আল মুসনাদুস সহীহ- ইমাম মুসলিম রহঃ

৩৪- ইসলামী রাষ্ট্রনীতির অধ্যায়

হাদীস নং: ৪৫৮২
আন্তর্জাতিক নং: ১৮৩১-১
৬. গনিমতের মাল আত্মসাৎ হারাম হওয়ার কঠোরতা
৪৫৮২। যুহাইর ইবনে হারব (রাহঃ) ......... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাদের মধ্যে (ভাষণ দিতে) দাঁড়ালেন এবং (আমানতের ও গনিমতের) মাল আত্মসাৎ প্রসঙ্গে আলোচনা করলেন। তিনি বিষয়টিকে ভয়াবহ ও অতি ভয়ংকর রূপে উপস্থাপন করলেন। তারপর বললেনঃ আমি তোমাদের কাউকে কিয়ামত দিবসে যেন এমন অবস্থায় উপস্থিত না পাই যে, আওয়াজকারী উট তার ঘাড়ের উপর সাওযার আর সে বলছে (ফরিয়াদ করছে) ইয়া রাসুলাল্লাহ! আমাকে সাহায্য করুন! আমি তখন বলবোঃ তোমার ব্যাপারে আমার কিছু করার ক্ষমতা নেই। আমি (এর পূর্বেও) তোমাকে (এ ব্যাপারে) জানিয়ে দিয়েছি।

আমি যেন কিয়ামত দিবসে তোমাদের কাউকে এমন অবস্থায় না পাই যে, ভ্যাঁভ্যাঁ কারী ছাগল তার ঘাড়ে রয়েছে। সে বলছে, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমাকে সাহায্য করুন। তখন আমি বলবোঃ তোমার ব্যাপারে আমার কিছু করার ক্ষমতা নেই, আমি তো তোমাকে আগেই জানিয়ে দিয়েছি। আমি তোমাদের কাউকে যেন কিয়ামত দিবসে এমন অবস্থায় উপস্থিত না পাই যে, কোন আর্তনাদরতকে সে বয়ে নিয়ে আসছে আর ফরিয়াদ করবে, ইয়া রাসুলাল্লাহ! আমাকে সাহায্য করুন। আর আমি বলবোঃ তোমার ব্যাপারে আমার কিছু করার ক্ষমতা নেই।

আর আমি (ইতিপূর্বেই তা) তোমার নিকট প্রচার করেছি। আমি তোমাদের কাউকে কিয়ামতের দিন এমন অবস্থায় যেন উপস্থিত না পাই যে, তার ঘাড়ের উপর পতপত করে কাপড় উড়ছে আর সে ফরিয়াদ করছে, ইয়া রাসুলাল্লাহ! আমাকে সাহায্য করুন। আমি বলবো যে, তোমার ব্যাপারে আমার কিছু করার ক্ষমতা নেই। আমি তো (ইতি পূর্বেই তা) তোমাকে জানিয়ে রেখেছি। আর এমন যেন না হয় যে, কিয়ামতের দিন তোমাদের মধ্যকার কাউকে এ অবস্থায় পাই যে, তার ঘাড়ে স্বর্ণ, রৌপ্য নিয়ে আসবে আর ফরিয়াদ করবে, ইয়া রাসুলাল্লাহ! আমাকে সাহায্য করুন। আর আমি বলবোঃ আমার তোমাকে সাহায্য করার কোন সাধ্য নেই, আমি তো (পূর্বেই সে বিষয়ে) তোমাকে অবহিত করে এসেছি।
باب غِلَظِ تَحْرِيمِ الْغُلُولِ
وَحَدَّثَنِي زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ أَبِي حَيَّانَ، عَنْ أَبِي، زُرْعَةَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَامَ فِينَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ذَاتَ يَوْمٍ فَذَكَرَ الْغُلُولَ فَعَظَّمَهُ وَعَظَّمَ أَمْرَهُ ثُمَّ قَالَ " لاَ أُلْفِيَنَّ أَحَدَكُمْ يَجِيءُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ عَلَى رَقَبَتِهِ بَعِيرٌ لَهُ رُغَاءٌ يَقُولُ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَغِثْنِي . فَأَقُولُ لاَ أَمْلِكُ لَكَ شَيْئًا قَدْ أَبْلَغْتُكَ . لاَ أُلْفِيَنَّ أَحَدَكُمْ يَجِيءُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ عَلَى رَقَبَتِهِ فَرَسٌ لَهُ حَمْحَمَةٌ فَيَقُولُ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَغِثْنِي . فَأَقُولُ لاَ أَمْلِكُ لَكَ شَيْئًا قَدْ أَبْلَغْتُكَ . لاَ أُلْفِيَنَّ أَحَدَكُمْ يَجِيءُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ عَلَى رَقَبَتِهِ شَاةٌ لَهَا ثُغَاءٌ يَقُولُ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَغِثْنِي . فَأَقُولُ لاَ أَمْلِكُ لَكَ شَيْئًا قَدْ أَبْلَغْتُكَ . لاَ أُلْفِيَنَّ أَحَدَكُمْ يَجِيءُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ عَلَى رَقَبَتِهِ نَفْسٌ لَهَا صِيَاحٌ فَيَقُولُ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَغِثْنِي . فَأَقُولُ لاَ أَمْلِكُ لَكَ شَيْئًا قَدْ أَبْلَغْتُكَ . لاَ أُلْفِيَنَّ أَحَدَكُمْ يَجِيءُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ عَلَى رَقَبَتِهِ رِقَاعٌ تَخْفِقُ فَيَقُولُ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَغِثْنِي . فَأَقُولُ لاَ أَمْلِكُ لَكَ شَيْئًا قَدْ أَبْلَغْتُكَ . لاَ أُلْفِيَنَّ أَحَدَكُمْ يَجِيءُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ عَلَى رَقَبَتِهِ صَامِتٌ فَيَقُولُ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَغِثْنِي فَأَقُولُ لاَ أَمْلِكُ لَكَ شَيْئًا قَدْ أَبْلَغْتُكَ " .
tahqiqতাহকীক:বিশুদ্ধ (পারিভাষিক সহীহ)
সহীহ মুসলিম - হাদীস নং ৪৫৮২ | মুসলিম বাংলা