আল মুসনাদুস সহীহ- ইমাম মুসলিম রহঃ
৪৬- ফাযায়েল ও শামাঈল অধ্যায়
হাদীস নং: ৫৮০৩
আন্তর্জাতিক নং: ২৩০৭-৩
- ফাযায়েল ও শামাঈল অধ্যায়
১১. নবী (ﷺ) এর বীরত্ব ও যুদ্ধে অগ্রগামী
৫৮০৩। মুহাম্মাদ ইবনে মুসান্না ইবনে বাশশার ও ইয়াহয়া ইবনে হাবীব (রাহঃ) ......... শুবা (রাহঃ) থেকে উক্ত সনদে এ হাদীস বর্ণনা করেন। ইবনে জা’ফরের হাদীসে ’আমাদের ঘোড়া’ বলা হয়েছে, ’আবু তালহা (রাযিঃ) এর’ কথা বলা হয় নি। খালিদ (রাহঃ) ......... কাতাদা (রাহঃ) থেকে বর্ণিত হাদীসে বলা হয়েছে, আমি আনাস (রাযিঃ) থেকে শুনেছি।
كتاب الفضائل
باب فِي شَجَاعَةِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَتَقَدُّمِهِ لِلْحَرْبِ
وَحَدَّثَنَاهُ مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، وَابْنُ، بَشَّارٍ قَالاَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، ح وَحَدَّثَنِيهِ يَحْيَى بْنُ حَبِيبٍ، حَدَّثَنَا خَالِدٌ، - يَعْنِي ابْنَ الْحَارِثِ - قَالاَ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، بِهَذَا الإِسْنَادِ وَفِي حَدِيثِ ابْنِ جَعْفَرٍ قَالَ فَرَسًا لَنَا . وَلَمْ يَقُلْ لأَبِي طَلْحَةَ . وَفِي حَدِيثِ خَالِدٍ عَنْ قَتَادَةَ سَمِعْتُ أَنَسًا .
হাদীসের ব্যাখ্যা:
আলোচ্য হাদীস থেকে জানা গেল যে, প্রয়োজনীয় সেই সময় রাসূলুল্লাহ ﷺ আবু তালহার ঘোড়া কর্জ গ্রহণ করে তাতে আরোহণ করেছিলেন। বস্তুত এ ঘটনায় রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর বীরত্ব ও জিম্মাদারীর অনুভূতির বৈশিষ্ট্য আমাদের সামনে আসে যে, বিপদকালে সত্য উদঘাটন ও যাচাই বাছাইয়ের জন্যে একাকী তিনি চলে গেলেন। তারপর প্রত্যাবর্তন করে লোকজনকে নির্ভয় করলেন, যাতে তারা নিজ নিজ কাজে ব্যস্ত হয়। আনুষঙ্গিক রূপে এটাও জানা গেল যে, হযরত আবু তালহার ঘোড়াটি অত্যন্ত ধীরগতির ও অলস ছিল বলে লোকে তার নামই দিয়েছিল ‘মানদুব’ (মন্থর গামী)। কিন্তু ঘোড়াটি রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর যানবাহন হয়ে এরূপ তেজী ও দ্রুতগতিসম্পন্ন হয়ে উঠল যে, তিনি স্বয়ং সেটিকে ‘প্রবহমান সমুদ্র’ (বিশাল গতিময়) বলে অভিহিত করলেন। অধিক দ্রুতগতিসম্পন্ন ঘোড়াকে بحر বলা হত।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)
বর্ণনাকারী: