন্য রাসূলুল্লাহ (ﷺ) নিজের মাতাপিতা উভয়ের (উৎসর্গীকরণের) উল্লেখ এক সাথে করেন নি। উহুদ যুদ্ধের দিন তিনি সা’দকে বলেছিলেন, তীর নিক্ষেপ কর সা’দ! আমার মা-বাবা তোমার জন্য উৎসর্গ হোন।
كتاب فضائل الصحابة رضى الله تعالى عنهم
باب فِي فَضْلِ سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ رضى الله عنه
حَدَّثَنَا مَنْصُورُ بْنُ أَبِي مُزَاحِمٍ، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ، - يَعْنِي ابْنَ سَعْدٍ - عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ شَدَّادٍ، قَالَ سَمِعْتُ عَلِيًّا، يَقُولُ مَا جَمَعَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَبَوَيْهِ لأَحَدٍ غَيْرَ سَعْدِ بْنِ مَالِكٍ فَإِنَّهُ جَعَلَ يَقُولُ لَهُ يَوْمَ أُحُدٍ " ارْمِ فِدَاكَ أَبِي وَأُمِّي " .
হাদীসের ব্যাখ্যা:
উহুদ যুদ্ধে সাহাবায়ে কেরামের মধ্য থেকে যারা আল্লাহ্ তা'আলার তাওফীকে সম্পূর্ণ দৃঢ়পদ ছিলেন, তাদের মধ্যে হযরত সা'দ ইবনে আবী ওয়াক্কাসও অন্যতম ছিলেন। তিনি তীরান্দাজীতে অত্যন্ত সুকৌশলী ও অভিজ্ঞ ছিলেন। তিনি যুদ্ধের ময়দানে হুযুর (ﷺ)-এর কাছেই ছিলেন। তীরের পর তীর চালিয়ে যাচ্ছিলেন। এ সময় হুযুর (ﷺ) বলেছিলেন: يا سَعْدُ ارْمِ, فِدَاكَ أَبِي وَأُمِّي (হে সা'দ! তোমার উপর আমার মাতা-পিতা কোরবান হোন। এভাবেই তীর চালিয়ে যাও।)
হুযুর (ﷺ)-এর পক্ষ থেকে এটা কেবল সাহস যোগানোই ছিল না; বরং অতি উত্তম শব্দ মালায় নিজের চরম আন্তরিক খুশি ও সন্তুষ্টির প্রকাশও ছিল। শরহুস সুন্নাহ কিতাবে স্বয়ং হযরত সা'দ ইবনে আবী ওয়াক্কাসের বর্ণনা রয়েছে যে, উহুদের যুদ্ধের দিন হুযুর (ﷺ) তাঁর জন্য এ দু‘আও করেছিলেন: اللهم سدد رميته وأجب دعوته (হে আল্লাহ! তুমি সাদের তীরান্দাজীতে শক্তি যোগাও এবং তাঁর দু‘আ কবুল করে নাও।)
তিরমিযী শরীফে হযরত সা'দ রাযি.-এরই বর্ণনায় হুযুর (ﷺ) এর দু‘আর এ শব্দমালা উল্লেখ করা হয়েছে: اللهم استجب لسعد إذا دعاك হে আল্লাহ! সা'দ যখন তোমার নিকট কোন দু‘আ করে, তখন তা তুমি কবুল করে নিয়ো।)
হুযুর (ﷺ)-এর এ দু‘আর ফল এই ছিল যে, হযরত সা'দ যে দু‘আ করতেন তা সাধারণত কবুল হয়েই যেত। এ জন্য লোকেরা তাঁর কাছ থেকে দু‘আ নিত এবং তাঁর বদ দু‘আকে খুব ভয় করত।
হুযুর (ﷺ)-এর পক্ষ থেকে এটা কেবল সাহস যোগানোই ছিল না; বরং অতি উত্তম শব্দ মালায় নিজের চরম আন্তরিক খুশি ও সন্তুষ্টির প্রকাশও ছিল। শরহুস সুন্নাহ কিতাবে স্বয়ং হযরত সা'দ ইবনে আবী ওয়াক্কাসের বর্ণনা রয়েছে যে, উহুদের যুদ্ধের দিন হুযুর (ﷺ) তাঁর জন্য এ দু‘আও করেছিলেন: اللهم سدد رميته وأجب دعوته (হে আল্লাহ! তুমি সাদের তীরান্দাজীতে শক্তি যোগাও এবং তাঁর দু‘আ কবুল করে নাও।)
তিরমিযী শরীফে হযরত সা'দ রাযি.-এরই বর্ণনায় হুযুর (ﷺ) এর দু‘আর এ শব্দমালা উল্লেখ করা হয়েছে: اللهم استجب لسعد إذا دعاك হে আল্লাহ! সা'দ যখন তোমার নিকট কোন দু‘আ করে, তখন তা তুমি কবুল করে নিয়ো।)
হুযুর (ﷺ)-এর এ দু‘আর ফল এই ছিল যে, হযরত সা'দ যে দু‘আ করতেন তা সাধারণত কবুল হয়েই যেত। এ জন্য লোকেরা তাঁর কাছ থেকে দু‘আ নিত এবং তাঁর বদ দু‘আকে খুব ভয় করত।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)