আল মুসনাদুস সহীহ- ইমাম মুসলিম রহঃ
১৯- ত্বালাক - বিবাহ বিচ্ছেদ অধ্যায়
হাদীস নং: ৩৫৬৩
আন্তর্জাতিক নং: ১৪৮০-১
- ত্বালাক - বিবাহ বিচ্ছেদ অধ্যায়
৫. বায়িন তালাকপ্রাপ্তা স্ত্রীর জন্য খোরপোষ নেই
৩৫৬৩। ইয়াহয়া ইবনে ইয়াহয়া (রাহঃ) ......... ফাতিমা বিনতে কায়স (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আবু আমর ইবনে হাফস (রাযিঃ) (তার স্বামী) অনুপস্থিত অবস্থায় তাকে বায়েন তালাক দেন। এরপর সামান্য পরিমাণ যবসহ উকীলকে তার কাছে পাঠিয়ে দেন। এতে তিনি [ফাতিমা (রাযিঃ)] তার উপর ভীষণভাবে অন্তুষ্ট হন। সে (উকীল) বলল, আল্লাহর কসম! তোমাকে (খোরপোষরূপে) কোন কিছু দেওয়া আমাদের দায়িত্ব নয়। তখন তিনি [ফাতিমা বিনতে কায়স (রাযিঃ)] রাসুলল্লাহ (ﷺ) এর কাছে উপিস্থিত হয়ে তাঁর নিকট সব খুলে বললেন। (তার কথা শুনে) তিনি বললেন, তোমার জন্য তার (তোমার স্বামী আবু আমর ইবনে হাফস (রাযিঃ) এর) দায়িত্বে কোন খোরপোষ নেই।
এরপর তিনি তাকে উম্মু শারীকের ঘরে গিয়ে ইদ্দত পালনের নির্দেশ দিলেন। তারপর তিনি এও বললেন সে মহিলা (উম্মু শারীক) এমন একজন স্ত্রীলোক যার কাছে আমার সাহাবীগণ ভীড় করে থাকেন। তুমি বরং ইবনে উম্মু মাকতুম (রাযিঃ) এর বাড়ীতে গিয়ে ইদ্দত পালন করতে থাক। কেননা সে একজন অন্ধ মানুষ। সেখানে তুমি তোমার কাপড় খুলতে পারবে। ইদ্দত পূর্ণ হলে তুমি আমাকে জানাবে।
তিনি বলেন, যখন আমার ইদ্দত পূর্ণ হল তখন আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কে জানালাম যে, মুআবিয়া ইবনে আবু সুফিয়ান (রাযিঃ) ও আবু জাহম (রাযিঃ) আমাকে বিবাহের পায়গাম পাঠিয়েছেন। তখন রাসুলল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ আবু জাহাম এমন লোক যে তার কাঁধ থেকে লাঠি নামিয়ে রাখে না। আর মুআবিয়া তো কপর্দকহীন গরীব মানুষ। তুমি উসামা ইবনে যায়দের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আব্দ্ধ হও। কিন্তু আমি তাঁকে পছন্দ করলাম না। এরপর তিনি আবার বললেন, তুমি উসামাকে বিয়ে কর। তখন আমি তার সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আব্দ্ধ হলাম। আল্লাহ এতে (তার ঘরে) আমাকে বিরাট কল্যাণ দান করলেন। আর আমি ঈর্ষার পাত্রে পরিণত হলাম।
এরপর তিনি তাকে উম্মু শারীকের ঘরে গিয়ে ইদ্দত পালনের নির্দেশ দিলেন। তারপর তিনি এও বললেন সে মহিলা (উম্মু শারীক) এমন একজন স্ত্রীলোক যার কাছে আমার সাহাবীগণ ভীড় করে থাকেন। তুমি বরং ইবনে উম্মু মাকতুম (রাযিঃ) এর বাড়ীতে গিয়ে ইদ্দত পালন করতে থাক। কেননা সে একজন অন্ধ মানুষ। সেখানে তুমি তোমার কাপড় খুলতে পারবে। ইদ্দত পূর্ণ হলে তুমি আমাকে জানাবে।
তিনি বলেন, যখন আমার ইদ্দত পূর্ণ হল তখন আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কে জানালাম যে, মুআবিয়া ইবনে আবু সুফিয়ান (রাযিঃ) ও আবু জাহম (রাযিঃ) আমাকে বিবাহের পায়গাম পাঠিয়েছেন। তখন রাসুলল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ আবু জাহাম এমন লোক যে তার কাঁধ থেকে লাঠি নামিয়ে রাখে না। আর মুআবিয়া তো কপর্দকহীন গরীব মানুষ। তুমি উসামা ইবনে যায়দের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আব্দ্ধ হও। কিন্তু আমি তাঁকে পছন্দ করলাম না। এরপর তিনি আবার বললেন, তুমি উসামাকে বিয়ে কর। তখন আমি তার সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আব্দ্ধ হলাম। আল্লাহ এতে (তার ঘরে) আমাকে বিরাট কল্যাণ দান করলেন। আর আমি ঈর্ষার পাত্রে পরিণত হলাম।
كتاب الطلاق
باب المطلقة البا ئن لا نفقة لها
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، قَالَ قَرَأْتُ عَلَى مَالِكٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ يَزِيدَ، مَوْلَى الأَسْوَدِ بْنِ سُفْيَانَ عَنْ أَبِي سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ فَاطِمَةَ بِنْتِ قَيْسٍ، أَنَّ أَبَا عَمْرِو بْنَ حَفْصٍ، طَلَّقَهَا الْبَتَّةَ وَهُوَ غَائِبٌ فَأَرْسَلَ إِلَيْهَا وَكِيلُهُ بِشَعِيرٍ فَسَخِطَتْهُ فَقَالَ وَاللَّهِ مَا لَكِ عَلَيْنَا مِنْ شَىْءٍ . فَجَاءَتْ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَذَكَرَتْ ذَلِكَ لَهُ فَقَالَ " لَيْسَ لَكِ عَلَيْهِ نَفَقَةٌ " . فَأَمَرَهَا أَنْ تَعْتَدَّ فِي بَيْتِ أُمِّ شَرِيكٍ ثُمَّ قَالَ " تِلْكَ امْرَأَةٌ يَغْشَاهَا أَصْحَابِي اعْتَدِّي عِنْدَ ابْنِ أُمِّ مَكْتُومٍ فَإِنَّهُ رَجُلٌ أَعْمَى تَضَعِينَ ثِيَابَكِ فَإِذَا حَلَلْتِ فَآذِنِينِي " . قَالَتْ فَلَمَّا حَلَلْتُ ذَكَرْتُ لَهُ أَنَّ مُعَاوِيَةَ بْنَ أَبِي سُفْيَانَ وَأَبَا جَهْمٍ خَطَبَانِي . فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " أَمَّا أَبُو جَهْمٍ فَلاَ يَضَعُ عَصَاهُ عَنْ عَاتَقِهِ وَأَمَّا مُعَاوِيَةُ فَصُعْلُوكٌ لاَ مَالَ لَهُ انْكِحِي أُسَامَةَ بْنَ زَيْدٍ " . فَكَرِهْتُهُ ثُمَّ قَالَ " انْكِحِي أُسَامَةَ " . فَنَكَحْتُهُ فَجَعَلَ اللَّهُ فِيهِ خَيْرًا وَاغْتَبَطْتُ بِهِ .
বর্ণনাকারী: