আল মুসনাদুস সহীহ- ইমাম মুসলিম রহঃ
৩৮- পোশাক-পরিচ্ছদ ও সাজসজ্জা সংক্রান্ত অধ্যায়
হাদীস নং: ৫৩১৭
আন্তর্জাতিক নং: ২০৯৬
- পোশাক-পরিচ্ছদ ও সাজসজ্জা সংক্রান্ত অধ্যায়
১৬. জুতা বা অনুরূপ কিছু পরিধান করা মুস্তাহাব
৫৩১৭। সালামা ইবনে শাবীব (রাহঃ) ......... জাবির (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী (ﷺ) কে এক যুদ্ধে বলতে শুনেছি, তোমরা বেশী বেশী (সময়) জুতা পরে থাকবে। কেননা মানুষ যতক্ষণ জুতা পরিহিত থাকে, ততক্ষণ সে সওয়ার থাকে।
كتاب اللباس والزينة
بَاب اسْتِحْبَابِ لُبْسِ النِّعَالِ وَمَا فِي مَعْنَاهَا
حَدَّثَنِي سَلَمَةُ بْنُ شَبِيبٍ، حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ أَعْيَنَ، حَدَّثَنَا مَعْقِلٌ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرٍ، قَالَ سَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ فِي غَزْوَةٍ غَزَوْنَاهَا " اسْتَكْثِرُوا مِنَ النِّعَالِ فَإِنَّ الرَّجُلَ لاَ يَزَالُ رَاكِبًا مَا انْتَعَلَ " .
হাদীসের ব্যাখ্যা:
এটা এক বাস্তব অভিজ্ঞতা যে, যে ব্যক্তি জুতা পায়ে দিয়ে পথ চলে, সে ঐ ব্যক্তির তুলনায় যে জুতা পরে চলে না-দ্রুতও চলে এবং ক্লান্তও কম হয়। তার পা নিরাপদও থাকে। এটাই হচ্ছে এ কথার মর্ম "সে আরোহীর ন্যায় থাকে"। আর আমাদের এ যুগে তো সৈনিকদের জন্য তাদের নির্দিষ্ট জুতা তাদের সৈনিক পোশাকের অংশ।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)