আল মুসনাদুস সহীহ- ইমাম মুসলিম রহঃ

৪৭- সাহাবায়ে কিরামের রাঃ মানাকিব ও ফাযায়েল

হাদীস নং: ৫৯৮৮
আন্তর্জাতিক নং: ২৩৯৮-২
- সাহাবায়ে কিরামের রাঃ মানাকিব ও ফাযায়েল
২. উমর (রাযিঃ) এর ফযীলত
৫৯৮৮। কুতায়বা ইবনে সাঈদ, আমর আন-নাকিদ ও যুহাইর ইবনে হারব (রাহঃ) ......... সা’দ ইবনে ইবরাহীম (রাহঃ) থেকে উক্ত সনদে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
كتاب فضائل الصحابة رضى الله تعالى عنهم
باب مِنْ فَضَائِلِ عُمَرَ رضى الله تعالى عنه
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا لَيْثٌ، ح وَحَدَّثَنَا عَمْرٌو النَّاقِدُ، وَزُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، قَالاَ حَدَّثَنَا ابْنُ عُيَيْنَةَ، كِلاَهُمَا عَنِ ابْنِ عَجْلاَنَ، عَنْ سَعْدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، بِهَذَا الإِسْنَادِ مِثْلَهُ .

হাদীসের ব্যাখ্যা:

'মুহাদ্দাস' আল্লাহ তা'আলার ঐ সব ভাগ্যবান বান্দাকে বলা হয়, যাদের প্রতি আল্লাহর পক্ষ থেকে অধিক পরিমাণে ইলহাম ও অন্তর্নিক্ষিপ্ত বার্তা আসে এবং এ ব্যাপারে তাঁর সাথে আল্লাহ তা'আলার বিশেষ আচরণ ও ভাব থাকে। তবে তিনি নবী হন না; বরং কোন নবীর উম্মত হয়ে থাকেন।

হুযুর (ﷺ)-এর এ বাণীর মর্ম এই যে, পূর্ববর্তী উম্মতসমূহের মধ্যে এমন ধরনের লোক থাকতেন, আর আমার উম্মতের মধ্যে যদি কাউকে এ নেয়ামত দ্বারা বিশেষভাবে ধন্য করা হয়ে থাকে, তাহলে তিনি হচ্ছেন উমর রাযি.।

হাদীসের শব্দমালা দ্বারা কারো যেন ভুলবুঝাবুঝি না হয় যে, হুযুর (ﷺ)-এর এ ব্যাপারে কোন সন্দেহ সংশয় ছিল। তাঁর উম্মত যেহেতু শ্রেষ্ঠ উম্মত এবং পূর্ববর্তী সকল উম্মতের চেয়ে উত্তম, তাই এ কথা স্পষ্ট যে, এ উম্মতের মধ্যেও এমন ভাগ্যবান বান্দা থাকবেন, যারা অধিক পরিমাণে ইলহাম দ্বারা ধন্য হবেন। হুযুর (ﷺ)-এর এ বাণীর উদ্দেশ্য ও দাবী হচ্ছে এ ক্ষেত্রে হযরত উমর রাযি.-এর বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে দেওয়া। আর নিঃসন্দেহে এ নেয়ামতের বেলায় হযরত উমর রাযি.-এর বিশেষত্ব অর্জিত ছিল।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)
tahqiqতাহকীক:বিশুদ্ধ (পারিভাষিক সহীহ)